চরচা ডেস্ক

ভেনেজুয়েলা ও আমেরিকার দ্বন্দ্ব এখন তুঙ্গে। চলমান এই উত্তেজনার মধ্যেই আজ শনিবার স্থানীয় সময় ভোরে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটে ভেনেজুয়েলার রাজধানীর সামরিক ঘাঁটির কাছে।
শুরুতে এর উৎস বা কারণ বোঝা না গেলেও সংবাদমাধ্যম সিবিএসের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, ট্রাম্পের নির্দেশে এই হামলা হয়। এরপর ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালের এক পোস্টে দাবি করেন, তিনি এই হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে।
কিছুদিন আগেই ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার স্থলভাগে হামলার ঘোষণা দেন এবং পরে পুয়ের্তো রিকোতে মার্কিন সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি এবং এরই ধারাবাহিকতায় মার্কিন প্রশাসন মাদকবাহী অভিযোগে ভেনেজুয়েলার তেলের ট্যাঙ্কার জব্দ করে।
পরবর্তীকালে ভেনেজুয়েলা ও তার আঞ্চলিক মিত্ররা এই ঘটনাকে জলদস্যুতা বলেও আখ্যা দেয়। তবে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘‘ভেনেজুয়েলায় বড় আকারে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এ ছাড়া দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে বন্দী করে দেশ থেকে বাইরে নেওয়া হয়েছে।”
ট্রাম্পের অভিযোগ, আমেরিকায় মাদক ও অপরাধীদের অনুপ্রবেশে হাত রয়েছে ভেনেজুয়েলার। কয়েকমাস ধরে ট্রাম্প প্রশাসন ক্যারিবিয়ান সাগর ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌকাগুলোতে হামলা চালিয়ে আসছে, যাতে এ পর্যন্ত কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার কর্মকর্তাদের মতে, এই হামলাগুলো আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। মার্কিন কংগ্রেস এসব জলসীমায় কোনো সশস্ত্র সংঘাতের অনুমোদন না দিলেও, ‘নার্কো-টেররিস্ট’ বা মাদক-সন্ত্রাসীদের হাত থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষা করার অজুহাতে এই হামলাগুলোকে প্রয়োজনীয় হিসেবে দেখানো হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকেও একজন ‘নার্কো-ডিক্টেটর’ বা মাদক-স্বৈরশাসক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারে ভেনেজুয়েলার ভূমিকা অত্যন্ত নগণ্য বলছে সংবাদমাধ্যম দ্য কনভারসেশন।
এরপরও ভেনেজুয়েলার প্রতি আমেরিকা, তথা ট্রাম্পের এই আগ্রাসী মনোভাবের কারণ কী? তিনি কি ভেনেজুয়েলার তেল নিতে চাইছেন?
যুক্তরাষ্ট্রে কয়েক লাখ ভেনেজুয়েলান অভিবাসীর আগমনের জন্য মাদুরোকে দায়ী করেছেন ট্রাম্প।
২০১৩ সাল থেকে ভেনেজুয়েলার অর্থনৈতিক সংকট এবং দমন-পীড়ন থেকে বাঁচতে দেশটি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া প্রায় ৮০ লাখ মানুষের তালিকায় এই অভিবাসীরাও রয়েছেন।
কোনো প্রমাণ ছাড়াই ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, মাদুরো তার দেশের কারাগার ও মানসিক হাসপাতালগুলো খালি করে সেখানকার কয়েদিদের যুক্তরাষ্ট্রে চলে যেতে বাধ্য করছেন।
তবে এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে মাদুরো ও ভেনেজুয়েলার সরকার ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন ব্যক্তি বেশ কয়েকবার দাবি করেছেন, আমেরিকা মূলত ভেনেজুয়েলার তেলের রিজার্ভ দখল করতেই এ ধরনের অভিযোগ তুলছেন।
এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক ভিডিও প্রতিবেদনে দেখা যায়, ওয়াশিংটনে কিছু বিক্ষোভকারী ভেনেজুয়েলায় হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছে। তাদের দাবি ছিল, তেলের রিজার্ভের জন্য আর কোনো রক্ত ঝরবে না। ইরাক ও আফগানিস্তানে যা হয়েছে, তার পুনরাবৃত্তি ভেনেজুয়েলায় হবে না।

ভেনেজুয়েলা ও আমেরিকার দ্বন্দ্ব এখন তুঙ্গে। চলমান এই উত্তেজনার মধ্যেই আজ শনিবার স্থানীয় সময় ভোরে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটে ভেনেজুয়েলার রাজধানীর সামরিক ঘাঁটির কাছে।
শুরুতে এর উৎস বা কারণ বোঝা না গেলেও সংবাদমাধ্যম সিবিএসের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, ট্রাম্পের নির্দেশে এই হামলা হয়। এরপর ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালের এক পোস্টে দাবি করেন, তিনি এই হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে।
কিছুদিন আগেই ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার স্থলভাগে হামলার ঘোষণা দেন এবং পরে পুয়ের্তো রিকোতে মার্কিন সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি এবং এরই ধারাবাহিকতায় মার্কিন প্রশাসন মাদকবাহী অভিযোগে ভেনেজুয়েলার তেলের ট্যাঙ্কার জব্দ করে।
পরবর্তীকালে ভেনেজুয়েলা ও তার আঞ্চলিক মিত্ররা এই ঘটনাকে জলদস্যুতা বলেও আখ্যা দেয়। তবে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘‘ভেনেজুয়েলায় বড় আকারে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এ ছাড়া দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে বন্দী করে দেশ থেকে বাইরে নেওয়া হয়েছে।”
ট্রাম্পের অভিযোগ, আমেরিকায় মাদক ও অপরাধীদের অনুপ্রবেশে হাত রয়েছে ভেনেজুয়েলার। কয়েকমাস ধরে ট্রাম্প প্রশাসন ক্যারিবিয়ান সাগর ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌকাগুলোতে হামলা চালিয়ে আসছে, যাতে এ পর্যন্ত কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার কর্মকর্তাদের মতে, এই হামলাগুলো আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। মার্কিন কংগ্রেস এসব জলসীমায় কোনো সশস্ত্র সংঘাতের অনুমোদন না দিলেও, ‘নার্কো-টেররিস্ট’ বা মাদক-সন্ত্রাসীদের হাত থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষা করার অজুহাতে এই হামলাগুলোকে প্রয়োজনীয় হিসেবে দেখানো হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকেও একজন ‘নার্কো-ডিক্টেটর’ বা মাদক-স্বৈরশাসক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারে ভেনেজুয়েলার ভূমিকা অত্যন্ত নগণ্য বলছে সংবাদমাধ্যম দ্য কনভারসেশন।
এরপরও ভেনেজুয়েলার প্রতি আমেরিকা, তথা ট্রাম্পের এই আগ্রাসী মনোভাবের কারণ কী? তিনি কি ভেনেজুয়েলার তেল নিতে চাইছেন?
যুক্তরাষ্ট্রে কয়েক লাখ ভেনেজুয়েলান অভিবাসীর আগমনের জন্য মাদুরোকে দায়ী করেছেন ট্রাম্প।
২০১৩ সাল থেকে ভেনেজুয়েলার অর্থনৈতিক সংকট এবং দমন-পীড়ন থেকে বাঁচতে দেশটি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া প্রায় ৮০ লাখ মানুষের তালিকায় এই অভিবাসীরাও রয়েছেন।
কোনো প্রমাণ ছাড়াই ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, মাদুরো তার দেশের কারাগার ও মানসিক হাসপাতালগুলো খালি করে সেখানকার কয়েদিদের যুক্তরাষ্ট্রে চলে যেতে বাধ্য করছেন।
তবে এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে মাদুরো ও ভেনেজুয়েলার সরকার ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন ব্যক্তি বেশ কয়েকবার দাবি করেছেন, আমেরিকা মূলত ভেনেজুয়েলার তেলের রিজার্ভ দখল করতেই এ ধরনের অভিযোগ তুলছেন।
এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক ভিডিও প্রতিবেদনে দেখা যায়, ওয়াশিংটনে কিছু বিক্ষোভকারী ভেনেজুয়েলায় হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছে। তাদের দাবি ছিল, তেলের রিজার্ভের জন্য আর কোনো রক্ত ঝরবে না। ইরাক ও আফগানিস্তানে যা হয়েছে, তার পুনরাবৃত্তি ভেনেজুয়েলায় হবে না।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, তেলের বিশাল মজুত থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক অস্থিরতা, নিষেধাজ্ঞা এবং অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে দেশটিতে তেলের উৎপাদন বর্তমানে অনেক কম। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে উৎপাদন দৈনিক প্রায় ১ মিলিয়ন ব্যারেলে নেমে এসেছে, যা একসময় ৩.৫ মিলিয়ন ব্যারেল পর্যন্ত ছিল।