Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

ফেসবুক, টিকটক আপনার মনে যে প্রভাব ফেলে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৫, ১৭: ৩০
ফেসবুক, টিকটক আপনার মনে যে প্রভাব ফেলে

আমাদের অনেকের জন্যই ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, টিকটক বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া দেখা প্রতিদিনের অভ্যাসের অংশ হয়ে গেছে। বন্ধু-বান্ধব বা পরিবারের সদস্যদের খবর রাখা কিংবা পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের সঙ্গে যুক্ত থাকার অনুভূতি পাওয়া- এসব সোশ্যাল মিডিয়ার ইতিবাচক দিক। তবে এর অন্ধকার দিকও আছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বৈশ্বিক জরিপে দেখা গেছে, ২০২৩ সালে সারা বিশ্বে প্রায় ৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন মানুষ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেছে। গড়ে একজন মানুষ প্রতিদিন প্রায় ১৪৫ মিনিট সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটায়। অর্থাৎ, দিনের বেশ বড় একটা সময় মানুষ ফেসবুক, টিকটকে কাটিয়ে দিচ্ছে। আর লম্বা সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটানোর ফলেই লাগছে গণ্ডগোল।  

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম আমাদের মানসিক সুস্থতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এটি উদ্বেগ, বিষণ্নতা, একাকীত্ব এবং ‘ফিয়ার অব মিসিং আউট’ বা FOMO (অন্যদের আনন্দ বা সুযোগ মিস করার ভয়) বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে কিশোর ও তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এ সমস্যা বেশি দেখা যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও বিকশিত ও প্রভাবশালী হবে। কিন্তু যদি দেখেন এতে সময় কাটানোর পর আপনি বিষণ্নতা, হতাশা, ক্ষোভ বা একাকীত্ব অনুভব করছেন, তাহলে আপনার অনলাইন ব্যবহারের ধরন নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। নিজের ও প্রিয়জনদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য তাই বোঝা জরুরি যে, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম কীভাবে আমাদের মানসিক অবস্থাকে প্রভাবিত করে! 

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম শারীরিক সৌন্দর্য নিয়ে ভাবনার ওপর ব্যাপক জোর দেয়। ছবি: ফ্রিপিক
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম শারীরিক সৌন্দর্য নিয়ে ভাবনার ওপর ব্যাপক জোর দেয়। ছবি: ফ্রিপিক

মানসিক স্বাস্থ্যের প্রভাব

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার উদ্বেগ ও বিষণ্নতার অনুভূতি বাড়াতে পারে, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে। এর আসক্তিমূলক প্রকৃতি মস্তিষ্কের ‘রিওয়ার্ড সেন্টার’ সক্রিয় করে ডোপামিন নামক এক ধরনের রাসায়নিক নিঃসরণ ঘটায়, যা আমাদের ভালো লাগার অনুভূতি দেয়। আমরা যখন কিছু পোস্ট করি এবং তা লাইক বা কমেন্ট পায়, তখন ডোপামিনের মাত্রা বাড়ে। কিন্তু যখন প্রত্যাশিত প্রতিক্রিয়া পাই না আমরা, তখন আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাসে প্রভাব পড়ে।

ফিল্টার ব্যবহার

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম শারীরিক সৌন্দর্য নিয়ে ভাবনার ওপর ব্যাপক জোর দেয়। ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট বা টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোতে সহজেই নিজের চেহারা পরিবর্তন বা ত্রুটি ঢেকে ফেলার জন্য নানা ফিল্টার ব্যবহার করা যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদিও এটি অনেক সময় মজার, কিন্তু ক্রমাগত এসব পরিবর্তিত ছবির সংস্পর্শে থাকলে নিজের আসল চেহারা নিয়ে অসন্তুষ্টি ও নিজের বিষয়ে অবমূল্যায়ন তৈরি হতে পারে।

FOMO (Fear of Missing Out) 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আমাদের মনে করায় যে অন্যরা আমাদের চেয়ে বেশি আনন্দে আছে বা ভালো জীবনযাপন করছে। বাস্তবে এগুলো কারও জীবনের ‘হাইলাইট রিল’ অর্থাৎ শুধু সবচেয়ে ভালো অংশ। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই তুলনামূলক মনোভাব আমাদের মধ্যে অখুশি, নিজের ব্যাপারে অসন্তোষ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করে এবং আরও বেশি বেশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে প্ররোচিত করে।

সাইবার বুলিং 

সাইবার বুলিং অর্থ হলো ইন্টারনেট বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বারবার কাউকে বিদ্রূপ, অপমান বা কষ্ট দেওয়া । ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ৪৪% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী জানিয়েছিলেন যে, তারা অনলাইনে হয়রানির শিকার হয়েছেন।

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা অনেক গবেষকও ইদানিং স্ক্রিন টাইম কমিয়ে আনার ওপর জোর দিচ্ছেন বেশি। ছবি: ফ্রিপিক
মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা অনেক গবেষকও ইদানিং স্ক্রিন টাইম কমিয়ে আনার ওপর জোর দিচ্ছেন বেশি। ছবি: ফ্রিপিক

এটি আত্মসম্মান ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। সামাজিক যোগাযোগের প্ল্যাটফর্মগুলো অনেক সময় এমন হয়রানির কেন্দ্র হয়ে ওঠে, যেখানে মিথ্যা তথ্য, গুজব বা অপমানজনক মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে।

বিশেষজ্ঞরা তাই সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার একটি সীমার মধ্যে রাখার পক্ষে। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা অনেক গবেষকও ইদানিং স্ক্রিন টাইম কমিয়ে আনার ওপর জোর দিচ্ছেন বেশি। সুতরাং ফেসবুক, টিকটকে বেশি বেশি সময় কাটালে সাধু সাবধান!

তথ্যসূত্র: ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার ডেভিস হেলথ প্রোগ্রামের ওয়েবসাইট

বিষয়: ইন্টারনেটমানসিক স্বাস্থ্যজীবনধারাস্ন্যাপচ্যাটসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজীবনফেসবুকলাইফস্টাইলটিকটক
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।