চরচা প্রতিবেদক

বাংলাদেশের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক গোলাগুলির ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
তিনি জানান, দুই মাস আগে চট্টগ্রামের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ এক বড় ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করে। বিষয়টি জানার পর পুলিশ ওই ব্যবসায়ীর বাসায় নিরাপত্তা বাড়ায়। পরে একই গ্রুপ পুনরায় চাঁদা না পেয়ে অস্ত্র ব্যবহার করে হামলার চেষ্টা চালায়। এমন গ্রুপগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা সুরক্ষা অধ্যাদেশ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি জুলাই জাতীয় সনদের অঙ্গীকারনামার ভিত্তিতেই করা হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন বা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন তাদের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা দিতে হবে–এ বিষয়ে সব রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে। সনদের সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
সেনাবাহিনী কবে মাঠ থেকে প্রত্যাহার হবে–এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা সাপেক্ষ। সেনাবাহিনী নিজেরাও দীর্ঘদিন মাঠে থাকতে চান না, কারণ এতে তাদের প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল কিনা সেটিও বিবেচনায় রাখতে হবে। তাই এখনই নির্দিষ্ট করে সময় বলা যাচ্ছে না, তবে অবশ্যই সময়মতো সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করা হবে।
র্যাবের নাম, পোশাক বা কাঠামো পরিবর্তন নিয়ে তিনি বলেন, র্যাবের বিষয়ে জনমত রয়েছে এবং জুলাই জাতীয় সনদেও এ নিয়ে সুপারিশ আছে। আমরা বাস্তবতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে এর প্রয়োজন আছে। তবে তাদের জুরিসডিকশন, জবাবদিহি, স্বচ্ছতা–সবকিছু পর্যালোচনা করে সর্বোচ্চ সেবা পাওয়া যায় এমন কাঠামো নিশ্চিত করা হবে।

বাংলাদেশের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক গোলাগুলির ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
তিনি জানান, দুই মাস আগে চট্টগ্রামের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ এক বড় ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করে। বিষয়টি জানার পর পুলিশ ওই ব্যবসায়ীর বাসায় নিরাপত্তা বাড়ায়। পরে একই গ্রুপ পুনরায় চাঁদা না পেয়ে অস্ত্র ব্যবহার করে হামলার চেষ্টা চালায়। এমন গ্রুপগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা সুরক্ষা অধ্যাদেশ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি জুলাই জাতীয় সনদের অঙ্গীকারনামার ভিত্তিতেই করা হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন বা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন তাদের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা দিতে হবে–এ বিষয়ে সব রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে। সনদের সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
সেনাবাহিনী কবে মাঠ থেকে প্রত্যাহার হবে–এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা সাপেক্ষ। সেনাবাহিনী নিজেরাও দীর্ঘদিন মাঠে থাকতে চান না, কারণ এতে তাদের প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল কিনা সেটিও বিবেচনায় রাখতে হবে। তাই এখনই নির্দিষ্ট করে সময় বলা যাচ্ছে না, তবে অবশ্যই সময়মতো সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করা হবে।
র্যাবের নাম, পোশাক বা কাঠামো পরিবর্তন নিয়ে তিনি বলেন, র্যাবের বিষয়ে জনমত রয়েছে এবং জুলাই জাতীয় সনদেও এ নিয়ে সুপারিশ আছে। আমরা বাস্তবতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে এর প্রয়োজন আছে। তবে তাদের জুরিসডিকশন, জবাবদিহি, স্বচ্ছতা–সবকিছু পর্যালোচনা করে সর্বোচ্চ সেবা পাওয়া যায় এমন কাঠামো নিশ্চিত করা হবে।