চরচা ডেস্ক

খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে একই পরিবারের তিন সদস্যের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন—বেবি বেগম (৫৫) এবং তার দুই নাতি মুস্তাকিম (৪) ও শামিম (১৩)।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে জানান, শনিবার সন্ধ্যায় তামিজউদ্দিন রোডের দারুস আমান মহল্লার ওই বাসা থেকে লাশগুলো উদ্ধার করেন।
নিহত দুই শিশুর মা ফাতেমা বেগম মেরি (৩৫) জানান, তার দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল ইসলাম তার আগের সংসারের সন্তানদের ভালো চোখে দেখতেন না। রফিকুল গত শুক্রবার রাতে ওই বাসায় আসেন এবং সেখানে অবস্থান করেন। পরদিন সকালে তিনি বাইরে থেকে ঘরে তালা লাগিয়ে চলে যান বলে অভিযোগ।
ফাতেমা তার মা ও দুই সন্তানকে খুঁজে না পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন। পরে বিকালের দিকে পাশের একটি ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হতে দেখে তিনি স্থানীয়দের বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ লাশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ (ডিবি) এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দুটি দলও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফাতেমা চার বছর আগে তার প্রথম স্বামী মাসুম বেপারীকে তালাক দেন। এর পর থেকে তাদের দুই সন্তান—শামিম ও মুস্তাকিম তাদের মায়ের সাথেই থাকত। ফাতেমা পরে ট্রাকচালক রফিকুলকে বিয়ে করলেও তিনি প্রায়ই তার মা বেবি বেগমের বাসায় থাকতেন।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনার মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, সোনাডাঙ্গা থানার অধীনে দারুল আমান এলাকার ওই ভাড়া বাসা থেকে তিনটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিশুদের মা ফাতেমাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ফাতেমার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সন্দেহ করছে যে, তার দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকতে পারেন।
পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং নগরীর মহেশ্বরপাশা এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে রফিকুলকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।
এদিকে, এই ঘটনার পর আজ রোববার ভোরে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ফাতেমার প্রথম স্বামী মাসুম বেপারী বাদী হয়ে তার দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেন।

খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে একই পরিবারের তিন সদস্যের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন—বেবি বেগম (৫৫) এবং তার দুই নাতি মুস্তাকিম (৪) ও শামিম (১৩)।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে জানান, শনিবার সন্ধ্যায় তামিজউদ্দিন রোডের দারুস আমান মহল্লার ওই বাসা থেকে লাশগুলো উদ্ধার করেন।
নিহত দুই শিশুর মা ফাতেমা বেগম মেরি (৩৫) জানান, তার দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল ইসলাম তার আগের সংসারের সন্তানদের ভালো চোখে দেখতেন না। রফিকুল গত শুক্রবার রাতে ওই বাসায় আসেন এবং সেখানে অবস্থান করেন। পরদিন সকালে তিনি বাইরে থেকে ঘরে তালা লাগিয়ে চলে যান বলে অভিযোগ।
ফাতেমা তার মা ও দুই সন্তানকে খুঁজে না পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন। পরে বিকালের দিকে পাশের একটি ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হতে দেখে তিনি স্থানীয়দের বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ লাশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ (ডিবি) এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দুটি দলও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফাতেমা চার বছর আগে তার প্রথম স্বামী মাসুম বেপারীকে তালাক দেন। এর পর থেকে তাদের দুই সন্তান—শামিম ও মুস্তাকিম তাদের মায়ের সাথেই থাকত। ফাতেমা পরে ট্রাকচালক রফিকুলকে বিয়ে করলেও তিনি প্রায়ই তার মা বেবি বেগমের বাসায় থাকতেন।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনার মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, সোনাডাঙ্গা থানার অধীনে দারুল আমান এলাকার ওই ভাড়া বাসা থেকে তিনটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিশুদের মা ফাতেমাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ফাতেমার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সন্দেহ করছে যে, তার দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকতে পারেন।
পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং নগরীর মহেশ্বরপাশা এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে রফিকুলকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।
এদিকে, এই ঘটনার পর আজ রোববার ভোরে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ফাতেমার প্রথম স্বামী মাসুম বেপারী বাদী হয়ে তার দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেন।