চরচা প্রতিবেদক

ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় আধিপত্যের বিরোধে কিশোর গ্যাং এলেক্স গ্রুপের প্রধান ইমন ওরফে ‘এলেক্স ইমন’কে কুপিয়ে হত্যা মামলায় ছয়জনের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম রিমান্ডের আদেশ দেন।
আসামিরা হলেন-সাঈদ হোসেন শিমুল ওরফে আইয়ুশ, তুহিন বিশ্বাস, রাব্বি কাজী, সুমন ওরফে পাখির পোলা সুমন, রানা এবং রাসেল ওরফে পিচ্চি রাসেল।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান রিমান্ডের তথ্য জানিয়েছেন।
গত রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোহাম্মদপুরের বুদ্ধিজীবী রোডের বেড়িবাঁধের ঢালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের কয়েকজন মিলে ইমনকে এলোপাতারি কুপিয়ে আহত করে। রক্তক্ষরণে জ্ঞান হারায় ইমন। এরপর স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরদিন সোমবার ইমনের মা ফেরদৌসী মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা পর ছয়জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঙ্গলবার তাদের আদালতে হাজির করে সাত দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই সাধন কুমার মন্ডল। ওইদিন আসামিদের কারাগারে পাঠিয়ে বৃহস্পতিবার রিমান্ড শুনানির দিন রাখেন। এদিন শুনানিকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। আসামিদের পক্ষে শফিকুল ইসলামসহ কয়েকজন রিমান্ড বাতিল করে জামিন আবেদন করেন। তাদের জামিন আবেদন বাতিল করা হয়।

ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় আধিপত্যের বিরোধে কিশোর গ্যাং এলেক্স গ্রুপের প্রধান ইমন ওরফে ‘এলেক্স ইমন’কে কুপিয়ে হত্যা মামলায় ছয়জনের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম রিমান্ডের আদেশ দেন।
আসামিরা হলেন-সাঈদ হোসেন শিমুল ওরফে আইয়ুশ, তুহিন বিশ্বাস, রাব্বি কাজী, সুমন ওরফে পাখির পোলা সুমন, রানা এবং রাসেল ওরফে পিচ্চি রাসেল।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান রিমান্ডের তথ্য জানিয়েছেন।
গত রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোহাম্মদপুরের বুদ্ধিজীবী রোডের বেড়িবাঁধের ঢালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের কয়েকজন মিলে ইমনকে এলোপাতারি কুপিয়ে আহত করে। রক্তক্ষরণে জ্ঞান হারায় ইমন। এরপর স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরদিন সোমবার ইমনের মা ফেরদৌসী মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা পর ছয়জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঙ্গলবার তাদের আদালতে হাজির করে সাত দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই সাধন কুমার মন্ডল। ওইদিন আসামিদের কারাগারে পাঠিয়ে বৃহস্পতিবার রিমান্ড শুনানির দিন রাখেন। এদিন শুনানিকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। আসামিদের পক্ষে শফিকুল ইসলামসহ কয়েকজন রিমান্ড বাতিল করে জামিন আবেদন করেন। তাদের জামিন আবেদন বাতিল করা হয়।