চরচা ডেস্ক

ইনস্টাগ্রাম রিলস বা ইউটিউব শর্টস এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় ও অন্যতম ডিজিটাল কনটেন্ট ফরম্যাট। জনপ্রিয়তার কারণে সিনেমার ক্লিপ থেকে শুরু করে তারকাদের সাক্ষাৎকার পর্যন্ত সবই এখন এই রিলস বা শর্ট আকারে দেখতে পাওয়া যায়।
এই ভিডিওগুলোর জনপ্রিয়তার বড় কারণ হলো এগুলো খুবই সহজে দেখা যায়। এগুলো ছোট, দ্রুত বোঝা যায়, স্ক্রল করা সহজ এবং অল্প সময়ে দেখা শেষ করা যায়। সবচেয়ে বড় কথা, এগুলো দেখার জন্য ফোন ঘোরানোর দরকার হয় না, লম্বা ভিডিওতে সময় দেওয়ার বাধ্যবাধকতাও নেই, আর পরের ভিডিও কী দেখবেন সেটা নিয়েও বেশি চিন্তা করতে হয় না।
তবে এই দ্রুতগতির কনটেন্ট যতটা সহজ মনে হয়, অতিরিক্ত দেখলে তা স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে চোখের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে।
মুম্বাইয়ের ড. আগারওয়াল’স আই হসপিটালের কর্নিয়া, ক্যাটারাক্ট ও রিফ্র্যাকটিভ সার্জারির বিশেষজ্ঞ মিনাল কানহের দ্য হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, শর্ট-ফর্ম ভিডিও এখন মানুষের চোখের কাজ করার ধরনও বদলে দিচ্ছে।
এই বিশেষজ্ঞ বলেন, ছোট স্ক্রিনে (যেমন স্মার্টফোনে) অনেক বেশি কনটেন্ট দেখা চোখের সঠিকভাবে ফোকাস করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে। এর ফলে ডিজিটাল আই স্ট্রেন (চোখের ক্লান্তি) ও চোখে অবসাদ দেখা দিতে পারে।

ডা. মিনাল জানান, উজ্জ্বল স্ক্রিনের দিকে দীর্ঘ সময় তাকিয়ে থাকা–বিশেষ করে ফোন খুব কাছে রেখে দেখলে চোখের পলক ফেলার হার কমে যেতে পারে। এতে চোখ শুষ্ক হয়ে যাওয়া, জ্বালাপোড়া, ঝাপসা দেখা এবং মাথাব্যথার মতো সমস্যা হতে পারে।
এ ছাড়া এর আরও কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে, যেমন ভুল ভঙ্গিতে বসা, কাঁধে ব্যথা এবং দূরের জিনিস ঝাপসা দেখার মতো সমস্যা বাড়ার ঝুঁকি।
তাছাড়া চোখের সমস্যার পাশাপাশি মানসিক ক্লান্তিও হতে পারে। দ্রুতগতির কনটেন্ট অতিরিক্ত দেখলে মনোযোগ কমে যায় এবং মানসিক ক্লান্তি তৈরি হয়।
ডা. মিনাল বলেন, বেশি শর্টস বা রিল দেখার কারণে ‘সেন্সরি ওভারলোড’ হতে পারে, অর্থাৎ অতিরিক্ত উজ্জ্বল রং, দ্রুত পরিবর্তিত দৃশ্য, এআই-নির্মিত ভিডিও, অতিরঞ্জিত মুভমেন্ট ও সাউন্ড ইফেক্ট মস্তিষ্ককে অতিরিক্ত চাপ দেয়। ফলে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে, মনোযোগ কমে যায়, মন অস্থির হয় এবং সহজে মনোযোগ নষ্ট হয়।
এই বিশেষজ্ঞ জানান, শর্ট-ফর্ম কনটেন্ট চোখকে দ্রুত পরিবর্তিত দৃশ্য, দ্রুত কাট, হঠাৎ মুভমেন্ট, টেক্সট ও ট্রানজিশনের সঙ্গে বারবার মানিয়ে নিতে বাধ্য করে। এতে চোখের ক্লান্তি বাড়ে এবং পরে ধীরগতির কাজ (যেমন পড়াশোনা বা বই পড়া) করতে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। তখন বড় বড় লেখা বা দীর্ঘ টেক্সট বিরক্তিকর ও ক্লান্তিকর মনে হতে পারে।
চোখের ওপর এই চাপ কমানো যায় কীভাবে?
চোখের চাপ কমাতে ও ভিজুয়াল ধৈর্য বাড়াতে ডাক্তার ২০-২০-২০ নিয়ম অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন ডা. মিনাল। অর্থাৎ প্রতি ২০ মিনিট পর ২০ সেকেন্ড বিরতি নিয়ে ২০ ফুট দূরের কোনো জিনিসের দিকে তাকানো।
এ ছাড়া সঠিক ভঙ্গিতে বসা, বারবার চোখের পলক ফেলা এবং ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে স্ক্রিন ব্যবহার বন্ধ করা উচিত। সম্ভব হলে ভিডিও দেখার বদলে পডকাস্ট শোনা যেতে পারে।

ইনস্টাগ্রাম রিলস বা ইউটিউব শর্টস এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় ও অন্যতম ডিজিটাল কনটেন্ট ফরম্যাট। জনপ্রিয়তার কারণে সিনেমার ক্লিপ থেকে শুরু করে তারকাদের সাক্ষাৎকার পর্যন্ত সবই এখন এই রিলস বা শর্ট আকারে দেখতে পাওয়া যায়।
এই ভিডিওগুলোর জনপ্রিয়তার বড় কারণ হলো এগুলো খুবই সহজে দেখা যায়। এগুলো ছোট, দ্রুত বোঝা যায়, স্ক্রল করা সহজ এবং অল্প সময়ে দেখা শেষ করা যায়। সবচেয়ে বড় কথা, এগুলো দেখার জন্য ফোন ঘোরানোর দরকার হয় না, লম্বা ভিডিওতে সময় দেওয়ার বাধ্যবাধকতাও নেই, আর পরের ভিডিও কী দেখবেন সেটা নিয়েও বেশি চিন্তা করতে হয় না।
তবে এই দ্রুতগতির কনটেন্ট যতটা সহজ মনে হয়, অতিরিক্ত দেখলে তা স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে চোখের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে।
মুম্বাইয়ের ড. আগারওয়াল’স আই হসপিটালের কর্নিয়া, ক্যাটারাক্ট ও রিফ্র্যাকটিভ সার্জারির বিশেষজ্ঞ মিনাল কানহের দ্য হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, শর্ট-ফর্ম ভিডিও এখন মানুষের চোখের কাজ করার ধরনও বদলে দিচ্ছে।
এই বিশেষজ্ঞ বলেন, ছোট স্ক্রিনে (যেমন স্মার্টফোনে) অনেক বেশি কনটেন্ট দেখা চোখের সঠিকভাবে ফোকাস করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে। এর ফলে ডিজিটাল আই স্ট্রেন (চোখের ক্লান্তি) ও চোখে অবসাদ দেখা দিতে পারে।

ডা. মিনাল জানান, উজ্জ্বল স্ক্রিনের দিকে দীর্ঘ সময় তাকিয়ে থাকা–বিশেষ করে ফোন খুব কাছে রেখে দেখলে চোখের পলক ফেলার হার কমে যেতে পারে। এতে চোখ শুষ্ক হয়ে যাওয়া, জ্বালাপোড়া, ঝাপসা দেখা এবং মাথাব্যথার মতো সমস্যা হতে পারে।
এ ছাড়া এর আরও কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে, যেমন ভুল ভঙ্গিতে বসা, কাঁধে ব্যথা এবং দূরের জিনিস ঝাপসা দেখার মতো সমস্যা বাড়ার ঝুঁকি।
তাছাড়া চোখের সমস্যার পাশাপাশি মানসিক ক্লান্তিও হতে পারে। দ্রুতগতির কনটেন্ট অতিরিক্ত দেখলে মনোযোগ কমে যায় এবং মানসিক ক্লান্তি তৈরি হয়।
ডা. মিনাল বলেন, বেশি শর্টস বা রিল দেখার কারণে ‘সেন্সরি ওভারলোড’ হতে পারে, অর্থাৎ অতিরিক্ত উজ্জ্বল রং, দ্রুত পরিবর্তিত দৃশ্য, এআই-নির্মিত ভিডিও, অতিরঞ্জিত মুভমেন্ট ও সাউন্ড ইফেক্ট মস্তিষ্ককে অতিরিক্ত চাপ দেয়। ফলে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে, মনোযোগ কমে যায়, মন অস্থির হয় এবং সহজে মনোযোগ নষ্ট হয়।
এই বিশেষজ্ঞ জানান, শর্ট-ফর্ম কনটেন্ট চোখকে দ্রুত পরিবর্তিত দৃশ্য, দ্রুত কাট, হঠাৎ মুভমেন্ট, টেক্সট ও ট্রানজিশনের সঙ্গে বারবার মানিয়ে নিতে বাধ্য করে। এতে চোখের ক্লান্তি বাড়ে এবং পরে ধীরগতির কাজ (যেমন পড়াশোনা বা বই পড়া) করতে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। তখন বড় বড় লেখা বা দীর্ঘ টেক্সট বিরক্তিকর ও ক্লান্তিকর মনে হতে পারে।
চোখের ওপর এই চাপ কমানো যায় কীভাবে?
চোখের চাপ কমাতে ও ভিজুয়াল ধৈর্য বাড়াতে ডাক্তার ২০-২০-২০ নিয়ম অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন ডা. মিনাল। অর্থাৎ প্রতি ২০ মিনিট পর ২০ সেকেন্ড বিরতি নিয়ে ২০ ফুট দূরের কোনো জিনিসের দিকে তাকানো।
এ ছাড়া সঠিক ভঙ্গিতে বসা, বারবার চোখের পলক ফেলা এবং ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে স্ক্রিন ব্যবহার বন্ধ করা উচিত। সম্ভব হলে ভিডিও দেখার বদলে পডকাস্ট শোনা যেতে পারে।