Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

মিষ্টি খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা নিয়ন্ত্রণ করার ৩টি সহজ উপায়

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১৬: ১৮
মিষ্টি খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা নিয়ন্ত্রণ করার ৩টি সহজ উপায়
হরেক রকমের মিষ্টি। ছবি: কোলাজ

মিষ্টি খেতে যারা পছন্দ করেন তাদের এটি খাওয়ার জন্য কোনো উপলক্ষের প্রয়োজন হয় না। অনেক সময় মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়ার প্রতি আকর্ষণ, যাকে সুইট ক্রেভিং বলে তা—নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এসব খাবার সাময়িকভাবে তৃপ্তি দিলেও অতিরিক্ত চিনি শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। নিয়মিত বেশি চিনি খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি টাইপ–২ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

সুস্থ থাকার জন্য সুইট ক্রেভিং নিয়ন্ত্রণ করা বেশ জরুরি। মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা মেটাতে এবং একই সাথে আপনার শরীরকে সতেজ রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে ৩টি সহজ উপায় বেশ কার্যকর হতে পারে।

প্রতিরোধ

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মিষ্টি খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো শুরুতেই তা যথাসম্ভব এড়িয়ে চলা। তবে এটি বলা যত সহজ করা ততটা সহজ নয়।

সারাদিন পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে শরীরকে পরিতৃপ্ত রাখলে মিষ্টি বা ফাস্টফুড খাওয়ার প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা কমে যেতে পারে। তাই প্রতিদিনের খাবারে প্রোটিন, হোলগ্রেইন ও শাকসবজি রাখা উচিত।

খাবারের মাঝখানে ক্ষুধা লাগলে মিষ্টির বদলে স্বাস্থ্যকর নাস্তা খেতে পারেন। যেমন– ভাজা ছোলা, বাদাম ও বীজ এবং টক দই ও ফল।

এ ছাড়া পর্যাপ্ত পানি পান করাও জরুরি। কারণ অনেক সময় আমরা তৃষ্ণাকে ক্ষুধা ভেবে ভুল করি। তাই কিছু খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। তারপর ক্ষুধা লাগলে পুষ্টিকর খাবার খান।

বিকল্প খাবার বেছে নেওয়া

সব মিষ্টি খাবার শরীরের জন্য সমান ক্ষতিকর নয়। তবে পরিশোধিত চিনি দিয়ে তৈরি ক্যান্ডি, কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা ভালো। এর মানে এই নয় যে মিষ্টি স্বাদের কোনো খাবারই খাওয়া যাবে না। মিষ্টি কিছু খেতে ইচ্ছা করলে অস্বাস্থ্যকর খাবারের বদলে স্বাস্থ্যকর কিছু বেছে নিতে পারেন।

বেরি

স্ট্রবেরি ও কলার মতো বেরি ফল প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। স্ট্রবেরিতে চিনির পরিমাণ তুলনামূলক কম। কলায় একটু বেশি চিনি থাকলেও ডায়াবেটিস না থাকলে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। এগুলোতে ফাইবার, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। তাই মিষ্টি খেতে ইচ্ছা করলে এক স্ট্রবেরি বা মাঝারি আকারের কলা খেতে পারেন।

ডার্ক চকলেট

চকলেট খাওয়ার ইচ্ছা হলে মিল্ক চকলেটের বদলে এক বা দুই টুকরো ডার্ক চকলেট খেতে পারেন। ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ম্যাগনেসিয়াম পেতে ৭০ শতাংশের বেশি কোকোযুক্ত ডার্ক চকলেট বেছে নিন। তবে এতে চিনি ও চর্বিও থাকতে পারে। তাই বেশি না খেয়ে এক বা দুই টুকরোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকাই ভালো।

এই খাবারগুলো মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা কমাতে পারে। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
এই খাবারগুলো মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা কমাতে পারে। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

খেজুর

শরীর সুস্থ রাখতে সবারই প্রতিদিন অন্তত দুইটি খেজুর খাওয়া উচিত। এতে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা শরীরকে দ্রুত শক্তি দেয়। অন্যদিকে এর ফাইবার শরীরে শর্করার মাত্রা হুট করে বাড়তে দেয় না। ফলে কৃত্রিম চিনির প্রতি আসক্তি ও মিষ্টি খাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা কমে।

দই

চিনি ছাড়া দই স্বাস্থ্যকর মিষ্টি খাবারের ভালো বিকল্প। এতে প্রোবায়োটিক, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে। ভিন্ন স্বাদ আনতে চাইলে এই দইয়ের সঙ্গে এক টেবিল চামচ চিনি ছাড়া কোকো পাউডার মিশিয়ে নিতে পারেন। এর সঙ্গে ফল, চিয়া বীজ বা বাদাম যোগ করা যেতে পারে। আরও মিষ্টি স্বাদ চাইলে অল্প মধু ও যোগ করতে পারেন।

মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি এবং এতে ফাইবার, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ রয়েছে। তাই এটি মিষ্টি খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা কমাতে সাহায্য করতে পারে। স্বাস্থ্যকরভাবে খাওয়ার জন্য, একটি মিষ্টি আলু বেক করে তার ওপর সামান্য সূর্যমুখী তেল, দারুচিনি ও জায়ফল ছড়িয়ে খেতে পারেন।

নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া

মাঝে মাঝে পছন্দের মিষ্টি খাবার খাওয়া যেতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, যেন তা পরিমাণে বেশি না হয়। নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু পরামর্শ মেনে চলা যেতে পারে—

অল্প পরিমাণে খাওয়া

বেশি না খেয়ে অল্প পরিমাণ খান। যেমন, রেস্টুরেন্টে গেলে বন্ধুর সঙ্গে ডেজার্ট ভাগ করে খেতে পারেন। এমনকি শুধু এক কামড় খেয়েও স্বাদ নিতে পারেন। যত কম পরিমাণে খাবেন, তত কম চিনি গ্রহণ করা হবে।

বাড়িতে মিষ্টি খাবার না রাখা

হাতের কাছে মিষ্টি বা পছন্দের খাবার থাকলে বারবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। তাই বাড়িতে এসব খাবার জমা না রাখাই ভালো। যেমন– ক্যান্ডি, কুকিজ বা কোমল পানীয় খেতে চাইলে তা খাওয়ার জন্য যদি বাইরে যেতে হয় তাহলে অলসতা কাজ করবে। ফলে বারবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যাবে।

ধীরে ধীরে খাওয়ার বিরতি বাড়ানো

আপনি যদি প্রতিদিন রাতে পছন্দের কোনো মিষ্টি খাবার খান, তাহলে সেই অভ্যাস কমিয়ে আনার চেষ্টা করুন, প্রথমে একদিন পরপর খাওয়ার অভ্যাস করুন। এরপর দুই রাত পরপর এবং ধীরে ধীরে সপ্তাহে একবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। এভাবে ধীরে ধীরে বিরতি বাড়াতে থাকুন, যতদিন না আপনি কম পরিমাণে এসব খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারছেন।

বিষয়: ফলডায়াবেটিসখাবারজীবনধারাহৃদরোগখেজুরের উপকারিতাসুস্থ জীবনস্বাস্থ্য টিপসলাইফস্টাইলখেজুরস্বাস্থ্যখাবারদাবার
সর্বশেষ
  • ১

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ২

    তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক ১ হাজার ৪০ কোটি টাকা তুলেছেন

  • ৩

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

  • ৪

    বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মী নেবে ওমান: শামা ওবায়েদ

  • ৫

    হামের নজিরবিহীন প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ: রয়টার্স

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।