
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেছেন, প্রাণঘাতী হান্টা ভাইরাস ও ইবোলার প্রাদুর্ভাব বিশ্বব্যাপী ‘বিপজ্জনক ও বিভাজনমূলক’ সময়ের সর্বশেষ সংকট মাত্র।

১৬ মে (২০২৬) রাজধানীর ফার্মগেটে দ্য ডেইলি স্টারের তৌফিক আজিজ খান হলে ‘Bangladesh Child Protection Initiative’ এর উদ্যোগে ‘Children’s Lives Matter’ শীর্ষক কর্মসূচির মাধ্যমে হামসহ প্রতিরোধযোগ্য রোগে শিশুমৃত্যু রোধে জবাবদিহি, ন্যায়বিচার ও জরুরি জনস্বাস্থ্য পদক্ষেপের দাবিতে একটি সচেতনতামূলক সভা

ইবোলা অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির বমি, রক্ত ও বীর্যের মতো শারীরিক তরলের সংস্পর্শে এলে সহজেই অন্য শরীরে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটতে পারে।

স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে নোঙর করা এমভি হন্ডিয়াস জাহাজের ৯০ জনেরও বেশি যাত্রীকে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ওই জাহাজে ভ্রমণ করা তিন যাত্রীর মধ্যে এক ডাচ দম্পতি এবং একজন জার্মান নারী মারা গেছেন। তাদের মধ্যে দুজনের দেহে এই ভাইরাসের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

হান্টাভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক এখনো শেষ হয়নি। স্পেনের তেনেরিফে দ্বীপে আটকে পড়া একটি ক্রুজ শিপে হান্টাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের পর বিশাল উদ্ধার কাজ শেষ হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে স্পেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সামরিক নিরাপত্তায় নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছ।

তেনেফেরি’র ক্যান্ডেলারিয়া হাসপাতালে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) প্রস্তুত রয়েছে। হাসপাতালের আইসিইউ প্রধান মার মার্টিন বলেন, “আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা এর আগে কখনো হান্টাভাইরাস দেখিনি কিন্তু এটি একটি ভাইরাস মাত্র, যা আমরা প্রতিদিন মোকাবিলা করি। আমরা এর জন্য পুরোপুরি প্রশিক্ষিত।”

আবদিরাহমান মাহামুদ বলেন, “যথাযথ ‘কন্টাক্ট ট্রেসিং’ এবং আইসোলেশনের মাধ্যমে এই সংক্রমণের শৃঙ্খল ভেঙে দেওয়া সম্ভব। এটি বড় কোনো মহামারিতে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা নেই।”

অনেকের কাছেই প্রমোদতরী বা ক্রুজ ট্রিপ হলো স্বপ্নের মতো এক অবকাশ। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই বিলাসবহুল জাহাজগুলো অনেক সময় রোগজীবাণু ছড়ানোর প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়?

পশ্চিম আফ্রিকা উপকূলে একটি বিলাসবহুল প্রমোদতরীতে সন্দেহজনক হান্টাভাইরাস প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ফলে ১৭ জন আমেরিকানসহ ১৫০ জনেরও বেশি যাত্রীকে তাদের কেবিনে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

এই ভাইরাসটি প্রধানত লালার মাধ্যমে একজন থেকে অন্যজনে সংক্রমিত হয়। চুমুর মাধ্যমে এটি ছড়ানোর প্রবণতা বেশি বলে এমন নাম দেওয়া হয়েছে।

টিকা ব্যবস্থা কেন বিপর্যস্ত হয়েছিল? অন্তর্বর্তী সরকারের সময় টিকা দেওয়া হয়নি কেন? আসলেই কি হামে শিশু মৃত্যুর বর্তমান পরিস্থিতির জন্য সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার দায়ী? এ নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন ডা. আব্দুন নূর তুষার

গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৬ জন নতুন হাম-আক্রান্ত রোগীকে ভর্তি করানো হয়েছে। ভিডিও: মৃত্যুঞ্জয় রায়

চিকিৎসকদের মতে, হাম নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া। র্যাশ ওঠার জন্য অপেক্ষা করলে অনেক দেরি হয়ে যায়।

কুষ্টিয়ার আসাদুল্লাহ বলেন, “জ্বর নিয়ে এসেছিলাম, এখন দেখছি বাচ্চার শরীরে হামের লক্ষণ। সব রোগীকে এক জায়গায় রাখায় সুস্থ বাচ্চা আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছে। প্রতিটি রোগের জন্য আলাদা ওয়ার্ড করা জরুরি।”

কুষ্টিয়ার আসাদুল্লাহ বলেন, “জ্বর নিয়ে এসেছিলাম, এখন দেখছি বাচ্চার শরীরে হামের লক্ষণ। সব রোগীকে এক জায়গায় রাখায় সুস্থ বাচ্চা আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছে। প্রতিটি রোগের জন্য আলাদা ওয়ার্ড করা জরুরি।”