Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

রক্ত দেখলে কেন অনেকে অজ্ঞান হয়ে যান

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৭: ৪৫
রক্ত দেখলে কেন অনেকে অজ্ঞান হয়ে যান

অনেকেই রক্ত দেখলে সহ্য করতে পারেন না, অজ্ঞানও হয়ে যান। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘ভ্যাসোভ্যাগাল সিনকোপ’। এটি একটি পরিচিত শারীরিক প্রতিক্রিয়া, যার পেছনে কাজ করে স্ট্রেসের প্রতি শরীরের স্বাভাবিক সাড়া।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আমেরিকার নর্থওয়েস্টার্ন মেডিসিনের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. অখিল নারাং বলেন, “সাময়িকভাবে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ কমে গেলে অজ্ঞান হওয়া বা সিনকোপ হওয়ার ঘটনা ঘটে। হঠাৎ হৃদস্পন্দন বা রক্তচাপ কমে গেলে এমনটি হতে পারে, যার ফলে স্বল্প সময়ের জন্য জ্ঞান হারিয়ে যায়।”

ভ্যাসোভ্যাগাল সিনকোপ কী?

ভ্যাসোভ্যাগাল সিনকোপ হলো রিফ্লেক্স সিনকোপের একটি ধরন-অর্থাৎ, এটি স্নায়ুতন্ত্রের হঠাৎ প্রতিক্রিয়ার কারণে ঘটে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ডা. অখিল বলেন, “রক্ত দেখা বা তীব্র মানসিক চাপের সময় শরীর অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। তখন ভেগাস নার্ভ সক্রিয় হয়, যা হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ ও হজম প্রক্রিয়ার মতো অচেতন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।”

এই অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার ফলে হঠাৎ রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন কমে যায়, রক্তনালিগুলো প্রশস্ত হয় এবং মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ হ্রাস পায়। ফলে মাথা ঘোরা, দুর্বল লাগা বা সাময়িকভাবে অজ্ঞান হয়ে পড়া ঘটতে পারে।

ডা. অখিল নারাংয়ের ভাষ্য, “প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ জীবনে অন্তত একবার সিনকোপের অভিজ্ঞতা পান।”

কারা বেশি অজ্ঞান হন?

ডা. অখিল জানান, “যেকোনো বয়সেই অজ্ঞান হওয়া ঘটতে পারে। তবে ভ্যাসোভ্যাগাল সিনকোপ সাধারণত তরুণ ও শারীরিকভাবে সুস্থ মানুষের মধ্যেই বেশি দেখা যায়। পানিশূন্যতা, দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা বা মানসিক চাপ এ ঝুঁকি বাড়ায়।”

অনেকে মনে করেন, অজ্ঞান হওয়া মানেই মৃগী বা হৃদরোগ। তবে এ ধারণা সঠিক নয় বলে মত দেন এই চিকিৎসক।

ডা. অখিলের মতে, কিছু ক্ষেত্রে এটি হৃদরোগের লক্ষণ হতে পারে, কিন্তু ভ্যাসোভ্যাগাল সিনকোপের বেশিরভাগ ঘটনাই হৃদযন্ত্রের সমস্যার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।

ভেগাস নার্ভ মানসিক ও শারীরিক চাপের প্রতি সংবেদনশীল। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে রক্ত দেখাই এই নার্ভকে সক্রিয় করার জন্য যথেষ্ট।

প্রতীকী ছবি/ফ্রিপিক
প্রতীকী ছবি/ফ্রিপিক

অজ্ঞান হওয়ার আগে শরীর সাধারণত কিছু সতর্ক সংকেত দেয়। যেমন- মাথা হালকা লাগা, মাথা ঘোরা, ঘাম হওয়া বা হাত ভিজে যাওয়া, চোখে ঝাপসা বা টানেল ভিশন, কানে শব্দ শোনা, বমিভাব বা দুর্বলতা, ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া।

মার্কিন চিকিৎসক ডা. অখিল নারাং বলেন, “এই উপসর্গগুলো কয়েক সেকেন্ড থেকে এক মিনিটের মধ্যে দেখা দেয়। এগুলো আসলে শরীরের সতর্কবার্তা যে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ কমছে।”

সতর্ক সংকেত পেলে কী করবেন?

অজ্ঞান হওয়ার আশঙ্কা বুঝতে পারলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ডা. অখিল। তার পরামর্শ,

  • সম্ভব হলে শুয়ে পড়ুন এবং পা উঁচু করুন
  • অথবা বসে মাথা হাঁটুর মধ্যে রাখুন
  • আঁটসাঁট পোশাক ঢিলা করুন
  • ধীরে, গভীরভাবে শ্বাস নিন

এ ছাড়া পা ক্রস করে চেপে ধরা, হাত শক্ত করে ধরা বা স্ট্রেস বল চেপে ধরার মতো কাউন্টার-প্রেশার কৌশল রক্তচাপ বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

অজ্ঞান হয়ে গেলে কী করবেন?

আমেরিকার নর্থওয়েস্টার্ন মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ ডা. অখিলের পরামর্শ, জ্ঞান ফিরলে অন্তত ১০-১৫ মিনিট শুয়ে থাকতে হবে। মাথা বা শরীরে গুরুতর আঘাত লেগেছে কি না, পরীক্ষা করতে হবে। ধীরে ধীরে উঠে পানি পান করতে হবে।

ডা. অখিল বলেন, “বেশির ভাগ মানুষ দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন, তবে তাড়াতাড়ি দাঁড়ালে আবার অজ্ঞান হতে পারে।” তাছাড়া ডাক্তারের পরামর্শ না পাওয়া পর্যন্ত গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকতেও বলেছেন তিনি।

ডা. অখিল জানান, ভ্যাসোভ্যাগাল সিনকোপ সাধারণত ক্ষতিকর নয়। তবে বারবার বা হঠাৎ অজ্ঞান হলে কারণ খুঁজে দেখা জরুরি। তা ছাড়া এটি প্রতিরোধের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই। কিন্তু জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন কার্যকর হতে পারে। যেমন- নিয়মিত খাবার ও পানি পান, চিকিৎসকের পরামর্শে লবণ গ্রহণ, কমপ্রেশন স্টকিং ব্যবহার (কম্প্রেশন স্টকিংস হল বিশেষ ইলাস্টিক পোশাক যা সঞ্চালন উন্নত করতে এবং পা ফোলা কমাতে মৃদু চাপ প্রয়োগ করে), রক্ত বা চিকিৎসা পদ্ধতির ভয় থাকলে এক্সপোজার থেরাপি অনুশীলন করা যায়।

এক্সপোজার থেরাপি হলো কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপির একটি অংশ, যেখানে ধীরে ধীরে ভয়ের মুখোমুখি হওয়া শেখানো হয়।

কখন চিকিৎসা জরুরি?

অজ্ঞান হওয়া এক মিনিটের বেশি স্থায়ী হলে বা পড়ে গিয়ে গুরুতর আঘাত পেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

আমেরিকার নর্থওয়েস্টার্ন মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. অখিল নারাং বলেন, “বারবার অজ্ঞান হলে বা কোনো সতর্কতা ছাড়াই হলে অবশ্যই পরীক্ষা করা দরকার। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সচেতনতা, শিক্ষা ও যেসব ঘটনায় এমন প্রতিক্রিয়া হয় সেগুলো এড়ানোই সমস্যা কমাতে যথেষ্ট।”

বিষয়: ডাক্তারের পরামর্শমানসিক স্বাস্থ্যউচ্চরক্তচাপচিকিৎসাচিকিৎসকস্বাস্থ্যপরামর্শ
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।