
পয়লা বৈশাখের বেশ নবীনতম সংযোজন হলো ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’। যদি শত শত বছরের ইতিহাস হিসেবে নেওয়া হয়, তাহলে উচ্চারণ করতেই হয় ‘নবীনতম’ শব্দটি। এর বয়স সর্বোচ্চ ৩৫/৪০ বছর। উদ্ভবের ইতিহাস অনুযায়ী, ১৯৮৫ সালে যশোরে চারুপীঠ নামের একটি সংগঠন এ ধরনের একটি শোভাযাত্রার শুরুটা করেছিল।

বছর দেড়েকের বেশি সময় ধরেই একটি শব্দবন্ধ বারবার শোনা যাচ্ছে। এর একাংশ অবশ্য আরও আগে থেকেই আলোচিত। সেটি হলো ‘ফ্যাসিজম’ বা ‘ফ্যাসিস্ট’। এখন অবশ্য তার আগে ‘কালচার’ বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে, সচেতনভাবেই।

একটা সময় পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসারদের দেখে বাংলাদেশের দর্শকরা আক্ষেপ করতেন। সেই আক্ষেপ অনেকটাই মিটিয়েছেন নাহিদ রানা। এখন পর্যন্ত বিশ্বমানের কয়েকজন পেস বোলার পেলেও বাংলাদেশের ক্রিকেটে সত্যিকারের গতির ঝড় তুলছেন নাহিদই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আলো ছড়িয়ে এবার পিএসএলেও নিজেকে প্রমাণ করে চলেছেন তিনি।

পয়লা বৈশাখের শোভাযাত্রা ঘিরে নাম পরিবর্তন বিতর্কে উঠে এসেছে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপের প্রশ্ন। ‘মঙ্গল’ থেকে ‘আনন্দ’, শেষে ‘বৈশাখী’—নামের পরিবর্তনে লুকিয়ে মতাদর্শিক টানাপোড়েন। বৈশাখী শোভাযাত্রার নাম বারবার বদলানো কি কেবলই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো গভীর রাজনৈতিক সমীকরণ?

প্রখ্যাত অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, বিজ্ঞাপন নির্মাতা— আফজাল হোসেনের পরিচয়ের ব্যাপ্তি অনেক। মঞ্চ কিংবা টেলিভিশন—সত্তর, আশি ও নব্বইয়ের দশকে দর্শক মাতিয়েছেন। অনেকের মতে, নিজের বিজ্ঞাপনী সংস্থার মাধ্যমে তিনি দেশের বিজ্ঞাপন জগতে বিপ্লব এনেছেন, দারুণ সব অভিনেতা, অভিনেত্রী ও মডেল তারকার উত্থান তার হাত ধরেই।
একসময় বাঙালির বিনোদনের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম ছিল পুতুলনাট্য বা পুতুলনাচ। প্রাযুক্তিক যুগে পৃষ্ঠপোষকতা না থাকায় হারিয়ে যেতে বসেছে এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প। সেই পুতুলনাচের ইতিহাস, সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে চরচা লাইটটকে সুদীপ্ত সালামের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তরুণ গবেষক প্রান্ত সাহা।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বের হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা। দিনটি উদযাপন করতে ক্যাম্পাস ও শাহবাগ এলাকায় সর্বস্তরের মানুষ জড়ো হয়।

সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নববর্ষ পালনের বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয় রীতিনীতি নিয়ে এই লেখা। ইরানের নওরোজ উৎসব থেকে শুরু করে স্পেনের মধ্যরাতে ১২টি আঙুর খাওয়ার অদ্ভুত প্রথা, ব্রাজিলের সমুদ্রসৈকতে সাদা পোশাকে ঢেউ ডিঙানো এবং থাইল্যান্ডের সংক্রানে জল উৎসব—সবই উঠে এসেছে এখানে।

পহেলা বৈশাখে বাঙালির নাগরিক মন পল্লীগীতির দিকে ছুটে যায়। কিন্তু এই নাগরিক উদযাপনে সে মনে করে না তার একান্ত আপন আধুনিক গানকে। সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা, সুবীর নন্দীকে বর্ষবরণের উদযাপনে কেন আনা হয় না? আধুনিক গানের জন্মই বা হলো কীভাবে?

পহেলা বৈশাখে বাঙালির নাগরিক মন পল্লীগীতির দিকে ছুটে যায়। কিন্তু এই নাগরিক উদযাপনে সে মনে করে না তার একান্ত আপন আধুনিক গানকে। সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা, সুবীর নন্দীকে বর্ষবরণের উদযাপনে কেন আনা হয় না? আধুনিক গানের জন্মই বা হলো কীভাবে?

সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কালচারাল ফ্যাসিজম বা সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদ হলো সংস্কৃতির কোনো উপাদানকে ব্যবহার করে ফ্যাসিবাদের প্রচার ও প্রসার করা। অর্থাৎ, সংস্কৃতির সেই উপাদানটি তখন ফ্যাসিবাদের একটি অস্ত্র হিসেবে কাজ করে। সাংস্কৃতিক মোড়কে প্রচার করে যায় ফ্যাসিবাদের আদর্শ।

ইরান যুদ্ধ শেষের পথে, ট্রাম্পের দাবি। এদিকে, শেষের পথে যুদ্ধবিরতিও। ফের বৈঠকে বসছে ইরান-আমেরিকা। আমেরিকান নৌ-বাহিনী হরমুজ থেকে ফেরত পাঠাচ্ছে ইরানসহ বিভিন্ন দেশের জাহাজ। ওদিকে, আমেরিকাকে ছাড়াই হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল স্বাভাবিক করতে ইউরোপের দেশগুলো একটি বড় জোট গঠনের পরিকল্পনা করছে।

মুন্সীগঞ্জের নিভৃত গ্রাম থেকে রাজপথ—সবখানেই এখন কয়েকশ বছরের পুরনো ঐতিহ্য লাল কাচ যোদ্ধাদের পদচারণা। চৈত্র সংক্রান্তির পুণ্যলগ্নে অশুভ শক্তি বিনাশের প্রত্যয়ে শরীর রাঙিয়ে রাজপথে নেমেছেন কয়েকশ ভক্ত। সম্প্রীতি আর ঐতিহ্যের মিশেলে উদযাপিত এই উৎসবের বিস্তারিত নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।

যুদ্ধ করা ছাড়া কি ইরানের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই? নিঃসন্দেহে দেশটি আমেরিকার মতো সুপারপাওয়ারকে যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের আর কোনো দেশ তা করতে পারেনি। আর এ জন্যই কি এখন ইরানের পিছু হটার সুযোগ নেই? পরাজয় অথবা ধ্বংস—এই পরিস্থিতি কি ইরানের সামনে হাজির হয়েছে। ট্রাম্প এখন কী করবেন?

১১৪ বছর আগে এক ‘অজেয়’ জাহাজের অহংকার ভেঙে চুরমার হয়েছিল যার কাছে, সেই ঘাতক আইসবার্গটির জন্ম হয়েছিল তুতেনখামেনের যুগে! তুষারপাত থেকে শুরু করে তিন হাজার বছরের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে কীভাবে একটি বরফখণ্ড ইতিহাসের গতিপথ বদলে দিয়েছিল, সেই রোমাঞ্চকর কাহিনী জানুন আজকের এই ফিচারে।

পয়লা বৈশাখের বেশ নবীনতম সংযোজন হলো ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’। যদি শত শত বছরের ইতিহাস হিসেবে নেওয়া হয়, তাহলে উচ্চারণ করতেই হয় ‘নবীনতম’ শব্দটি। এর বয়স সর্বোচ্চ ৩৫/৪০ বছর। উদ্ভবের ইতিহাস অনুযায়ী, ১৯৮৫ সালে যশোরে চারুপীঠ নামের একটি সংগঠন এ ধরনের একটি শোভাযাত্রার শুরুটা করেছিল।

বছর দেড়েকের বেশি সময় ধরেই একটি শব্দবন্ধ বারবার শোনা যাচ্ছে। এর একাংশ অবশ্য আরও আগে থেকেই আলোচিত। সেটি হলো ‘ফ্যাসিজম’ বা ‘ফ্যাসিস্ট’। এখন অবশ্য তার আগে ‘কালচার’ বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে, সচেতনভাবেই।

একটা সময় পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসারদের দেখে বাংলাদেশের দর্শকরা আক্ষেপ করতেন। সেই আক্ষেপ অনেকটাই মিটিয়েছেন নাহিদ রানা। এখন পর্যন্ত বিশ্বমানের কয়েকজন পেস বোলার পেলেও বাংলাদেশের ক্রিকেটে সত্যিকারের গতির ঝড় তুলছেন নাহিদই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আলো ছড়িয়ে এবার পিএসএলেও নিজেকে প্রমাণ করে চলেছেন তিনি।

পয়লা বৈশাখের শোভাযাত্রা ঘিরে নাম পরিবর্তন বিতর্কে উঠে এসেছে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপের প্রশ্ন। ‘মঙ্গল’ থেকে ‘আনন্দ’, শেষে ‘বৈশাখী’—নামের পরিবর্তনে লুকিয়ে মতাদর্শিক টানাপোড়েন। বৈশাখী শোভাযাত্রার নাম বারবার বদলানো কি কেবলই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো গভীর রাজনৈতিক সমীকরণ?

প্রখ্যাত অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, বিজ্ঞাপন নির্মাতা— আফজাল হোসেনের পরিচয়ের ব্যাপ্তি অনেক। মঞ্চ কিংবা টেলিভিশন—সত্তর, আশি ও নব্বইয়ের দশকে দর্শক মাতিয়েছেন। অনেকের মতে, নিজের বিজ্ঞাপনী সংস্থার মাধ্যমে তিনি দেশের বিজ্ঞাপন জগতে বিপ্লব এনেছেন, দারুণ সব অভিনেতা, অভিনেত্রী ও মডেল তারকার উত্থান তার হাত ধরেই।
একসময় বাঙালির বিনোদনের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম ছিল পুতুলনাট্য বা পুতুলনাচ। প্রাযুক্তিক যুগে পৃষ্ঠপোষকতা না থাকায় হারিয়ে যেতে বসেছে এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প। সেই পুতুলনাচের ইতিহাস, সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে চরচা লাইটটকে সুদীপ্ত সালামের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তরুণ গবেষক প্রান্ত সাহা।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বের হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা। দিনটি উদযাপন করতে ক্যাম্পাস ও শাহবাগ এলাকায় সর্বস্তরের মানুষ জড়ো হয়।

সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নববর্ষ পালনের বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয় রীতিনীতি নিয়ে এই লেখা। ইরানের নওরোজ উৎসব থেকে শুরু করে স্পেনের মধ্যরাতে ১২টি আঙুর খাওয়ার অদ্ভুত প্রথা, ব্রাজিলের সমুদ্রসৈকতে সাদা পোশাকে ঢেউ ডিঙানো এবং থাইল্যান্ডের সংক্রানে জল উৎসব—সবই উঠে এসেছে এখানে।

পহেলা বৈশাখে বাঙালির নাগরিক মন পল্লীগীতির দিকে ছুটে যায়। কিন্তু এই নাগরিক উদযাপনে সে মনে করে না তার একান্ত আপন আধুনিক গানকে। সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা, সুবীর নন্দীকে বর্ষবরণের উদযাপনে কেন আনা হয় না? আধুনিক গানের জন্মই বা হলো কীভাবে?

পহেলা বৈশাখে বাঙালির নাগরিক মন পল্লীগীতির দিকে ছুটে যায়। কিন্তু এই নাগরিক উদযাপনে সে মনে করে না তার একান্ত আপন আধুনিক গানকে। সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা, সুবীর নন্দীকে বর্ষবরণের উদযাপনে কেন আনা হয় না? আধুনিক গানের জন্মই বা হলো কীভাবে?