
ইরান যুদ্ধ শেষের পথে, ট্রাম্পের দাবি। এদিকে, শেষের পথে যুদ্ধবিরতিও। ফের বৈঠকে বসছে ইরান-আমেরিকা। আমেরিকান নৌ-বাহিনী হরমুজ থেকে ফেরত পাঠাচ্ছে ইরানসহ বিভিন্ন দেশের জাহাজ। ওদিকে, আমেরিকাকে ছাড়াই হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল স্বাভাবিক করতে ইউরোপের দেশগুলো একটি বড় জোট গঠনের পরিকল্পনা করছে।

উপদেষ্টা বলেন, “আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পেয়েছি। আমাদের লক্ষ্য বন্ধ কলকারখানা চালু করা এবং সিএমএসএমই খাতের বিকাশ ঘটানো। আমরা চাই ডিসিসিআই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের চ্যাম্পিয়ন হোক।”

সমালোচকেরা বলেন, সামরিক সাফল্যকে কূটনৈতিক চুক্তিতে রূপান্তর করা উচিত ছিল। কিন্তু নেতানিয়াহু জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে চুক্তির ওপর আস্থা রাখেন না। কিছু ক্ষেত্রে এটি যুক্তিসঙ্গতও– লেবানন ও সিরিয়ার সরকার দুর্বল, আর ইরান ও হামাস আদর্শগতভাবে ইসরায়েলের অস্তিত্বই স্বীকার করে না।

যুদ্ধ করা ছাড়া কি ইরানের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই? নিঃসন্দেহে দেশটি আমেরিকার মতো সুপারপাওয়ারকে যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের আর কোনো দেশ তা করতে পারেনি। আর এ জন্যই কি এখন ইরানের পিছু হটার সুযোগ নেই? পরাজয় অথবা ধ্বংস—এই পরিস্থিতি কি ইরানের সামনে হাজির হয়েছে। ট্রাম্প এখন কী করবেন?

ট্রাম্পের সীমাহীন ক্ষমতার বিশ্বাস কখনোই সংবিধান বা আমেরিকার রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেনি। দ্বিতীয় মেয়াদের প্রেসিডেন্সির স্বাভাবিক ক্ষয়ও তাকে আরও দুর্বল করতে পারে। একইসঙ্গে ইরান বাইরের দিক থেকে তার শক্তিশালী নেতার ভাবমূর্তিকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।

ইসলামাবাদে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী অবিলম্বে হরমুজ প্রণালি অবরোধ শুরু করবে– যা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জলপথগুলোর একটি। এই নির্দেশ বিস্তৃত: প্রণালিতে ঢোকা বা বের হওয়া যেকোনো জাহাজকে থামিয়ে তল্লাশি করতে হবে মার্কিন

দেশের অভ্যন্তরেও এই সাফল্য এক বিশেষ গর্বের সঞ্চার করেছে। অনেক পাকিস্তানির কাছে এটি বিশ্ব রাজনীতিতে পাকিস্তানের একটি বিরল ও ইতিবাচক ভূমিকার বহিঃপ্রকাশ।

ইরানের কিছু সমুদ্রপথনির্ভর আমদানি আছে। আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে তার গমের পঞ্চমাংশ আসত। ব্রাজিল ও ইউক্রেন থেকে বেশির ভাগ ভুট্টা আসে উপসাগরের বন্দর দিয়ে। কিছু শস্য ক্যাস্পিয়ান বন্দর বা তুরস্ক ও মধ্য এশিয়া হয়ে রাশিয়া ও কাজাখস্তান থেকে আসতে পারে, তবে বেশি খরচে।

ইরানের দাবি অনুযায়ী, ওই পাঁচটি দেশ তাদের আকাশসীমা বা ভূমি ব্যবহার করতে দিয়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীকে ইরানে হামলা চালাতে সরাসরি সহায়তা করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা বিশ্ব অর্থনীতিতে এক ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। সংস্থাটির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই সংঘাতের ফলে বিশ্বের ১৬২টি দেশের প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে আগামী বৃহস্পতিবার। মার্কিন কর্মকর্তা এবং মধ্যস্থতাকারী একটি দেশের এক কূটনীতিকের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি এ তথ্য জানিয়েছে।

সমঝোতা ছাড়াই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা শেষ হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে ইরান উপকূলে নৌ-অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সঙ্গে তিনি ইরানে সীমিত পরিসরে সামরিক হামলার পরিকল্পনা বিবেচনা করছেন বলে জানা গেছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের মন্তব্য
হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের দূরদর্শিতার অভাব ভয়াবহ অদক্ষতার প্রমাণ। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি পূর্বের অবস্থা ফেরায়নি। কারণ ইরান এখনও চলাচল সীমিত রেখেছে এবং চূড়ান্ত শান্তিচুক্তির অংশ হিসেবে কর আরোপের হুমকি দিয়েছে। এই যুদ্ধ ইরানের নেতাদের দেখিয়ে দিয়েছে যে, জলপথ নিয়ন্ত্রণ বাস্তবে সম্ভব।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ফের ইরানে হামলার কথা ভাবছে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাশাপাশি আজ থেকে হরমুজ প্রণালিসহ ইরানের বিভিন্ন বন্দরে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে আমেরিকা। ওদিকে, ইরান বলছে, যদি কোনো যুদ্ধজাহাজ ইরানের জলসীমায় প্রবেশ করে তা হবে যুদ্ধবিরতির শর্তভঙ্গ।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ফের ইরানে হামলার কথা ভাবছে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাশাপাশি আজ থেকে হরমুজ প্রণালিসহ ইরানের বিভিন্ন বন্দরে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে আমেরিকা। ওদিকে, ইরান বলছে, যদি কোনো যুদ্ধজাহাজ ইরানের জলসীমায় প্রবেশ করে তা হবে যুদ্ধবিরতির শর্তভঙ্গ।