সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ

ক’দিন আগে একটি বাংলা দৈনিকে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দ্য সিলভার একটি বক্তব্য ছাপানো হয়। এটি দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকা থেকে ভাষান্তরিত করে বাংলায় প্রকাশ করা হয়েছে। পশ্চিম গোলার্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দ্য সিলভার অভিমত অতিশয় গুরত্বের দাবি রাখে। তিনি বলেছেন, নিরাপত্তা পরিষদের একচ্ছত্র ক্ষমতা বর্তমান অশান্তির মূল কারণ। নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য ১৫ জন। এর ভেতর পাঁচজন স্থায়ী, যথা- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। এদের ভেটো পাওয়ার রয়েছে। অর্থাৎ এদের একজন কোনো প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিলে সেটি অকার্যকর হয়ে যায়।
মি. লুলার ভাষায় ভেটোকে ঢাল ও অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে স্থায়ী সদস্যরা প্রায়ই লাখ লাখ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলে। যেকোনো প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা যদি আলোচ্য সমস্যার যথাযথ বিচার বিবেক, বুদ্ধি দিয়ে বিশ্লেষণ না করে সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে সেখানে ন্যায্য বিচার পাওয়ার সুযোগ কোথায়? ১৯৫৬ সালে মিশরের প্রেসিডেন্ট জামাল নাসের দেশের স্বার্থে সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেন। তখন যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং তাদের দোসর মিশরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এখানে উল্লেখ্য যে সুয়েজ খালের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ একটি কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে যার অধিকাংশ শেয়ার ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্যের হাতে। সঙ্গে সঙ্গে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্সকে সংঘর্ষ থামাতে বলে। বিষয়টির শান্তিপূর্ণ মীমাংসা হয়। তখন বস্তুত যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র একদিকে, আর সোভিয়েত ইউনিয়ন অপর দিকে। বাংলাদেশের জন্মলগ্নে সোভিয়েত ইউনিয়ন তিনবার ভেটো প্রয়োগ করেছিল। পূর্বে বলেছি যে, সদস্যরা বিবেককে কাজে না লাগিয়ে কোন মুরুব্বির নির্দেশে ভোট প্রয়োগ করলে সেখানে সংকট আসবে। ১৯৭১ সালের ৯ মাস পাকিস্তান দখলীকৃত বাংলাদেশে যে গণহত্যা চালাল, তা জাতিসংঘের অধিকাংশ সদস্যের চোখে পড়ল না। নিরাপত্তা পরিষদেরও একই অবস্থা।
যাহোক, বিশ্বে তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের সামরিক ক্ষমতার একটা ভারসাম্য ছিল। পারমাণবিক শক্তির পাল্লা কার দিকে কতটা ভারী তার পরিমাপ না করতে পারলেও এটা অনুমান করা হতো যে এরকম একটি যুদ্ধের ফল হবে ভয়াবহ। কে বলেছিলেন তা মনে নেই, তবে কথাটা এরকম যে পারমাণবিক যুদ্ধ হলে জীবিতরা মৃতদের হিংসা করবে। ১৯৯০ সালে সোভিয়েত ব্লকের পতনের পর এ পাঠ চুকে গেল। রিগানের ভাষায় শয়তানের গৃহ ধ্বংস হল। পশ্চিমা নেতাদের সুখনিদ্রা ফিরে এল। কেননা নানা ধরনের আলোচনা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হত মারণাস্ত্র সীমিত করা নিয়ে।
মি. দ্য সিলভা বলেছেন যে, যেখানে নিয়মের কোনো বালাই নেই সেখানে বিশ্ব স্বাভাবিকভাবে অনিরাপদ হয়ে পড়ে। এরকম বিশ্বে যে কেউ পরবর্তী শিকার হতে পারে। দ্য সিলভা প্রকৃত চিত্র তুলে ধরেছেন। ইরাক জাতিসংঘের একজন সদস্য অথচ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাকে আক্রমণ করে পরাজিত করল এবং দ্য সিলভার কথার প্রতিধ্বনি করে বলতে হয়, অল্প সময়ের মধ্যে বিচারিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হল। দ্বিতীয় যুদ্ধের পর বিশ্বের সামরিক ক্ষমতার পূর্ব পর্যন্ত এরকম রাজ্য দখল করার ঘটনা ঘটেনি, যা ইরাকে ঘটল।
ইরানে বর্তমানে যে যুদ্ধ চলছে তা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে দিয়েছে যে বিশ্ব এখন বসবাসের অযোগ্য। আগের রাত পর্যন্ত আলোচনা চলছিল যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের। কোনোরকম যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। অথচ ট্রাম্প-নেতানিয়াহু ভয়াবহ আক্রমণ শুরু করল ইরানের ওপর। যুদ্ধে হাসপাতাল, বিদ্যালয় এবং সাধারণ জনবসতির উপর হামলা চালানোর কথা নয়, তারপরও চলে এবং যারা করে, তারা গলাবাজি করে না। কিন্তু ট্রাম্প-নেতানিয়াহু সংবাদ সম্মেলন করে এই মানবতাবিরোধী কাজ করার ঘোষণা দেন।
ট্রাম্প-নেতানিয়াহু যে হটকারিতার পরিচয় দিল, তার দৃষ্টান্ত বিশ্বের ইতিহাসে দুর্লভ। প্রত্যাশা ছিল যে মধ্যপ্রাচ্যের ইরানের প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহ একজোটে এগিয়ে এসে প্রতিবাদ করবে এবং সেই সঙ্গে তাদের ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক করার কথা বলবে। উল্টো তা না করে ইরানের আক্রমণকারীদের কাছে চলে গেল। শুধু তাই নয়, ইরানের ড্রোন টেকনোলজির কৌশল আহরণের জন্য সুদূর ইউক্রেনের সঙ্গে চুক্তি করতে গেল। অথচ এরা মুসলিম উম্মাহ এবং ওআইসির সদস্য। তারা কি ইরানকে দ্বিতীয় গাজা বানাতে চায়?
যুক্তরাজ্য ইসরায়েলকে বসাল মধ্যপ্রাচ্যে। আজ ইসরায়েল পরিকল্পনা করছে মধ্যপ্রাচ্যের ভৌগলিক পরিবর্তন আনতে। এর জন্য ইসরায়েলের আগাম বাজেটে প্রচুর তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে।
বর্তমান যে হটকারী যুদ্ধাটা শুরু করেছে, এতে কিন্তু ইউরোপের কোনো দায়িত্বপূর্ণ রাষ্ট্র নিন্দা করেনি। অতএব, বিবেকহীন সদস্য রাষ্ট্র দিয়ে কিভাবে শক্তিশালী নিরাপত্তা কাউন্সি গড়ে তোলা সম্ভব? ইরানের জনজীবনকে ধ্বংস করার জন্য ভয়াবহ আক্রমণ করা হচ্ছে। এ অবস্থায় ইরান সাধ্যমত প্রতিরোধ করছে, তারপরও নিজের বিবেককে পরিষ্কার রেখে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল করতে দিচ্ছে। পক্ষান্তরে পাশ্চত্যের দেশ যারা বেশি মানবতার কথা বলে, তারা শুধু হরমুজ প্রণালীর কথা বলছে, মুখ খুলছেন না ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর মানবতাবিরোধী যুদ্ধের ব্যাপার।
অনিরাপদ বিশ্ব নিরাপদ হবে না যতদিন একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারীর ক্ষমতা খর্ব না হয়। সেটি সম্ভব-যদি Balance of Terror প্রতিষ্ঠিত হতো। ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ভারতের পারমাণবিক শক্তি অর্জনের সমর্থনে বলেছিলেন, ‘Strength respects strength’। জানি না কতদিনে বিশ্বের এই একতরফা ক্ষমতার অবাসন হবে?

ক’দিন আগে একটি বাংলা দৈনিকে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দ্য সিলভার একটি বক্তব্য ছাপানো হয়। এটি দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকা থেকে ভাষান্তরিত করে বাংলায় প্রকাশ করা হয়েছে। পশ্চিম গোলার্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দ্য সিলভার অভিমত অতিশয় গুরত্বের দাবি রাখে। তিনি বলেছেন, নিরাপত্তা পরিষদের একচ্ছত্র ক্ষমতা বর্তমান অশান্তির মূল কারণ। নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য ১৫ জন। এর ভেতর পাঁচজন স্থায়ী, যথা- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। এদের ভেটো পাওয়ার রয়েছে। অর্থাৎ এদের একজন কোনো প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিলে সেটি অকার্যকর হয়ে যায়।
মি. লুলার ভাষায় ভেটোকে ঢাল ও অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে স্থায়ী সদস্যরা প্রায়ই লাখ লাখ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলে। যেকোনো প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা যদি আলোচ্য সমস্যার যথাযথ বিচার বিবেক, বুদ্ধি দিয়ে বিশ্লেষণ না করে সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে সেখানে ন্যায্য বিচার পাওয়ার সুযোগ কোথায়? ১৯৫৬ সালে মিশরের প্রেসিডেন্ট জামাল নাসের দেশের স্বার্থে সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেন। তখন যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং তাদের দোসর মিশরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এখানে উল্লেখ্য যে সুয়েজ খালের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ একটি কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে যার অধিকাংশ শেয়ার ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্যের হাতে। সঙ্গে সঙ্গে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্সকে সংঘর্ষ থামাতে বলে। বিষয়টির শান্তিপূর্ণ মীমাংসা হয়। তখন বস্তুত যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র একদিকে, আর সোভিয়েত ইউনিয়ন অপর দিকে। বাংলাদেশের জন্মলগ্নে সোভিয়েত ইউনিয়ন তিনবার ভেটো প্রয়োগ করেছিল। পূর্বে বলেছি যে, সদস্যরা বিবেককে কাজে না লাগিয়ে কোন মুরুব্বির নির্দেশে ভোট প্রয়োগ করলে সেখানে সংকট আসবে। ১৯৭১ সালের ৯ মাস পাকিস্তান দখলীকৃত বাংলাদেশে যে গণহত্যা চালাল, তা জাতিসংঘের অধিকাংশ সদস্যের চোখে পড়ল না। নিরাপত্তা পরিষদেরও একই অবস্থা।
যাহোক, বিশ্বে তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের সামরিক ক্ষমতার একটা ভারসাম্য ছিল। পারমাণবিক শক্তির পাল্লা কার দিকে কতটা ভারী তার পরিমাপ না করতে পারলেও এটা অনুমান করা হতো যে এরকম একটি যুদ্ধের ফল হবে ভয়াবহ। কে বলেছিলেন তা মনে নেই, তবে কথাটা এরকম যে পারমাণবিক যুদ্ধ হলে জীবিতরা মৃতদের হিংসা করবে। ১৯৯০ সালে সোভিয়েত ব্লকের পতনের পর এ পাঠ চুকে গেল। রিগানের ভাষায় শয়তানের গৃহ ধ্বংস হল। পশ্চিমা নেতাদের সুখনিদ্রা ফিরে এল। কেননা নানা ধরনের আলোচনা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হত মারণাস্ত্র সীমিত করা নিয়ে।
মি. দ্য সিলভা বলেছেন যে, যেখানে নিয়মের কোনো বালাই নেই সেখানে বিশ্ব স্বাভাবিকভাবে অনিরাপদ হয়ে পড়ে। এরকম বিশ্বে যে কেউ পরবর্তী শিকার হতে পারে। দ্য সিলভা প্রকৃত চিত্র তুলে ধরেছেন। ইরাক জাতিসংঘের একজন সদস্য অথচ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাকে আক্রমণ করে পরাজিত করল এবং দ্য সিলভার কথার প্রতিধ্বনি করে বলতে হয়, অল্প সময়ের মধ্যে বিচারিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হল। দ্বিতীয় যুদ্ধের পর বিশ্বের সামরিক ক্ষমতার পূর্ব পর্যন্ত এরকম রাজ্য দখল করার ঘটনা ঘটেনি, যা ইরাকে ঘটল।
ইরানে বর্তমানে যে যুদ্ধ চলছে তা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে দিয়েছে যে বিশ্ব এখন বসবাসের অযোগ্য। আগের রাত পর্যন্ত আলোচনা চলছিল যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের। কোনোরকম যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। অথচ ট্রাম্প-নেতানিয়াহু ভয়াবহ আক্রমণ শুরু করল ইরানের ওপর। যুদ্ধে হাসপাতাল, বিদ্যালয় এবং সাধারণ জনবসতির উপর হামলা চালানোর কথা নয়, তারপরও চলে এবং যারা করে, তারা গলাবাজি করে না। কিন্তু ট্রাম্প-নেতানিয়াহু সংবাদ সম্মেলন করে এই মানবতাবিরোধী কাজ করার ঘোষণা দেন।
ট্রাম্প-নেতানিয়াহু যে হটকারিতার পরিচয় দিল, তার দৃষ্টান্ত বিশ্বের ইতিহাসে দুর্লভ। প্রত্যাশা ছিল যে মধ্যপ্রাচ্যের ইরানের প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহ একজোটে এগিয়ে এসে প্রতিবাদ করবে এবং সেই সঙ্গে তাদের ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক করার কথা বলবে। উল্টো তা না করে ইরানের আক্রমণকারীদের কাছে চলে গেল। শুধু তাই নয়, ইরানের ড্রোন টেকনোলজির কৌশল আহরণের জন্য সুদূর ইউক্রেনের সঙ্গে চুক্তি করতে গেল। অথচ এরা মুসলিম উম্মাহ এবং ওআইসির সদস্য। তারা কি ইরানকে দ্বিতীয় গাজা বানাতে চায়?
যুক্তরাজ্য ইসরায়েলকে বসাল মধ্যপ্রাচ্যে। আজ ইসরায়েল পরিকল্পনা করছে মধ্যপ্রাচ্যের ভৌগলিক পরিবর্তন আনতে। এর জন্য ইসরায়েলের আগাম বাজেটে প্রচুর তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে।
বর্তমান যে হটকারী যুদ্ধাটা শুরু করেছে, এতে কিন্তু ইউরোপের কোনো দায়িত্বপূর্ণ রাষ্ট্র নিন্দা করেনি। অতএব, বিবেকহীন সদস্য রাষ্ট্র দিয়ে কিভাবে শক্তিশালী নিরাপত্তা কাউন্সি গড়ে তোলা সম্ভব? ইরানের জনজীবনকে ধ্বংস করার জন্য ভয়াবহ আক্রমণ করা হচ্ছে। এ অবস্থায় ইরান সাধ্যমত প্রতিরোধ করছে, তারপরও নিজের বিবেককে পরিষ্কার রেখে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল করতে দিচ্ছে। পক্ষান্তরে পাশ্চত্যের দেশ যারা বেশি মানবতার কথা বলে, তারা শুধু হরমুজ প্রণালীর কথা বলছে, মুখ খুলছেন না ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর মানবতাবিরোধী যুদ্ধের ব্যাপার।
অনিরাপদ বিশ্ব নিরাপদ হবে না যতদিন একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারীর ক্ষমতা খর্ব না হয়। সেটি সম্ভব-যদি Balance of Terror প্রতিষ্ঠিত হতো। ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ভারতের পারমাণবিক শক্তি অর্জনের সমর্থনে বলেছিলেন, ‘Strength respects strength’। জানি না কতদিনে বিশ্বের এই একতরফা ক্ষমতার অবাসন হবে?

অনিরাপদ বিশ্ব নিরাপদ হবে না যতদিন একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারীর ক্ষমতা খর্ব না হয়। সেটি সম্ভব-যদি Balance of Terror প্রতিষ্ঠিত হতো। ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ভারতের পারমাণবিক শক্তি অর্জনের সমর্থনে বলেছিলেন, ‘Strength respects strength’। জানি না কতদিনে বিশ্বের এই একতরফা ক্ষমতার অবাসন হবে?