
যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হামলা না করতে ইরানকে সতর্ক করেছেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ষষ্ঠ ধাপে পাল্টা-হামলা শুরুর ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। খবর আল জাজিরার।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মেয়ে, জামাই ও নাতিও মারা গেছেন।

দেশটির অন্যতম বিরোধী শক্তি হলো যুক্তরাষ্ট্র। সেই মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের দেওয়া তথ্যই বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষেপণাস্ত্রের সবচেয়ে বড় মজুত আছে ইরানের। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালকের অফিস বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যালিস্টিক মিসাইল আছে কেবল ইরানেরই।

ইরানে হামলার সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখলেও অনেক কিছুই ভাবাচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। ইরান আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুত। ফলে সবকিছু ভেনেজুয়েলার মতো হবে, এটা মানা কঠিন হয়ে পড়েছে মার্কিন কর্মকর্তাদের। চরচার সঙ্গে আলোচনা করেছেন অধ্যাপক বদরুল আলম খান।

মুশফিক তার পোস্টে লিখেছেন, “দুর্ভাগ্যবশত যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সব ফ্লাইট জেদ্দায় ফিরে এসেছে এবং এখন আমি জেদ্দা বিমানবন্দরে হাজার হাজার যাত্রীর সাথে অবস্থান করছি।”

এদিকে ইসরায়েলি হামলায় দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের একটি স্কুলে পাঁচ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।

একইভাবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সও ঢাকা থেকে ফ্লাইট বন্ধ রেখেছে।

বিবৃতিতে জাতিসংঘের প্রতি অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়।

ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যা করেছে স্কুল শিক্ষার্থী, ১৯০ জন। কলেজ পর্যায়ে ৯২ জন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৭ জন এবং মাদ্রাসায় ৪৪ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ‘ইরানের সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠীর তৈরি করা হুমকি দূর করতে’ একটি অভিযান শুরু করেছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আপাতদৃষ্টিতে জনসনের ‘দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ সফল বলেই মনে হতে পারে। কিন্তু গবেষণাপত্রটির দ্বিতীয় অংশ এই সিদ্ধান্তকে বড়সড় একটি প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। প্রশ্নটি হলো-এই কল্যাণমূলক রাষ্ট্রকাঠামো কি সত্যিই অপরিহার্য ছিল, নাকি দারিদ্র্য এমনিতেই কমে আসত?

ফ্যাক্ট-চেকিংকে অনেকেই সত্য উদঘাটনের নির্ভরযোগ্য উপায় মনে করলেও বাস্তবে তা সবসময় নিরপেক্ষ থাকে না। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ- বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক স্বার্থে ফ্যাক্ট-চেকিং ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও হিলারি ক্লিনটন-এর সময় থেকেই এই বিতর্ক তীব্র হয়।

সমস্যায় ভারাক্রান্ত অর্থনৈতিক বাস্তবতায় দায়িত্ব নিয়েছে নবনির্বাচিত সরকার। তবে সামগ্রিক অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচিত ব্যাংকিং খাত এখন তিনটি গভীর সংকটে আবদ্ধ—বিপুল খেলাপি ঋণ, অর্থপাচার এবং কাঙ্ক্ষিত সুশাসনের অভাব।

সমস্যায় ভারাক্রান্ত অর্থনৈতিক বাস্তবতায় দায়িত্ব নিয়েছে নবনির্বাচিত সরকার। তবে সামগ্রিক অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচিত ব্যাংকিং খাত এখন তিনটি গভীর সংকটে আবদ্ধ—বিপুল খেলাপি ঋণ, অর্থপাচার এবং কাঙ্ক্ষিত সুশাসনের অভাব।