
আসামি পক্ষে জামিন শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন। শুনানি শেষে আদালত এনসিপি নেতা তারেক রেজার জামিন মঞ্জুর করেন।

এ ঘটনায় গত বুধবার ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় গত বুধবার গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানান এই ঘাতক।

জুলাই আন্দোলন চলাকালীন বাড্ডা এলাকায় সোহেলী তামান্না হত্যা চেষ্টা মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের মেয়ে খাদিজা ইয়াসমিন বিথিকে ফের (৩৫) গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা এখন মধ্যযুগে নাই। আমরা আধুনিক যুগে, আইন সংস্কারটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। সমাজের চাহিদা অনুসারে সব আইনকে আপটুডেট করতে হয় এবং যুগোপযোগী করতে হয়। সেগুলো চলমান প্রক্রিয়া। সেগুলো তো আছেই। বিভিন্ন আইনে অবশ্যই আমাদের কিছু কিছু সংশোধন আনতে হবে। সেটা আমরা দেখব।”

আদালতে আইনজীবী জানান, নিজেকে শারমিন আক্তার পরিচয় দেওয়া ওই নারী আসলে আসামির বোন।

প্রবাসীর টাকা হাতিয়ে নেওয়ার লোভ এবং পরকীয়ার জেরে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের আইনের আওতায় আনতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

১৬ মে (২০২৬) রাজধানীর ফার্মগেটে দ্য ডেইলি স্টারের তৌফিক আজিজ খান হলে ‘Children’s Lives Matter’ শীর্ষক কর্মসূচির মাধ্যমে হামসহ প্রতিরোধযোগ্য রোগে শিশুমৃত্যু রোধে জবাবদিহি, ন্যায়বিচার ও জরুরি জনস্বাস্থ্য পদক্ষেপের দাবিতে একটি সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এদিকে ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় শনিবার রাতেই মামলা করেন তার মামা শেখ তানভীর আহমেদ। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ তার ভাগনি ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।

গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহর মামা মো. আলমগীর।

মামলায় বলা হয়েছে, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও বাদী রাকিবের বিয়ে হয়। তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। কিন্তু রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলা অবস্থাতেই ২০২০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও ক্রিকেটার নাসির হোসেন বিয়ে করেন।

“আমরা একটি নাজুক পরিস্থিতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। সেটিকে পুনর্গঠন করে শৃঙ্খলায় আনতে সময় লাগবে। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।”

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইন ও নিরাপত্তার বলয়ে থেকেও মানবিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিতেই এই বিশেষ ব্যবস্থা।

ধর্ষণের অভিযোগ এনে সাইফুলের বিরুদ্ধে গত ২৫ জানুয়ারি ভাটারা থানায় মামলা করেন ওই নারী। গত ৩১ মার্চ গুলশানের বারিধারা এলাকা থেকে সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে কারাগারে ছিলেন তিনি।

আইনের সংশোধনীতে স্পষ্ট বলা আছে, যে পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার করবেন, তার পরিষ্কার পরিচয় থাকতে হবে। তার ইউনিফর্মে নেমপ্লেট থাকতে হবে, পরিচয়পত্র থাকতে হবে। যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, তার চাহিদামাত্র পুলিশ কর্মকর্তার আইডি কার্ড দেখাতে হবে। এটা বাধ্যতামূলক।

আইনের সংশোধনীতে স্পষ্ট বলা আছে, যে পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার করবেন, তার পরিষ্কার পরিচয় থাকতে হবে। তার ইউনিফর্মে নেমপ্লেট থাকতে হবে, পরিচয়পত্র থাকতে হবে। যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, তার চাহিদামাত্র পুলিশ কর্মকর্তার আইডি কার্ড দেখাতে হবে। এটা বাধ্যতামূলক।