
রাশিয়ার কারাগারে প্রায় এক দশক বন্দি থাকার পর, গত বছর বন্দি বিনিময়ের মাধ্যমে মুক্তি পান ৩১ বছর বয়সী ইউক্রেনীয় যুবক অ্যালেক্স। বন্দিশালার সেই ভয়াবহ মানসিক ট্রমা ও নেতিবাচক আবেগ থেকে মুক্তি পেতে তিনি এখন কিয়েভের অন্ধকার পার্কিং লটগুলোতে গভীর রাতে গাড়ি নিয়ে ড্রিফটিং বা রেসিং করেন।

ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উন্নত দেশগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ মা বুকের দুধ খাওয়ানো শুরু করলেও, তাদের এক-চতুর্থাংশ মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন। এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ, পর্যাপ্ত দুধ না হওয়ার ভয় এবং তীব্র শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি।

গাজীপুরের ভোগড়া এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় হঠাৎ করে অন্তত ৫০ জন শ্রমিক গণ-হিস্টিরিয়ায় (মনস্তাত্ত্বিক রোগ) আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে ১৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর কারখানাটিতে ছুটি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তা সত্ত্বেও, বেশিরভাগ গবেষক আত্মবিশ্বাসী যে, ব্যায়াম মেজাজ ভালো করতে সাহায্য করে। দৌঁড়ানো, হাঁটা বা সাইকেল চালানোর মতো অ্যারোবিক ওয়ার্কআউটগুলো সবক্ষেত্রেই বিশেষভাবে উপকারী বলে মনে হয়।

সাইকো থেরাপিস্টদের মতে, অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার মস্তিষ্ক ও শরীরে বাস্তব ও পরিমাপযোগ্য ক্ষতি করে।

কর্মশালাটিতে এনসিসি ব্যাংকের মোট ১৪২ জন নারী কর্মকর্তা সরাসরি অংশগ্রহণ করেন এবং সারা দেশের বিভিন্ন শাখা থেকে নারী কর্মীরা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি এতে যুক্ত হন।

বিশ্বজুড়ে মানসিক স্বাস্থ্য সংকট ক্রমেই গভীর হচ্ছে। আর তার মধ্যে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো চিকিৎসা-প্রতিরোধী বিষণ্নতা বা ট্রিটমেন্ট-রেজিস্ট্যান্ট ডিপ্রেশন (টিআরডি)। প্রচলিত অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ও থেরাপি যেখানে কাজ করে না, সেখানে নতুন ধরনের চিকিৎসার খোঁজ বহুদিনের।

সারাদিনের কাজ শেষে রাতে বিছানায় শুয়ে গল্প করতে করতে ঘুরে দেখলেন, আপনার স্বামী নাক ডেকে ঘুমাচ্ছেন। বেশিরভাগ নারীরই এমন অভিজ্ঞতা রয়েছে। এর মানে এই নয় যে সে তার স্ত্রীর কথা শুনতে আগ্রহী নন।

এই নতুন গবেষণা দেখাচ্ছে যে, জন্মক্রমের প্রভাব কেবল মানসিক বা সামাজিক নয়, বরং জৈবিক ও পরিবেশগত কারণের সমন্বয়ে গঠিত। অসুস্থতার ঝুঁকি, শৈশবের স্বাস্থ্য এবং বাবা-মায়ের সময়– সবকিছু মিলেই বড় ও ছোট সন্তানের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে।

অনেকেরই মাঝরাতে হুট করে ঘুম ভেঙে যায়। রাত ৩টার দিকে ঘুম ভেঙে গেলে অনেকেই এর সঙ্গে অতিপ্রাকৃত কিছুর সংযোগ আছে বলে মনে করেন। কিন্তু আসলে এতে কোনো অস্বাভাবিকতা নেই। এর পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ।

একুশ শতকের প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমরা সবাই এক অন্তহীন দৌড়ে শামিল। ক্যারিয়ারের সাফল্য, সামাজিক প্রত্যাশা এবং প্রযুক্তির অবিরাম চাপের ভিড়ে আমরা প্রায়ই ভুলে যাই আমাদের শরীরেরও একটি সহনক্ষমতা আছে। এই সহ্যসীমা অতিক্রম করলেই দেখা দেয় এক অস্বস্তিকর মানসিক সংকট

প্রচলিত সামাজিক ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে আধুনিক বিজ্ঞান দিচ্ছে এক চমকপ্রদ এবং ভিন্নধর্মী বার্তা। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, এই অদ্ভুত অভ্যাসগুলো আসলে আপনার মস্তিষ্কের প্রখরতা এবং ভাষাগত দক্ষতারই এক গোপন বহিঃপ্রকাশ। আপনার অবহেলিত এই বৈশিষ্ট্যগুলোই আপনাকে ভিড়ের মাঝে অনন্য এবং উচ্চ বুদ্ধিমত্তার অধিকারী করে তুলেছ

দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে বিশ্ব। আর এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে এক ধরনের অদৃশ্য কিন্তু বিপুল চাপের সঙ্গে লড়াই করছেন নারীরা। যাকে বলা হচ্ছে ‘মেন্টাল লোড’। এটি হলো সেই অদৃশ্য মানসিক শ্রম, যা একটি পরিবার ও গৃহস্থালি সচল রাখতে প্রয়োজন।

যারা নিজের সাথে কথা বলেন, তারা মূলত নিজেদের চিন্তাগুলোকে ভাষার মাধ্যমে একটি কাঠামো দান করেন, যা তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতাকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখে।

যারা নিজের সাথে কথা বলেন, তারা মূলত নিজেদের চিন্তাগুলোকে ভাষার মাধ্যমে একটি কাঠামো দান করেন, যা তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতাকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখে।