ডোনাল্ড ট্রাম্প

ট্রাম্পের দুই বিশেষ দূত মস্কোয়
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে আলোচনার জন্য মস্কোয় পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ। মস্কোর ভনুকোভো বিমানবন্দরে অবতরণের পর রুশ কূটনীতিক কিরিল দিমিত্রিয়েভ তাদের স্বাগত জানান।ট্রাম্পের এই দুই বিশেষ মস্কোয় বৈঠক করবেন। এরপর আগামীকাল রোববার তারা কিয়েভ

ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে ট্রাম্পের নতুন প্রস্তাব
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল শুক্রবার ঘোষণা করেছেন, তার দুই বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার ইউক্রেন সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা প্রস্তাব নিয়ে মস্কো ও কিয়েভ সফরে যাচ্ছেন। ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই কূটনৈতিক মিশনটি নিয়ে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

ট্রাম্পের ভেনেজুয়েলা তেল চুক্তি একটি অবাস্তব ও ত্রুটিপূর্ণ উদ্যোগ
ট্রাম্প প্রশাসন ও ভেনেজুয়েলার মধ্যকার প্রস্তাবিত তেল চুক্তিটিকে কঠোরভাবে পর্যালোচনা করেছে মার্কিন প্রভাবশালী সাময়িকী ফরেন পলিসি। পত্রিকাটির জিওইকোনমিক্স ও জ্বালানি বিষয়ক সিনিয়র স্টাফ রাইটার কিথ জনসন একে অবাস্তব ও ক্রুটিপূর্ণ উদ্যোগ বলে বর্ণনা করেছেন।

ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের আরব বন্ধু জোগাড়ে ব্যস্ত ট্রাম্প
ট্রাম্প প্রশাসন ইরান যুদ্ধের পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক কৌশল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি ব্যাপকভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়ন শুরু করেছে। মার্কিন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে আমেরিকান গণমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’ এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জানা গেছে, এই কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো ইরানক

‘ট্রাম্পিজম’ যেভাবে বিশ্ব ব্যবস্থা বদলে দিচ্ছে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে এমন কিছু আদর্শের দাপট দেখা গেছে, যেগুলো থেকেই অনেক বহুপাক্ষিক সংস্থা আর পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন একটি শক্তিশালী বিশ্বব্যবস্থার জন্ম হয়েছিল।

ইরানের পিকঅ্যাক্স পর্বতে ‘শিগগিরই’ হামলার হুমকি ট্রাম্পের
চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের পিকঅ্যাক্স পর্বত নামে পরিচিত একটি পারমাণবিক স্থাপনায় ‘শিগগিরই’ হামলার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জুলাইয়ের মাঝামাঝিও তিনি এই স্থাপনায় হামলার হুমকি দিয়েছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের হামলা পরপরই ইরানের পাল্টা আঘাত, কী বার্তা দিচ্ছে?
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সংঘাতকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ফের বেড়েছে। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি এ সংঘাতের শুরু। এরপর ছয় মাস পেরোলেও কার্যত কোনো সমাধান আসেনি। বেশ কয়েক দফায় যুদ্ধবিরতি হয়েছে, জুনে একটি সমঝোতা স্মারকে সইও করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে সেসব কিছুই টেকেনি।

ইরানকে হারানোর ক্ষমতা থাকলেও কেন তা করছে না যুক্তরাষ্ট্র!
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ছয় মাস আগে ইরানের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ শুরু করেছিল, তা মূলত একটি দুর্বল শত্রুর বিরুদ্ধে একটি দ্রুত গতির অভিযান হিসেবে পরিকল্পিত হয়েছিল। জানা যায়, এই অভিযানের পেছনে প্রাথমিক অনুঘটক ছিল ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ইরান জুড়ে শুরু হওয়া তীব্র অসন্তোষ ও জনবিক্ষোভ। সেই ঘটনা ইসরায়েল ও

বোয়িং কেনায় ধন্যবাদ, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিগগির সাক্ষাতের আশা ট্রাম্পের
শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো এক চিঠিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই প্রত্যাশার কথা জানান বলে খবর দিয়েছে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস।

ইরানে ক্ষমতার দ্বন্দ্বই কি যুদ্ধ অবসানে বড় বাধা?
প্রায় চার দশকেরও বেশি আগে ইরাকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়েছিল ইরান। সে সময় একের পর এক ধাক্কা খাচ্ছিল তেহরান। একসময় হাজার হাজার তরুণ ইরানি সেনা হঠাৎ বড় ধরনের হামলা চালিয়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি বদলে দেয়।

লেক অন্টারিওর নাম বদলে ‘লেক আমেরিকা’ করলেন ট্রাম্প
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তে অবস্থিত লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তন করে ‘লেক আমেরিকা’ করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কানাডার সঙ্গে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নিলেন ট্রাম্প।

ইরানের অর্থনীতিকে গলা টিপে ধরতে চাইছেন ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও আমেরিকার যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ হয়েছে? মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কি কাটল? এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার আগেই ঘোষণা এল, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা ‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’ হিসেবে পরিচিত। এই জোটেল লক্ষ্য কী?

আমেরিকার অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় নতি স্বীকার করবে তেহরান?
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক চাপ এবার নতুন এক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। সামরিক অভিযান ও কূটনৈতিক উদ্যোগ প্রত্যাশিত ফল না দেওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন আবার অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাকে সামনে এনেছে। তবে এবারের কৌশল আগের চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত। লক্ষ্য শুধু ইরান নয়...

ইরানকে জব্দ করতে চীনই ভরসা ট্রাম্পের
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক চাপ এবার নতুন এক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। সামরিক অভিযান ও কূটনৈতিক উদ্যোগ প্রত্যাশিত ফল না দেওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন আবার অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাকে সামনে এনেছে। তবে এবারের কৌশল আগের চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত। লক্ষ্য শুধু ইরান নয়; ত

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধের অঙ্গীকার ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর ইরানের অর্থমন্ত্রী আলি মাদানিজাদেহ বলেছেন, ইরান পাল্টা ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংঘাত বন্ধে আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’: পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভি এক্সে এক পোস্টে বলেন, “ইরানের প্রেসিডেন্ট তার সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি খোলাখুলিভাবে তুলে ধরেছেন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের মধ্যে অত্যন্ত গঠনমূলক মতবিনিময় হয়েছে।”

২ লাখ আশ্রয়প্রার্থীর ভিসা বাতিল করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
বাণিজ্য ও পর্যটন ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আশ্রয় চেয়ে আবেদন করা অন্তত দুই লাখ আশ্রয়প্রার্থীর ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ পরিকল্পনা কার্যকর করা হবে বলে জানা গেছে।

ইরানের জন্য আমেরিকার কোনো ট্রাম্প কার্ড নেই
ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন যেসব প্রাথমিক লক্ষ্য নিয়ে এই অভিযান শুরু করেছিল—যেমন ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন, দেশটির দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা—তার একটিও অর্জন করা সম্ভব হয়নি

কৌশলের ব্যর্থতা যেভাবে কোনো বাহিনীকে পরাস্ত করে
ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন যেসব প্রাথমিক লক্ষ্য নিয়ে এই অভিযান শুরু করেছিল—যেমন ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন, দেশটির দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা—তার একটিও অর্জন করা সম্ভব হয়নি।

তুরস্কে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল?
ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ওয়াশিংটনের কাছ থেকে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত ছাড় আদায় করতে চাইছে। লক্ষ্য একটাই—যুক্তরাষ্ট্রকে আবার জুনের সেই সমঝোতার টেবিলে ফিরিয়ে আনা। শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণ।



