চরচা ডেস্ক

আয়নায় সামনে দাঁড়িয়ে হঠাৎ একটি পাকা চুল চোখে পড়লে অনেকেরই সেটি তুলে ফেলতে ইচ্ছে করে। তবে একটা কথা প্রচলিত আছে, একটি পাকা চুল তুলে ফেললে নাকি আরও অনেক পাকা চুল গজায়। প্রশ্ন হলো, সত্যিই কি তা হয়?
এ বিষয়টি নিয়ে ইউনিভার্সিটি অব আরকানাসাস ফর মেডিকেল সাইন্সের (ইউএএমএস) ফ্যামিলি অ্যান্ড প্রিভেন্টিভ মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক শশাঙ্ক ক্রালেতির ব্যাখা প্রকাশ করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির ওয়েবসাইটে।
এই চিকিৎসকের ভাষ্য, একটি পাকা চুল উপড়ে ফেললে তার আশপাশের চুলের গোড়ায় কোনো প্রভাব পড়ে না। কারণ পাশের ফলিকলগুলো তখনও সক্রিয় থাকে এবং স্বাভাবিক রঙের চুলই উৎপন্ন করে। তাই একটি পাকা চুল তুললে আশপাশে আরও পাকা চুল জন্মায়, এই ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
ডা. শশাঙ্ক জানান, চুলের রং আসে মেলানিন নামের এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ থেকে, যা আমাদের চুল, চোখ ও ত্বকের রং নির্ধারণ করে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে মেলানিনের উৎপাদন কমে যায়। একসময় চুলের গোড়ায় থাকা এই রঞ্জক উৎপাদনকারী কোষগুলো মারা গেলে চুল আর কোনো রং ধরে রাখতে পারে না। তখনই চুল সাদা বা পাকা হয়ে যায়।
তবে পাকা চুল তুলে না ফেলার আরেকটি কারণ আছে। বারবার চুল উপড়ালে সেই নির্দিষ্ট চুলের গোড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে নতুন চুল আগের তুলনায় পাতলা হয়ে গজাতে পারে, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে আর গজায়ও না।
অনেক সময় মনে হতে পারে, একটি পাকা চুল তোলার পর হঠাৎ আরও পাকা চুল দেখা যাচ্ছে। আসলে এটি চুল তোলার কারণে নয়, বরং বয়সজনিত স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। চুল তুলে ফেলা অন্য ফলিকলকে প্রভাবিত করে না, কিন্তু যেটি উপড়ানো হয় সেটির ক্ষতি নিশ্চিতভাবেই হয়।
এর মানে পাকা চুল নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। চাইলে সেটিকে স্বাভাবিকভাবেই মেনে নেওয়া যায়, আবার রং করেও আড়াল করা সম্ভব। তবে পাকা চুল তোলা নিয়ে অযথা ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।

আয়নায় সামনে দাঁড়িয়ে হঠাৎ একটি পাকা চুল চোখে পড়লে অনেকেরই সেটি তুলে ফেলতে ইচ্ছে করে। তবে একটা কথা প্রচলিত আছে, একটি পাকা চুল তুলে ফেললে নাকি আরও অনেক পাকা চুল গজায়। প্রশ্ন হলো, সত্যিই কি তা হয়?
এ বিষয়টি নিয়ে ইউনিভার্সিটি অব আরকানাসাস ফর মেডিকেল সাইন্সের (ইউএএমএস) ফ্যামিলি অ্যান্ড প্রিভেন্টিভ মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক শশাঙ্ক ক্রালেতির ব্যাখা প্রকাশ করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির ওয়েবসাইটে।
এই চিকিৎসকের ভাষ্য, একটি পাকা চুল উপড়ে ফেললে তার আশপাশের চুলের গোড়ায় কোনো প্রভাব পড়ে না। কারণ পাশের ফলিকলগুলো তখনও সক্রিয় থাকে এবং স্বাভাবিক রঙের চুলই উৎপন্ন করে। তাই একটি পাকা চুল তুললে আশপাশে আরও পাকা চুল জন্মায়, এই ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
ডা. শশাঙ্ক জানান, চুলের রং আসে মেলানিন নামের এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ থেকে, যা আমাদের চুল, চোখ ও ত্বকের রং নির্ধারণ করে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে মেলানিনের উৎপাদন কমে যায়। একসময় চুলের গোড়ায় থাকা এই রঞ্জক উৎপাদনকারী কোষগুলো মারা গেলে চুল আর কোনো রং ধরে রাখতে পারে না। তখনই চুল সাদা বা পাকা হয়ে যায়।
তবে পাকা চুল তুলে না ফেলার আরেকটি কারণ আছে। বারবার চুল উপড়ালে সেই নির্দিষ্ট চুলের গোড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে নতুন চুল আগের তুলনায় পাতলা হয়ে গজাতে পারে, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে আর গজায়ও না।
অনেক সময় মনে হতে পারে, একটি পাকা চুল তোলার পর হঠাৎ আরও পাকা চুল দেখা যাচ্ছে। আসলে এটি চুল তোলার কারণে নয়, বরং বয়সজনিত স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। চুল তুলে ফেলা অন্য ফলিকলকে প্রভাবিত করে না, কিন্তু যেটি উপড়ানো হয় সেটির ক্ষতি নিশ্চিতভাবেই হয়।
এর মানে পাকা চুল নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। চাইলে সেটিকে স্বাভাবিকভাবেই মেনে নেওয়া যায়, আবার রং করেও আড়াল করা সম্ভব। তবে পাকা চুল তোলা নিয়ে অযথা ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।

কিছু ম্যানেজার প্রতিভাবান কর্মীদের বড়ো পদে আবেদন করতে উৎসাহিত করার পরিবর্তে তাদের আটকে রাখার চেষ্টা করেন। মিউনিখের লুডভিগ-ম্যাক্সিমিলিয়ান্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনগ্রিড হেগেল সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় একটি বৃহৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের জার্মান ইউনিটে নিয়োজিত পদস্থ ব্যক্তিদের আচরণ বিশ্লেষণ করেছেন।