
নিউইয়র্ক টাইমস-এর এই প্রতিবেদন একটি অসাধারণ রাজনৈতিক মুহূর্তকে ধারণ করেছে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক নেতা এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান– দুজনেই আমেরিকান বংশোদ্ভূত এখন প্রকাশ্যে মুখোমুখি।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো–তারা কি তাদের সামরিক শক্তিকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখার মতো শিল্পভিত্তি গড়ে তুলতে পারবে, নাকি এই যুদ্ধই তাদের সীমাবদ্ধতার প্রকৃত চিত্র উন্মোচন করে দেবে?

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে চীনের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে বেইজিংয়ের প্রভাব আরও শক্তিশালী করছে। যদিও কিছু বিশ্লেষক একে চীনের ভাবমূর্তি তৈরির কৌশল হিসেবে দেখছেন, তবে জ্বালানি নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক মন্দা এড়াতে বেইজিংয়ের এই উদ্যোগ অত্যন্ত তা

বিশ্লেষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ট্রাম্পের ‘শত্রু’ ধারণার পুনর্মূল্যায়ন। সাধারণভাবে মনে করা হয়, তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রগুলো– যেমন চীন, রাশিয়া বা ইরান। কিন্তু লেখক যুক্তি দিয়েছেন, প্রকৃতপক্ষে ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হলো ‘গ্লোবাল ফাইন্যান্স’।

ইরানের সামরিক শক্তি বোঝার জন্য কুদস ফোর্সের বাইরে তাকাতে হবে। প্রকৃত শক্তি লুকিয়ে আছে এই বিস্তৃত, বহুস্তরীয় এবং সমন্বিত ব্যবস্থার মধ্যে– যা দৃশ্যমান না হলেও বাস্তবিক অর্থে অনেক বেশি কার্যকর এবং কঠিন প্রতিপক্ষ।

ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা ইসফাহান প্রদেশে বেশকিছু মার্কিন এবং ইসরায়েলি ড্রোন ধ্বংস করেছে। এ ঘটনার পর ওই যুদ্ধবিমানে থাকা দুজনকেই উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকা। এ নিয়ে বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণে।

ইরান যুদ্ধ শুধু একটি সামরিক সংঘাত নয়; এটি পশ্চিমা জোটব্যবস্থার ভিত্তিকেই নাড়িয়ে দিচ্ছে। ন্যাটোর সামনে এখন যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা হয়ত তার ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় জোট টিকে থাকবে, নাকি ভেঙে পড়বে– তার উত্তর নির্ভর করছে মূলত ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্ত এবং ইউরোপের প্রস্তুতির ওপর।

রাশিয়ার গণমাধ্যম আরটি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্যাক্স বলেন, “এই সংকট থামানোর মতো এখন বিশ্বে তিনজন প্রাপ্তবয়স্ক নেতা আছেন–চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।”
ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হেরে যাচ্ছে? ক্ষতির মুখে পড়েই কি প্রেসিডন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভব্য ভাষায় আক্রমণ করেছেন? আসলেই কি পাইলট উদ্ধানে ইরানে মার্কিন নেভি সিল অভিযান করেছিল, না কি পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য?

অনিরাপদ বিশ্ব নিরাপদ হবে না যতদিন একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারীর ক্ষমতা খর্ব না হয়। সেটি সম্ভব-যদি Balance of Terror প্রতিষ্ঠিত হতো। ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ভারতের পারমাণবিক শক্তি অর্জনের সমর্থনে বলেছিলেন, ‘Strength respects strength’। জানি না কতদিনে বিশ্বের এই একতরফা ক্ষমতার অবাসন হবে?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। আজ রোববার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের অফিসে উভয়ের এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

‘আমরা তাকে পেয়েছি! তিনি এখন নিরাপদ ও সুস্থ আছেন।’

ফরেন পলিসির বিশ্লেষণ
টাংস্টেনকে ঘিরে প্রতিযোগিতা কেবল একটি খনিজ সম্পদের প্রশ্ন নয়; বরং এটি বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক শক্তির লড়াইয়ের প্রতিফলন। যুক্তরাষ্ট্র যেখানে নির্ভরতা কমাতে চাইছে, চীন সেখানে তার প্রভাব ধরে রাখতে কৌশলগতভাবে এগোচ্ছে।

আলোচনা চলছে বলা হলেও আমেরিকার এ কথা কেন অস্বীকার করছে ইরান? ইরান, ইসরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে কৌশলগতভাবে কে সুবিধাজনক অবস্থানে আছে? ইরান কি শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসবে? ইত্যাদি নানা বিষয়ে চরচার সঙ্গে আলোচনা করেছেন বিবিসি বাংলার সাবেক প্রধান সাবির মুস্তাফা

আলোচনা চলছে বলা হলেও আমেরিকার এ কথা কেন অস্বীকার করছে ইরান? ইরান, ইসরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে কৌশলগতভাবে কে সুবিধাজনক অবস্থানে আছে? ইরান কি শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসবে? ইত্যাদি নানা বিষয়ে চরচার সঙ্গে আলোচনা করেছেন বিবিসি বাংলার সাবেক প্রধান সাবির মুস্তাফা