Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

ডেঙ্গু: লক্ষণ, কারণ, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৬, ২০: ১২
ডেঙ্গু: লক্ষণ, কারণ, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই দেশে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলমান বর্ষা মৌসুমে এ রোগের প্রকোপ বাড়তে পারে। তারা স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ যেমন, তেমনি ডেঙ্গু বিষয়ে সাধারণ মানুষের সচেতনতার ওপরও জোর দিচ্ছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্রথমেই একটু তথ্যের দিকে নজর দেওয়া যাক। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০ ছাড়িয়েছে। আর আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়িয়েছে আগেই।

এ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন চরচাকে বলেন, “প্রবণতা বলছে আগামী ১ মাসের মধ্যে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়বে। ফলে এখনই সতর্ক হওয়া দরকার। বিশেষত সেকেন্ডারি হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত করা এবং বিনামূল্যে ডেঙ্গু টেস্ট কিট তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সতর্ক হতে হবে। জ্বর হলেই ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে দ্রুত।”

ডেঙ্গুর এই প্রকোপের সময় বিশেষজ্ঞরা যে সতর্কতার কথা বলছেন, তা আসলে কী? এ বিষয়ে সতর্ক ও সচেতন হতে হলে জানা প্রয়োজন ডেঙ্গুর লক্ষণ, কারণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার সম্পর্কে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ডেঙ্গু জ্বর

ডেঙ্গু হলো ডেঙ্গু ভাইরাস (DENV) দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ। এডিস মশা এই ভাইরাসের বাহক। এর কামড়ে ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গ দেখা দেয়। ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী এডিস মশা কোনো ব্যক্তিকে কামড়ালে ওই ব্যক্তি চার থেকে ছয়দিনের মধ্যে এ জ্বরে আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত ব্যক্তিকে এই সময়ে জীবাণুবিহীন এডিস মশা কামড়ালে সেই মশাটি ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশায় পরিণত হয়। এভাবে মশার মাধ্যমে একজন থেকে অন্যজনে ডেঙ্গু ছড়ায়।

ডেঙ্গু জ্বর কখন হয়

সাধারণত মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি থাকে। বিশেষ করে বর্ষার সময়ে। তবে গত কয়েক বছর ধরে সারা বছরই ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ দেখা গেছে।

পুরানো টায়ার, লন্ড্রি ট্যাংক, ঢাকনাবিহীন চৌবাচ্চা, ড্রাম, পোষা প্রাণীর পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনে ফেলে রাখা বোতল ও টিনের ক্যান, বাঁশ, দেয়ালে ঝুলে থাকা বোতল, পুরনো জুতা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত খেলনা, ছাদে, বাগান পরিচর্যার জিনিসপত্র, ইটের গর্ত ও অপরিচ্ছন্ন সুইমিং পুলে এডিস মশা জন্ম নেয়। এরা স্বচ্ছ পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এডিস মশার প্রজননের জন্য এখন আর শুধু স্বচ্ছ পানির প্রয়োজন নেই। জমে থাকা পানি পেলেই এই মশা ডিম পাড়ে।

জমে থাকা পানি পেলেই এডিস মশা ডিম পাড়ে। ছবি: রয়টার্স
জমে থাকা পানি পেলেই এডিস মশা ডিম পাড়ে। ছবি: রয়টার্স

এ বিষয়ে ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, “এডিস মশার ডিম পানির প্রান্তদেশে থাকে। ফলে এই বর্ষা মৌসুমে খুঁজে খুঁজে জমে থাকা পানি অপসারণ করতে হবে। যেহেতু একটা বড় ধরনের জলাবদ্ধতা গেছে, সেহেতু বহু স্থানে ডাবের খোসা থেকে শুরু করে ভাঙা বোতল বা পাত্রে পানি জমে থাকতে পারে। এগুলো পরিষ্কার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না। সবাইকে নিজ জায়গা থেকেই ভূমিকা নিতে হবে।”

তাই ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতার অংশ হিসেবে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থান, ডাবের খোল, ক্যান, টায়ার, ফুলের টবে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করতে হবে।

লক্ষণ

ডেঙ্গুর প্রধান লক্ষণ জ্বর। আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি থাকে। শরীরের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠতে পারে। এর সঙ্গে দেখা দিতে পারে বমি, মাথাব্যথা ও শরীরের অন্যান্য অংশে ব্যথা। ৪-৫ দিন পর শরীরে র‍্যাশ বের হয়। ডেঙ্গু জ্বর শরীরকে অনেক বেশি দুর্বল করে দেয়।

ডেঙ্গুর হিমোরোজিক ফিভারের কারণে অনেক সময় রক্তক্ষরণও হয়। কারো নাক দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়। এ ছাড়া দাঁত ব্রাশ করলে রক্তক্ষরণ হতে পারে। অনেক সময় প্রস্রাব-পায়খানার সঙ্গেও রক্ত যেতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রে পিরিয়ডকালীন রক্তক্ষরণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় হয়। এ ছাড়া খাবারে অরুচিসহ আরও কিছু উপসর্গ ও লক্ষণ থাকে।

প্রতিরোধই সবচেয়ে বড় অস্ত্র

ডেঙ্গু এখন রোজকার ঝুঁকি হয়ে উঠেছে। বিশেষত শিশুসহ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের অবশ্যই এ ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধের দিকে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। এজন্য—

  • ঘরে মশারি ব্যবহার করুন
  • বাসা ও এর আশপাশ পরিষ্কার রাখুন
  • ঘর এবং এর আশপাশে জমে থাকা দ্রুত সরিয়ে ফেলুন।
  • খেয়াল রাখুন ফুলের টব, প্লাস্টিক, পরিত্যক্ত টায়ার, এসি ট্রে— এসব জায়গায় যেন পানি না জমে। জমে থাকা পানি দেখলেই দ্রুত পরিষ্কার করুন।
  • প্রতি সপ্তাহে একদিন ‘ঝাড়ু দিবস’ পালন করুন।

মনে রাখবেন–হৃদরোগীদের জন্য ডেঙ্গু কখনো কখনো প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। তবে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা, পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকলে এ ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। সবচেয়ে বড় কথা, সচেতন থাকলেই রক্ষা পাওয়া যায়। ডেঙ্গুতে ভয় নয়— সতর্কতাই হোক বাঁচার পথ।

প্রতিকার

শত সতর্কতার পরও ডেঙ্গুতে কেউ আক্রান্ত হতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিলে এটি প্রাণঘাতি হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে ঘরোয়াভাবে চিকিৎসা নেওয়া যেতে পারে। পরিস্থিতি বাজে আকার নিলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।

ডেঙ্গুতে আরও দুজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯০dengue

ঘরোয়া চিকিৎসা

  • সম্পূর্ণ ভালো না হওয়া পর্যন্ত বিশ্রামে থাকতে হবে। বিশ্রাম ছাড়া ডেঙ্গু থেকে পরিত্রাণ পাওয়া অসম্ভব।
  • জ্বর হলে খাবারে অরুচি হওয়াটা স্বাভাবিক। এই সময়টাতে প্রচুর পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার খেতে হবে। যেমন: ডাবের পানি, ফলের জুস, লেবুর শরবত, খাবার স্যালাইন। স্ট্রিট ফুড বা জাঙ্কফুড এড়িয়ে চলতে হবে।
  • সংক্রমণ প্রতিরোধে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে। মশারির বাইরে বের হলে ফুল হাতা পোশাক পরতে হবে। মোট কথা মশার কামড় থেকে ডেঙ্গু রোগী ও অন্যদেরও বাঁচাতে হবে, যাতে ভাইরাসটির সংক্রমণ ঠেকানো যায়।
হাসপাতাল কিংবা ঘর- যেখানেই থাকা হোক না কেন, সংক্রমণ প্রতিরোধে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে। ছবি: রয়টার্স
হাসপাতাল কিংবা ঘর- যেখানেই থাকা হোক না কেন, সংক্রমণ প্রতিরোধে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে। ছবি: রয়টার্স

এ সময় করণীয়

  • জ্বর কমানোর জন্য ভেজা কাপড় দিয়ে গা মোছাতে হবে। জ্বর ছাড়ার ৪ থেকে ৫ দিনের মাথায় শরীরে র‍্যাশ, এলার্জি বা ঘামাচির মতো হতে পারে। জ্বর কমার ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র পেট ব্যথা, ক্রমাগত বমি, নাক বা দাঁতের মাড়িতে রক্তক্ষরণ, যকৃত বড় হয়ে গেলে, মল কালো হলে কিংবা প্রস্রাব কমে গেলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।
  • ডেঙ্গু জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধই যথেষ্ট। কিন্তু যারা হার্ট এবং কিডনি-সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছেন, তাদের প্যারাসিটামল খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
  • ডেঙ্গুতে অনেকেই প্ল্যাটিলেটের হিসাব নিয়ে চিন্তা থাকেন। প্ল্যাটিলেট নিয়ে খুব বেশি চিন্তা না করে তা চিকিৎসকের ওপর ছেড়ে দিতে হবে।

কখন হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়?

ডেঙ্গু জ্বরের তিনটি ভাগ রয়েছে। এ ভাগগুলো হচ্ছে–এ, বি এবং সি। প্রথম ক্যাটাগরির রোগীরা স্বাভাবিক থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। তাদের হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই।

বি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীদের সবই স্বাভাবিক থাকে। শুধু শরীরে কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। যেমন: পেট ব্যথা, বমি ইত্যাদি। আবার দুদিন জ্বরের পর শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াই ভালো। আর সি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু জ্বর সবচেয়ে খারাপ। এ ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউর প্রয়োজন পর্যন্ত হতে পারে।

বিষয়: ঝুঁকিলাইফস্টাইলস্বাস্থ্যঝুঁকিপ্রতিরোধহৃদরোগজীবনধারাকিডনিচিকিৎসাডায়াবেটিসচিকিৎসকস্বাস্থ্যবিধিহাসপাতালস্বাস্থ্য টিপসউপসর্গডেঙ্গুএডিস মশা
সর্বশেষ
  • ১

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ২

    তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক ১ হাজার ৪০ কোটি টাকা তুলেছেন

  • ৩

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

  • ৪

    বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মী নেবে ওমান: শামা ওবায়েদ

  • ৫

    হামের নজিরবিহীন প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ: রয়টার্স

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।