Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

ইরানকে কেন ভয় পায় ইসরায়েল?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১: ৩৭
ইরানকে কেন ভয় পায় ইসরায়েল?

ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে ইরান। এটিই এখন বিশ্ব রাজনীতির প্রধান খবর। ইসরায়েলের পেছনে স্পষ্টভাবেই দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে সামরিক ক্ষমতার হিসাব কষলে ইরান দাঁড়িপাল্লায় কিছুটা কম ওজনই পাবে। তারপরও ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা করেছে তেহরান।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ইরান তবে কীসের জোরে এভাবে পাল্টা হামলা চালানোর পথে এল? আসুন, জেনে নেওয়া যাক, সামরিক শক্তির দিক থেকে কেন মধ্যপ্রাচ্যে ইরান অন্যতম শক্তিশালী রাষ্ট্র, সেই বিষয়টির আদ্যোপান্ত।

পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে সমীহ করা হয় মূলত একটি অস্ত্রের কারণে, ক্ষেপণাস্ত্র। নিজেদের সামর্থ্যেই এমন সব ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করে ফেলেছে ইরান, যেগুলোর কারণে ইসরায়েলসহ অন্যান্য বিরোধী রাষ্ট্রের ইরানকে ভয় না পাওয়ার কোনো কারণ নেই। যুদ্ধবিমানের সংখ্যা কম থাকায় আকাশপথে শত্রুকে লন্ডভন্ড করা ইরানের পক্ষে কঠিন। ওপরে ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধবিমানের সংখ্যা দেখলেও সেটা বোঝা সহজ। তাই পরিকল্পিতভাবেই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা শক্তিশালী করায় মনোযোগ দেয় ইরান।

দেশটির অন্যতম বিরোধী শক্তি হলো যুক্তরাষ্ট্র। সেই মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের দেওয়া তথ্যই বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষেপণাস্ত্রের সবচেয়ে বড় মজুত আছে ইরানের। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালকের অফিস বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যালিস্টিক মিসাইল আছে কেবল ইরানেরই।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
ইরানের পতাকা। ছবি: রয়টার্স
ইরানের পতাকা। ছবি: রয়টার্স

ইরান-ইসরায়েল-আমেরিকা: সামরিক শক্তি কার কেমনUSA-DEFENSE-CARRIER

খুব নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে না পারলেও এসব মিসাইল বিক্ষিপ্তভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সক্ষম। এটা অনেকটা আমেরিকান স্টাইলে ব্রাশফায়ার করার মতো বিষয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইসরায়েল, সৌদি আরবসহ পারস্য অঞ্চলের বেশির ভাগ দেশ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় আছে। ফলে শত্রুপক্ষের ক্ষয়ক্ষতি সাধনের ক্ষমতা ইরানের ভালোই আছে। আর এটাই বিরোধীপক্ষের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ ফেলতে যথেষ্ট।

ইসরায়েলে পৌঁছে আঘাত করার মতো ৯ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র আছে ইরানের। এগুলোর মধ্যে আছে ‘সেজিল’, ‘খেইবার’ ও ‘হাজ কাসেম’। হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন। মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত কমান্ডার কাসেম সোলাইমানির নামেই শেষ মিসাইলটির নামকরণ করা হয়েছে। এটির সীমা প্রায় ১৪০০ কিলোমিটার। সেজিলের সীমা সবচেয়ে বেশি, আড়াই হাজার কিলোমিটার। খেইবারের সীমা প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার।

মার্কিন গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইরানের অস্ত্রভান্ডারে স্বল্প ও মধ্যমপাল্লার নানা ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এক ডজনের বেশি ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র আছে ইরানের। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (আইআইএসএস) বলছে, ইরানের ৫০টির বেশি মধ্যমপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল লঞ্চার ও ১০০টির বেশি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল লঞ্চার রয়েছে।

ক্ষেপণাস্ত্র। ছবি: রয়টার্স
ক্ষেপণাস্ত্র। ছবি: রয়টার্স

ইরানে হামলা শুরু করেছে আমেরিকা-ইসরায়েলiran smoke

ওয়াশিংটনভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা দ্য আর্মস কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশন বলছে, ইরানের ক্ষুদ্র ও মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের বহরে আছে ‘শাহাব–১’, ‘জোলফাঘার’, ‘শাহাব–৩’, ‘ইমাদ–১’ প্রভৃতি। এর মধ্যে শাহাব–১–এর সীমা ৩০০ কিলোমিটার, জোলফাঘারের সীমা ৭০০ কিলোমিটার, শাহাব–৩–এর সীমা ৮০০ থেকে ১০০০ কিলোমিটার। ইমাদ–১ এখনো তৈরির পর্যায়ে আছে, এর সীমা ২০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এ ছাড়া ‘কিয়াম-১’ নামের ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা ৭০০ কিলোমিটারের বেশি। ৭৫০ কেজি ওজনের বিস্ফোরক বহন করতে পারে এটি।

ইরানের কাছে ক্রুজ মিসাইলও আছে। এর মধ্যে অন্যতম ভয়ানক হলো ‘কেএইচ–৫৫’। এটি আকাশ থেকে নিক্ষেপ করা যায় এবং এটি পরমাণু অস্ত্রও বহন করতে সক্ষম। এর সীমা প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার। এ ছাড়া জাহাজবিধ্বংসী উন্নত মিসাইল হিসেবে আছে ‘খালিদ ফারয’। ৩০০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র ১ হাজার কেজির ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মূলত উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার নকশায় তৈরি। দেশটির পুরো ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচীতেই চীনের সহায়তা দৃশ্যমান।

ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে ইরানtehran_under attack

একই সঙ্গে প্রতিরক্ষামূলক মিসাইল কর্মসূচীও চালাচ্ছে ইরান। যদিও যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপীয় বিভিন্ন রাষ্ট্র এই কর্মসূচীর চরম বিরোধিতা করে আসছে। তবে সেসবে কান দেয়নি ইরান। বরং তাতে অবিচল থাকাতেই মধ্যপ্রাচ্যের ‘মিসাইল–স্টেট’–এ পরিণত হয়েছে দেশটি।

এবার বুঝুন, এত ক্ষেপণাস্ত্র থাকা ইরানকে ভয় না পাওয়ার কি কারণ আছে?

ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোনেও ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে ইরান। এবং সেটি বেশ দ্রুত গতিতে। আজ শনিবারও তারা ড্রোন দিয়ে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে।

ধ্বংসাবশেষ। ছবি: রয়টার্স
ধ্বংসাবশেষ। ছবি: রয়টার্স

প্রায় ১০ বছর ধরে যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন ব্যবহার করছে ইরান। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি মনুষ্যবিহীন এসব ড্রোন। নিজেরা ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে আঞ্চলিক মিত্রদের কাছেও এই প্রযুক্তি সরবরাহ করছে ইরান।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো অতি উন্নত মানের নয় ইরানের ড্রোন। এক্ষেত্রে নিজেদের সীমাবদ্ধতা বুঝতে পরে বিকল্প হিসেবে ‘সুইসাইড ড্রোন’ তৈরির দিকেও নজর দিয়েছে ইরান। ‘রাদ ৮৫’ নামের এসব ড্রোনে বিস্ফোরক যুক্ত করে সেগুলো দিয়ে চালানো যায় আত্মঘাতী হামলা।

ক্ষেপণাস্ত্রের বিশাল বহর আছে ইরানের। এমনকি পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র থাকার খবরও দেশটি দিয়েছে। যদিও এখনো পর্যন্ত ইরানের কাছে পরমাণু অস্ত্র থাকার কোনো প্রমাণ মেলেনি। দেশটি নিজেও এ–সংক্রান্ত দাবি কখনো করেনি।

ইরান ইস্যুতে মুখোমুখি আমেরিকা-রাশিয়াiran issue

তবে তাই বলে ইরান যে পরমাণু অস্ত্র তৈরির পথে একেবারেই নবিশ, সেটি মনে করার কারণ নেই। পশ্চিমা দেশগুলো প্রতিনিয়তই ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টার অভিযোগ করে আসছে। ধারণা করা হয়, ইরানের কাছে পরমাণু অস্ত্র তৈরির গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ ও এ–সংক্রান্ত প্রযুক্তিজ্ঞান রয়েছে।

২০১৫ সালে ইরানের পরমাণু চুক্তি করেছিল যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশ। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলের অন্যতম সফল কর্মকাণ্ড হিসেবে ওই চুক্তি আলোচিত ছিল। পরে ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে নেন।

মনে রাখতে হবে, পরমাণু শক্তিধর অন্তত তিনটি দেশের সঙ্গে ইরানের ভালো সম্পর্ক আছে। সেদিক থেকে ইরান যদি পরমাণু অস্ত্র তৈরির দিকে জোরেশোরে এগোনোর চেষ্টা করে, তবে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কারণ, বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে বেশ চাপের মুখে আছে ইরান। ইসরায়েলে হামলা চালানোয় সেই চাপ আরও বাড়বে বৈ কমবে না।

ইরান-আমেরিকা: ৭৩ বছর ধরে চলছে সংঘাতiran america

এক কথায়, ইরানকে ভয় পাওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে ইসরায়েলের। ইরানের বদলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশ হলে ত্বরিত গতিতে পাল্টা পদক্ষেপ নিত ইসরায়েল। তবে এখন কিছুটা ধীরে চলো নীতিতেই আছে দেশটি। এর মূল কারণ হলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র–ভান্ডার ও হালের ড্রোন হামলার সামর্থ্য। আপনি যখন বুঝবেন যে, শত্রুপক্ষের বন্দুকের নল আপনার দিকেই ঘোরানো এবং চাইলে ওই পক্ষ গুলি ছুড়ে আপনাকে জখমও করতে পারে, তখন স্বাভাবিকভাবেই হঠকারিতা ও দ্রুত পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেওয়া আপনার প্রধান কাজ হবে না। তবে এবার ইসরায়েল ও আমেরিকা হামলার পর হামলা করেই যাচ্ছে। এই সংঘাত কোনদিকে যাবে, সেটা সময়ই বলে দেবে।

বিষয়: হামলাভূরাজনীতিমিসাইলইরান-ইসরায়েল সংঘাতড্রোনমধ্যপ্রাচ্যক্ষেপণাস্ত্রমার্কিনযুক্তরাষ্ট্রপ্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।