
রুশ প্রেসিডেন্টের মতে, এই ঘটনাটি কেবল অমানবিকই নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবিক নৈতিকতার সমস্ত মানদণ্ডকে অবমাননা করেছে।

আল জাজিরা বলছে, তিনি পরিষদের জুরিস্ট সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নেতৃত্ব পরিষদটি নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না করা পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করবে।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি । যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ গতকাল শনিবার শুরুই হয়েছিল আলী খামেনিকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েই। এই সামরিক অভিযান শুধু ইরানের পারমানবিক স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া–ই নয়

ইরান এবং মার্কিন-ইসরায়েল জোটের মধ্যকার উত্তেজনা এখন এক চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজধানী, সংবাদকক্ষ এবং নীতি-নির্ধারণী মহলে একটি প্রশ্ন নিয়েই বেশ গুঞ্জন চলছে: চীন কি শেষ পর্যন্ত ইরানের রক্ষাকর্তা হিসেবে এগিয়ে আসবে? আর যদি আসে, তবে সেই সহায়তার ধরণ কেমন হবে?

নিহত হওয়ার কয়েক দিন আগে জনসম্মুখে দেওয়া শেষ ভাষণে প্রতিরোধে সক্ষম অস্ত্রের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

১৯৫৩ সালের অভ্যুত্থান থেকে শুরু হয়ে ইরান-আমেরিকা সংঘাত আজও থামেনি। পরমাণু কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা ও প্রক্সি যুদ্ধ এই বৈরিতাকে আরও গভীর করেছে। ২০২৬ সালের হামলায় মধ্যপ্রাচ্য আবারও বড় যুদ্ধের ঝুঁকিতে পড়েছে।

বিশ্বের অন্য অনেক দেশের তুলনায় ইরানের শাসন পদ্ধতি বেশ আলাদা। সেখানে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট বা পার্লামেন্টের সদস্যরা নির্বাচিত হলেও দেশের মূল ক্ষমতা রয়েছে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার হাতে।

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শনিবার সকালে তার কার্যালয়ে কাজ করার সময়েই নিহত হয়েছেন।

বিবিসির প্রতিবেদন
যুদ্ধ মূলত একটি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। একবার সশস্ত্র সংঘাত শুরু হয়ে গেলে তা নিয়ন্ত্রণ করা সহজাতভাবেই কঠিন হয়ে পড়ে। তাই নেতাদের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকা প্রয়োজন।

রিপাবলিকান প্রতিনিধিদের ট্রাম্পের কঠোর সমালোচক হিসেবে পরিচিত মার্কিন সিনেটর থমাস ম্যাসি একে ‘অযৌক্তিক যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া এই পদক্ষেপ নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার ক্রমবর্ধমান সামরিক তৎপরতা এবং উন্নত যুদ্ধবিমান মোতায়েন নিশ্চিতভাবেই আমেরিকার এই দুরভিসন্ধির জানান দিচ্ছিল। গতবছর জুনেও ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালায় আমেরিকা। তবে এটাই ইরান আমেরিকা সংঘাতের সূত্রপাত নয়। এর এক দীর্ঘ ইতিহাসও রয়েছে।

মুশফিক তার পোস্টে লিখেছেন, “দুর্ভাগ্যবশত যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সব ফ্লাইট জেদ্দায় ফিরে এসেছে এবং এখন আমি জেদ্দা বিমানবন্দরে হাজার হাজার যাত্রীর সাথে অবস্থান করছি।”

দূতাবাস সতর্ক করে বলেছে, সংঘাতসংক্রান্ত কোনো ছবি বা ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা কাতারের আইনে দণ্ডনীয়। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

বিবৃতিতে জাতিসংঘের প্রতি অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে জাতিসংঘের প্রতি অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়।