Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

ভুয়া ও গয়রহ মামলা: তারা কত দিন বিনা বিচারে কারাগারে থাকবেন?

সোহরাব হাসান

সোহরাব হাসান

প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৬, ১৮: ৫৮
ভুয়া ও গয়রহ মামলা: তারা কত দিন বিনা বিচারে কারাগারে থাকবেন?

বন্ধু আনিস আলমগীরের জামিন পাওয়ার খবরটি দেখে আশ্বস্ত হয়েছিলাম। মঞ্জুর আলম পান্নার পর আরেকজন সাংবাদিক জামিনে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসছেন, এটা আনন্দের খবর হতে পারত। কিন্তু আনিস আলমগীর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জামিন পেলেও তার বিরুদ্ধে অন্য মামলা থাকায় এখনই কারাগার থেকে বের হতে পারছেন না।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাবাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় ১৫ ডিসেম্বর তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। অর্থাৎ আগে গ্রেপ্তার করে পরে মামলা দেওয়া। রাজনৈতিক সরকারের মতো অন্তর্বর্তী আমলেও হরহামেশা এসব ঘটেছে।

আইনজীবী আসলাম মিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় হাইকোর্ট গত ১৯ ফেব্রুয়ারি আনিস আলমগীরের জামিন প্রশ্নে রুল দেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) ঘোষণা করেছেন। ফলে আনিস আলমগীর নিয়মিত জামিন পেলেন। তবে এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না। কেননা তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা রয়েছে। এই মামলায় তার জামিন আবেদনের ওপর অধস্তন আদালতে আগামী সপ্তাহে শুনানি হওয়ার কথা।

এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলায় তার বিরুদ্ধে তিন কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলা দিয়ে সাংবাদিক আনিস আলমগীরের আটকের ঘটনায় যখন সরকার দেশে বিদেশে সমালোচিত হচ্ছিল, তখনই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দায়ের করে। কেউ দুর্নীতি করলে অবশ্যই সরকার মামলা করবে। তদন্ত হবে। কিন্তু এখানে আগে গ্রেপ্তার করে পরে তদন্ত ও মামলা করার ঘটনা ঘটেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় খালাস পেলেন খান আকরামcourt

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার চেয়ে দুর্নীতির মামলায় জামিন পাওয়া সহজ। তারপরও আনিস আলমগীর জামিন পাবেন কি না সেটাই প্রশ্ন। এক মামলায় আটক থাকা আর একাধিক মামলায় আটক থাকার মধ্যে বস্তুগত ফারাক কম। অভিযুক্তকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে।

যেমনটি ঘটেছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর ক্ষেত্রে। চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের অব্যবহিত পর তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। যখন সংবাদমাধ্যমে খবর বের হলো সেলিনা হায়াৎ আইভী ‘পরিশীলিত’ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসতে পারেন, তখনই একের পর এক মামলা দিয়ে তাকে জেলে পোরা হয়। একটি মামলায় তিনি জামিন পান তো আরেকটি মামলায় তার নাম ঢুকানো হয়।

সম্প্রতি হত্যার অভিযোগসহ পৃথক পাঁচ মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই পাঁচ মামলার মধ্যে চারটি ফতুল্লা থানায় করা হত্যা মামলা এবং অপরটি হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় করা। এসব মামলায় নিম্ন আদালতে বিফল হয়ে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে পৃথক আবেদন করেন কারাগারে থাকা সেলিনা হায়াৎ আইভি।

গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসা থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের হওয়া তিনটি হত্যা মামলা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এই পাঁচ মামলায় হাইকোর্ট থেকে গত বছরের ৯ নভেম্বর জামিন পান কারাবন্দী সেলিনা হায়াৎ আইভী। এই জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে পৃথক পাঁচটি আবেদন করে। শুনানি নিয়ে চেম্বার আদালত গত বছরের ১২ নভেম্বর হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনগুলো আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। আবেদনগুলো আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায়। আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজুর ভাষ্যমতে, ‘যেদিন হাইকোর্ট থেকে জামিন পান, সেদিনই আরও পাঁচ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়, যা গত বছরের ১৮ নভেম্বর মঞ্জুর হয়।’ এখানেও আগে গ্রেপ্তার পরে মামলা ও তদন্ত। রাজনৈতিক সরকারগুলো যে কায়দায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করত, অন্তর্বর্তী সরকারও তা-ই করেছে।

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান সম্পাদক পরিষদেরsompadok-porisod

আবার এক বা একাধিক মামলায় রাজনীতিক, সাংবাদিক ও সাবেক বিচারপতিকে আটক করার পর ১৭-১৮ মাস চলে গেলেও কোনো তদন্ত হয়নি। অভিযোগপত্র দেওয়া হয়নি। এমনকি তদন্তের বিষয়ে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়নি। সম্প্রতি জামিন পাওয়া এক সাবেক সচিব বলেছেন, তিনি একটি সেমিনারে গিয়েছিলেন। সেই সেমিনারস্থলে এসে যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালালো সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে আহ্বানকারী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের কয়েকজনকে ধরে নিয়ে যায়। তিনি সেই সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন, এই অজুহাতে পরে তাকেও বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এটা যদি ন্যাবিচারের ধরন হয় তাহলে অবিচার কাকে বলে? 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান তদন্ত ছাড়া সাতজন আসামির কারাবাসের একটি তালিকা দিয়েছেন। এদের মধ্যে যেমন সাংবাদিক আছেন, তেমনি আছেন অন্য পেশার মানুষও। এতে দেখা যায়, সাবেক আমলা শাহ কামাল ৫৬২ দিন, সাংবাদিক ফরজানা রূপা ও শাকিল আহমদ ৫৫৯ দিন, সাবেক মন্ত্রী টিপু মুনশী ৫৫১ দিন, সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ৫৩৪ দিন, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত ও একাত্তর টিভির প্রধান নির্বাহী মোজাম্মেল হক বাবু ৫৩২ দিন, সাবেক মেয়র আতিকুল হক ৫০৪ দিন ও সাবেক প্রধান বিচারপিত ২২২ দিন কারাগারে আটক আছেন। এদের বেশির ভাগের বিরুদ্ধেই হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।

এই যে আসামিকে মাসের পর মাস কারাগারে আটক রেখে তদন্ত না করার অর্থ কি? অর্থ হলো তাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, তা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক। 

গত দেড় বছরে যে হাজার হাজার পেশাজীবীর বিরুদ্ধে ভুয়া ও প্রতিহিংসামূলক মামলা দেওয়া হয়েছে, তার প্রতিকার কী? ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেবল ২৬৬ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা বা হত্যাচেষ্টা মামলা দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ আমলে যেভাবে ডিবি অফিসে ডেকে নিয়ে আটক করে পরে মামলা দেওয়া হতো, তার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হয়নি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যেসব হয়রানিমূলক ও অসত্য মামলা হয়েছে সেগুলো যাচাই বাছাই করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন। আরও অনেক কিছুর মতো অন্তর্বর্তী সরকার মামলার বোঝাও চাপিয়ে গেছে নির্বাচিত সরকারের ওপর। এখন এগুলোর ন্যায়সঙ্গত নিষ্পত্তি ও বিনাবিচারে কারাগারে আটক ব্যক্তিদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দায় এসে পড়েছে আদালতের ওপর।

অন্তবর্তী সরকারের আমলে যেসব মামলা করা হয়েছে, তার বেশির ভাগই গয়রহ ও পাইকারী। একটি হত্যা মামলায় ৪০০ জন পর্যন্ত আসামি করা হয়েছে। আবার দিনাজপুরের ঘটনায় ঢাকার বাসিন্দাকে কিংবা সিলেটের ঘটনায় চট্টগ্রামের বাসিন্দাকে আসামি করা হয়েছে।

সম্প্রতি সম্পাদক পরিষদ এক বিবৃতিতে সাংবাকদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অসত্য ও উদ্দেশ্যমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। তারা বলেছে, অন্তবর্তী সরকার এসব মামলা প্রত্যাহারের ওয়াদা দিয়েও রাখেনি। আশা করি নির্বাচিত সরকার কথা রাখবে। কমনওয়েলথ সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশনও এক বিবৃতিতে আটক সাংবাদিকদের মুক্তি দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

অন্তর্বর্তী সরকার বহু বার ভূয়া ও অসত্য মামলা দায়েরকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললেও কথা রাখেনি। আশা করি, নির্বাচিত সরকার কথা রাখবে। ন্যায়বিচার ও মুক্ত সাংবাদিকতার জন্য সেটা জরুরি বলে মনে করি।

লেখক: সম্পাদক, চরচা।

বিষয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসন্ত্রাসীমামলাকারাগারআসামিআইনবিচারপতিআদালতঅন্তর্বর্তী সরকারমেয়র
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া