
দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। তবে টুর্নামেন্টে অংশ নিলেও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্ধারিত ম্যাচে মাঠে না নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত অংশ নেবে কি না, তা জানতে এখন অপেক্ষা করতে হবে আগামী কয়েক দিন। তবে এরই মধ্যে তারা দল ঘোষণা করে ফেলেছে।

ভারতে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না বাংলাদেশ। এ ব্যাপারে অনড় অবস্থানেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বাংলাদেশ সরকারের অবস্থানও পরিস্কার—কোনোভাবেই ভারতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে পাঠানো হবে না। ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের মন্তব্যেও ব্যাপারটি পরিষ্কার।

বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নিলে পাকিস্তানও একই পথে হাঁটবে—সরকারি সূত্রের বরাতে পাকিস্তানের টেলিভিশন চ্যানেল জিও সুপার এমন খবরই দিয়েছে। চ্যানেলটির দাবি, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এ মুহূর্তে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আইসিসির বৈঠকগুলোর দিকে নজর রাখছে। এ ব্যাপারে

জিও নিউজের প্রতিবেদন
২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো নিজেদের মাটিতে আয়োজন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। পিসিবির একটি সূত্রের বরাতে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়।

নতুন খবরের জন্ম দিয়েছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাকিস্তানকে হারিয়ে শিরোপা জেতার পর এক্সে তিনি ‘অপারেশন সিদুঁর’ এর প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন।

সূর্যকুমার এরপর যেটি বলেছেন, তার সারসংক্ষেপ হলো, একটা ক্রিকেট ম্যাচকে দ্বৈরথ তখনই বলা যায়, যখন সেটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ থাকে। প্রতিদ্বন্দ্বিতার রোমাঞ্চ থাকে। কিন্তু যে লড়াইয়ে এক প্রতিপক্ষ শুধু জিততেই থাকে, সেটিকে কি দ্বৈরথ বলা ঠিক?

আপনি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবেন একটি দেশের বিরুদ্ধে, সে দেশের মাটিতে খেলবেন না, তাদের খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাত মেলাবেন না, সেই দেশের কারও হাত থেকে পুরস্কার নেবেন না, এসব খেলার চেতনার পুরোপুরি বিরোধী। ভারতের বিরুদ্ধে এ ধরনের সমালোচনা বহু পুরোনো।