Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

চুমু থেকে হতে পারে যে রোগ

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮: ৫৯
চুমু থেকে হতে পারে যে রোগ

ভালোবাসার প্রকাশ হিসেবে সঙ্গীকে চুমু দেওয়া অতি স্বাভাবিক এক আবেগীয় অনুভূতি। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এর সাথে জড়িয়ে আছে একটি বিশেষ স্বাস্থ্যঝুঁকি। লালার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘কিসিং ডিজিজ’ বা ‘মনো’ আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ জ্বর মনে হতে পারে, কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা এক জটিল স্নায়ুরোগের আশঙ্কাজনক যোগাযোগ খুঁজে পেয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

চিকিৎসা বিজ্ঞানে এমন অনেক রোগ আছে যা আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ মনে হলেও শরীরের গভীরে দীর্ঘমেয়াদী ছাপ রেখে যায়। ‘ইনফেকশাস মনোনিউক্লিওসিস’ বা সাধারণের কাছে যা ‘কিসিং ডিজিজ’ নামে পরিচিত, সেই রোগটি নিয়ে সম্প্রতি এমনই এক তথ্য সামনে এসেছে। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা জীবনে অন্তত একবার এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, পরবর্তী জীবনে তাদের মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস (এমএস) নামক একটি জটিল স্নায়ুরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি প্রায় তিন গুণ বেড়ে যায়।

কিসিং ডিজিজ বা মনো আসলে কী?

মেডিকেল পরিভাষায় একে বলা হয় ‘ইনফেকশাস মনোনিউক্লিওসিস’, সংক্ষেপে অনেকেই একে শুধু ‘মনো’ বলে ডাকেন। এটি মূলত ‘এপস্টাইন-বার ভাইরাস (ইবিভি)’ নামের একটি ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায়। প্রশ্ন উঠতে পারে, এর নাম ‘কিসিং ডিজিজ’ কেন? এনডিটিভির একটি প্রতিবেদন বলছে, এই ভাইরাসটি প্রধানত লালার মাধ্যমে একজন থেকে অন্যজনে সংক্রমিত হয়। চুমুর মাধ্যমে এটি ছড়ানোর প্রবণতা বেশি বলে এমন নাম দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
মনো'র লক্ষণ। ছবি: এআই থেকে তৈরি
মনো'র লক্ষণ। ছবি: এআই থেকে তৈরি

তবে শুধু চুমুই নয়, আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত গ্লাস, চামচ বা পানীয় ভাগ করে নিলে কিংবা কাশির মাধ্যমে খুব কাছাকাছি সংস্পর্শে এলেও এটি ছড়াতে পারে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, বিশ্বের প্রায় ৯০-৯৫ শতাংশ মানুষই তাদের জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হন। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি হলে তেমন কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না, কিন্তু কৈশোরে বা প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় এই সংক্রমণ ঘটলে তা পূর্ণাঙ্গ মনো রোগের রূপ নেয়।

মনো’র লক্ষণ

প্রাথমিক অবস্থায় মনোকে সাধারণ ফ্লু বা গলার ইনফেকশন বলে মনে হতে পারে। এর সাধারণ লক্ষণগুলো হলো-

  • প্রচণ্ড ক্লান্তি ও অবসাদ
  • তীব্র জ্বর ও গলা ব্যথা
  • ঘাড়ের লসিকা গ্রন্থি বা লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া
  • কিছু ক্ষেত্রে লিভার বা প্লীহা ফুলে যাওয়া

অধিকাংশ ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বিশ্রাম, পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান, পুষ্টিকর খাবার এবং সাধারণ চিকিৎসাতেই রোগী নিজে থেকে সেরে ওঠেন।

নতুন গবেষণা ও মাল্টিপল স্কলেরোসিস

দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া’র একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে রোগীদের পর্যবেক্ষণে রাখা সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, মনো আক্রান্তদের মধ্যে ভবিষ্যতে মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস (এমএস) হওয়ার একটি জোরালো যোগসূত্র রয়েছে। এটি একটি অটো-ইমিউন রোগ, যেখানে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুলবশত নিজের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে (মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ড) আক্রমণ করে।

বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই এপস্টাইন-বার ভাইরাস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার ‘বি-সেল’-কে আক্রমণ করে। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এই ভাইরাস শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে এমনভাবে বিভ্রান্ত করে যে, সেটি নিজের স্নায়ুর মায়োলিন স্তরকে ধ্বংস করতে শুরু করে। অনেকটা বিদ্যুতের তারের ওপরের প্লাস্টিকের আবরণ ছিঁড়ে যাওয়ার মতো, যা স্নায়বিক সংকেত আদান-প্রদানে বাধার সৃষ্টি করে।

সচেতনতা

গবেষণায় তিন গুণ ঝুঁকির কথা বলা হলেও সাধারণ মানুষের জন্য এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। পরিসংখ্যান বলছে, মনো হলেও এমএস হওয়ার সামগ্রিক হার খুবই কম—মাত্র ০.১৭ শতাংশ। যেখানে সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে এই হার ০.০৭ শতাংশ। অর্থাৎ, মনো হওয়া মানেই এমএস হবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। চিকিৎসকদের মতে, এটি একটি পারস্পরিক সংযোগ মাত্র, সরাসরি কোনো কার্যকারণ সম্পর্ক নয়। তবে সচেতন থাকা জরুরি।

বিশেষ করে যারা অতীতে মনোতে ভুগেছেন, তাদের ক্ষেত্রে পরবর্তী জীবনে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা, শরীরের কোনো অংশ বারবার অবশ হয়ে যাওয়া কিংবা অস্বাভাবিক ক্লান্তির মতো স্নায়বিক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এই আবিষ্কার বর্তমানে মনো’র চিকিৎসায় কোনো বৈপ্লবিক পরিবর্তন না আনলেও, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিসের রহস্য উন্মোচনে বড় ভূমিকা রাখবে। যদি অন্যান্য গবেষকরাও এই তথ্য নিশ্চিত করেন, তবে ভবিষ্যতে ইবিভি ভ্যাকসিন তৈরির মাধ্যমে হয়ত মাল্টিপল স্ক্লেরোসিসের মতো ব্যাধি ঠেকিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।

বিষয়: রোগলাইফস্টাইলভাইরাসজীবনধারা
সর্বশেষ
  • ১

    এশিয়া কাপ: শিরোপায় চোখ রেখে বাংলাদেশের ‘ভারত পরীক্ষা’

  • ২

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ৩

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৪

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৫

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।