
সমাজ আমাদের শিখিয়েছে একা থাকা খারাপ। আসলেই কী তাই? কিছুক্ষেত্রে একা থাকা খারাপ। মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তবে যারা স্বেচ্ছায় একা তাদের জন্য একাকীত্ব সুপারপাওয়ার হতে পারে। কিন্তু কিভাবে?

লুডুর ছক্কা না পড়ে যখন বারবার ‘এক’ আসে, ঠিক তখনই বোঝা যায়-হার কতটা কষ্টের। কিন্তু যদি এই পরাজয়ই হয়ে যায় আপনার সবচেয়ে বড় কামব্যাকের শুরু? এই ভিডিওতে জানুন কীভাবে ভাঙা মন, আত্ম-সন্দেহ আর ব্যর্থতাকে শক্তিতে বদলে আবার রাজার মতো ফিরে আসবেন।

মানসিক ট্রমা থেকে নিজেকে সারিয়ে তুলতে ব্যায়াম করার পরামর্শ দিয়েছেন মনোবিদরা। কীভাবে ব্যায়াম মানসিক স্বাস্থ্যের উপকার করে সেই বিষয়টি মনের গলির এবারের পর্বে।

মন ভালো রাখা শুধু মনের ব্যাপার নয়—খাবারেও তার বড় ভূমিকা আছে। চিনি-চর্বিযুক্ত খাবার সাময়িক আনন্দ দিলেও দীর্ঘমেয়াদে মন ও শরীরের ক্ষতি করে। তবে কিছু পুষ্টিকর খাবার শরীরে বাড়াতে পারে ‘হ্যাপি হরমোন’।

অনেকেই আলো নিভতেই মুহূর্তের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েন। আবার কেউ দীর্ঘ সময় ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে কোনো এক অজানা চিন্তায় ডুব দেন, তারপর ঘুম আসে। দুই অবস্থাই আপনার ঘুমের মান নিয়ে ইঙ্গিত দিতে পারে। বিষয়টি আসলে ‘স্লিপ ল্যাটেন্সি’ বা ঘুম আসতে যে সময় লাগে, তার সঙ্গে সম্পর্কিত।

গান কী শুধু বিনোদনের মাধ্যম? বিজ্ঞান বলছে গান কেবল বিনোদন নয়, মানসিক থেরাপিরও কাজ করে। কিন্তু কিভাবে?

যারা আলো জ্বালিয়ে ঘুমিয়েছিলেন, তাদের শরীরে এই ভারসাম্যটি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তাদের স্ট্রেস রেসপন্স সক্রিয় অবস্থায় ছিল, যা হৃদস্পন্দনের হার বাড়িয়ে দিয়েছিল এবং ইনসুলিনের প্রতি পেশির স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছিল।

ভারতের পুনের জুপিটার হাসপাতালের মনোবিজ্ঞানী ডা. দীপ্তি কানাডে মোদক আরও বলেন, “একজন নার্সিসিস্ট কথা বলার সময় আধিপত্য বিস্তার করার চেষ্টা করেন, সঙ্গীর অনুভূতিকে খাটো করে দেখান কিংবা প্রতিটি দ্বন্দ্বে নিজেকে আবিষ্কার করে গল্প তৈরি করেন।

ক্লান্তিবোধ বা নিজের জন্য সময় চাওয়া বা কারো ক্ষতি না করে নিজের নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করা কোনো অপরাধ নয় যে, তার জন্য আদালতে দাঁড়িয়ে প্রমাণ পেশ করতে হবে।

শীতকাল এলেই মনটা কেমন জানি করে, কারণ ছাড়াই মন খারাপ লাগে, আলসেমি লাগে, কিচ্ছু করতে ইচ্ছে করে না। মনে হয় সবকিছু কেমন যেন ধূসর লাগছে-তাই না? এরকম যদি হয়, তাহলে মনে রাখবেন আপনি একা নন! প্রায় সবারই শীতকালে কোন না কোন একসময় এই অভিজ্ঞতাটি হয়েছে। এই মন খারাপের অনুভূতির কিন্তু একটা নাম আছে। 'উইন্টার ব্লুজ'

ঘুমের আগে মাত্র পাঁচ মিনিট ধ্যান করলেও তা বিস্ময়করভাবে কার্যকর হতে পারে। এটি মস্তিষ্ককে সক্রিয় ও সতর্ক অবস্থা থেকে শান্ত ‘প্যারাসিমপ্যাথেটিক’ অবস্থায় নিয়ে আসে।

সাধারণত শোবার ১০ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়াকে স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়। তবে বালিশে মাথা দেওয়া মাত্র ঘুমিয়ে পড়া মূলত ঘুমের ঘাটতিকে ইঙ্গিত করে।

উনবিংশ শতাব্দীর আগে নস্টালজিয়াকে ইতিবাচক কোনো অনুভূতি হিসেবে দেখা হতো না বরং একে একটি মানসিক রোগ হিসেবে বিবেচনা করা হতো।

অনেকেই রক্ত দেখলে সহ্য করতে পারেন না, অজ্ঞানও হয়ে যান। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ভ্যাসোভ্যাগাল সিনকোপ। এটি একটি পরিচিত শারীরিক প্রতিক্রিয়া, যার পেছনে কাজ করে স্ট্রেসের প্রতি শরীরের স্বাভাবিক সাড়া।

অনেকেই রক্ত দেখলে সহ্য করতে পারেন না, অজ্ঞানও হয়ে যান। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ভ্যাসোভ্যাগাল সিনকোপ। এটি একটি পরিচিত শারীরিক প্রতিক্রিয়া, যার পেছনে কাজ করে স্ট্রেসের প্রতি শরীরের স্বাভাবিক সাড়া।