
নিউইয়র্ক টাইমসের মন্তব্য
হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের দূরদর্শিতার অভাব ভয়াবহ অদক্ষতার প্রমাণ। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি পূর্বের অবস্থা ফেরায়নি। কারণ ইরান এখনও চলাচল সীমিত রেখেছে এবং চূড়ান্ত শান্তিচুক্তির অংশ হিসেবে কর আরোপের হুমকি দিয়েছে। এই যুদ্ধ ইরানের নেতাদের দেখিয়ে দিয়েছে যে, জলপথ নিয়ন্ত্রণ বাস্তবে সম্ভব।

তাহলে এস আলম কি ফিরছে? কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখনো ‘হ্যাঁ’ বলেনি। জোর দিয়ে ‘না’–ও বলতে শোনা গেল না। এদিকে নতুন আইনের ১৮এ ধারা বলছে, ফিরে আসাতে কোন দৃশ্যত কোন বাধা নেই।

তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলের জন্য ইরানের এই পথ বন্ধের সিদ্ধান্তে মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর নির্ভরশীল দেশগুলো মারাত্মক অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে, যার প্রভাব পড়েছে খোদ যুক্তরাষ্ট্রেও। কিন্তু যে পথটি খুলে দিতে বলেছিলেন ট্রাম্প, সেটিই আবার কেন অবরোধ করতে চান?

একদিকে ইসরায়েল গাজায় সামরিক অভিযান চালাচ্ছে, হুতি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলিরা আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছে, হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতৃত্বকে হত্যা করা হচ্ছে– আর অন্যদিকে উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো নিজেদের উন্নয়নযজ্ঞে মত্ত।

বর্তমান সংকট শুধু ইরান বা মধ্যপ্রাচ্যের জন্য নয়, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতির জন্যও একটি বড় পরীক্ষা। ইসলামাবাদ এই পরীক্ষায় কতটা সফল হবে, তা নির্ভর করছে তার কূটনৈতিক দক্ষতা, কৌশলগত দূরদর্শিতা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ– সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতার ওপর।

রয়টার্সের বিশ্লেষণ
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের আঁচ এবার সরাসরি এসে লেগেছে বাংলাদেশের কৃষিখাতে। এই যুদ্ধ এদেশের বোরো মৌসুমে ডেকে এনেছে চরম অনিশ্চয়তা। ডিজেল সংকটে সেচ ব্যাহত হওয়ায় ধান উৎপাদন নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় পড়েছেন দেশের হাজার হাজার কৃষক।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো–তারা কি তাদের সামরিক শক্তিকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখার মতো শিল্পভিত্তি গড়ে তুলতে পারবে, নাকি এই যুদ্ধই তাদের সীমাবদ্ধতার প্রকৃত চিত্র উন্মোচন করে দেবে?

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান সংঘাতের ফলে ইরান আগের চেয়ে আরও সাহসী, উগ্র এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। প্রণালিটি বন্ধ হওয়া বা শর্তসাপেক্ষে খোলার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে তা আমেরিকার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলবে।

হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর আগে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা নড়বড়ে হয়ে যাওয়ার সময় থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চীনের একটি অবস্থান তৈরি হচ্ছিল। বিশেষ করে ২০২৩ সালে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে অপ্রত্যাশিত সমঝোতা স্থাপনে ভূমিকা রেখে আলোচনায় আসে চীন।

হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর আগে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা নড়বড়ে হয়ে যাওয়ার সময় থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চীনের একটি অবস্থান তৈরি হচ্ছিল। বিশেষ করে ২০২৩ সালে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে অপ্রত্যাশিত সমঝোতা স্থাপনে ভূমিকা রেখে আলোচনায় আসে চীন।

পর্ব-১
বিক্ষোভের পরবর্তী সময়ে তাকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর পদের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং তখন বলেছিলেন, “আমরা বালেনকে পাঁচ বছরের জন্য পূর্ণ মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।”

ইরানের কিছু সমুদ্রপথনির্ভর আমদানি আছে। আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে তার গমের পঞ্চমাংশ আসত। ব্রাজিল ও ইউক্রেন থেকে বেশির ভাগ ভুট্টা আসে উপসাগরের বন্দর দিয়ে। কিছু শস্য ক্যাস্পিয়ান বন্দর বা তুরস্ক ও মধ্য এশিয়া হয়ে রাশিয়া ও কাজাখস্তান থেকে আসতে পারে, তবে বেশি খরচে।

মার্কিন ডলারের প্রতি বিশ্বের আস্থা টলমল করছে। আর ঠিক এই মুহূর্তটিকেই চীনের মুদ্রা ইউয়ানের আন্তর্জাতিকীকরণের জন্য সোনালি সুযোগ হিসেবে দেখছেন চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিপলস ব্যাংক অব চায়নার সাবেক গভর্নর ঝোউ শিয়াওচুয়ান। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টে প্রকাশিত শিনয়ি উ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনা থিঙ্কট্যা

কার্নি মনে করেন, একটি দেশের নিরাপত্তা তখনই নিশ্চিত হয়, যখন সে তার নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে এবং অন্য দেশের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল না থাকে।

কলিনসন তার বিশ্লেষণে অবরোধের একাধিক ঝুঁকি চিহ্নিত করেছেন। প্রথমত, ইরান যদি টোল দিতে রাজি হয়–এমন জাহাজ চলাচলে বাধা দিতে মার্কিন বাহিনী সচেষ্ট হয়, তাহলে চীনের মতো বৃহৎ শক্তির সাথে কূটনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হবে। আগামী মাসে ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে শীর্ষ বৈঠক করার কথা। যা ইতিমধ্

নিউইয়র্ক টাইমসের মন্তব্য
হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের দূরদর্শিতার অভাব ভয়াবহ অদক্ষতার প্রমাণ। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি পূর্বের অবস্থা ফেরায়নি। কারণ ইরান এখনও চলাচল সীমিত রেখেছে এবং চূড়ান্ত শান্তিচুক্তির অংশ হিসেবে কর আরোপের হুমকি দিয়েছে। এই যুদ্ধ ইরানের নেতাদের দেখিয়ে দিয়েছে যে, জলপথ নিয়ন্ত্রণ বাস্তবে সম্ভব।

তাহলে এস আলম কি ফিরছে? কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখনো ‘হ্যাঁ’ বলেনি। জোর দিয়ে ‘না’–ও বলতে শোনা গেল না। এদিকে নতুন আইনের ১৮এ ধারা বলছে, ফিরে আসাতে কোন দৃশ্যত কোন বাধা নেই।

তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলের জন্য ইরানের এই পথ বন্ধের সিদ্ধান্তে মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর নির্ভরশীল দেশগুলো মারাত্মক অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে, যার প্রভাব পড়েছে খোদ যুক্তরাষ্ট্রেও। কিন্তু যে পথটি খুলে দিতে বলেছিলেন ট্রাম্প, সেটিই আবার কেন অবরোধ করতে চান?

একদিকে ইসরায়েল গাজায় সামরিক অভিযান চালাচ্ছে, হুতি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলিরা আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছে, হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতৃত্বকে হত্যা করা হচ্ছে– আর অন্যদিকে উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো নিজেদের উন্নয়নযজ্ঞে মত্ত।

বর্তমান সংকট শুধু ইরান বা মধ্যপ্রাচ্যের জন্য নয়, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতির জন্যও একটি বড় পরীক্ষা। ইসলামাবাদ এই পরীক্ষায় কতটা সফল হবে, তা নির্ভর করছে তার কূটনৈতিক দক্ষতা, কৌশলগত দূরদর্শিতা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ– সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতার ওপর।

রয়টার্সের বিশ্লেষণ
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের আঁচ এবার সরাসরি এসে লেগেছে বাংলাদেশের কৃষিখাতে। এই যুদ্ধ এদেশের বোরো মৌসুমে ডেকে এনেছে চরম অনিশ্চয়তা। ডিজেল সংকটে সেচ ব্যাহত হওয়ায় ধান উৎপাদন নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় পড়েছেন দেশের হাজার হাজার কৃষক।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো–তারা কি তাদের সামরিক শক্তিকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখার মতো শিল্পভিত্তি গড়ে তুলতে পারবে, নাকি এই যুদ্ধই তাদের সীমাবদ্ধতার প্রকৃত চিত্র উন্মোচন করে দেবে?

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান সংঘাতের ফলে ইরান আগের চেয়ে আরও সাহসী, উগ্র এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। প্রণালিটি বন্ধ হওয়া বা শর্তসাপেক্ষে খোলার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে তা আমেরিকার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলবে।

হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর আগে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা নড়বড়ে হয়ে যাওয়ার সময় থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চীনের একটি অবস্থান তৈরি হচ্ছিল। বিশেষ করে ২০২৩ সালে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে অপ্রত্যাশিত সমঝোতা স্থাপনে ভূমিকা রেখে আলোচনায় আসে চীন।

হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর আগে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা নড়বড়ে হয়ে যাওয়ার সময় থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চীনের একটি অবস্থান তৈরি হচ্ছিল। বিশেষ করে ২০২৩ সালে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে অপ্রত্যাশিত সমঝোতা স্থাপনে ভূমিকা রেখে আলোচনায় আসে চীন।