চরচা প্রতিবেদক

১৩৭ রানের ম্যারাথন ইনিংস খেলেও তৃতীয় দিনের শেষ বিকেলে আউট হওয়ার পর কেন মেজাজ হারিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। সেটি হয়তো পরদিন সকাল পর্যন্ত ব্যাটিং করতে না পারার হতাশা থেকেই। চতুর্থ দিনে পাকিস্তানের ব্যাটিং দেখে পরিষ্কার, উইকেট এখনো ব্যাটিংয়ের জন্য খুব ভালো। এতটাই ভালো যে ইতিহাস গড়ে সিলেট টেস্ট জয়ের স্বপ্নও দেখতে শুরু করেছে পাকিস্তান। পথটা কিছুটা কঠিন হয়ে গেলেও মোহাম্মদ রিজওয়ানের লড়াকু ইনিংস ম্যাচ গড়িয়েছে পঞ্চম দিনে।
টেস্ট ক্রিকেটে দিনের শুরুতে ব্যাটিং করা দলই উইকেটে রোলার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ দল এবং মুশফিক আগের দিন শেষ উইকেটে ধীরগতিতে ব্যাট করেছেন সেই সুবিধা নিজেদের পক্ষে রাখতে। পরিকল্পনা ছিল, সকালে হালকা রোলিং করিয়ে কিছুটা ফাটল অক্ষত রাখা। কিন্তু পাকিস্তান সেই সুযোগ পেয়ে যাওয়ায় ফ্ল্যাট উইকেটে ভারী রোলার ব্যবহার করে। ফলে যা হওয়ার তাই হয়েছে, বোলারদের জন্য উইকেটে বলতে গেলে কোনো সাহায্যই ছিল না।

তবুও চা-বিরতির আগেই পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের বোলাররা জয়ের আশা জাগিয়েছিলেন। কিন্তু রিজওয়ান ও সালমান আগা মিলে প্রচণ্ড গরম আর নিষ্প্রাণ উইকেটে বোলারদের কঠিন পরীক্ষাই নিয়েছেন। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে তারা কয়েকবার রান-আউট হতে হতে বেঁচে যান। লিটন দাসের সঙ্গে একবার তর্কেও জড়িয়ে পড়েন রিজওয়ান, যা কিছু সময়ের জন্য তার মনোযোগও নাড়িয়ে দিয়েছিল।
তবে সেট হয়ে যাওয়ার পর দুজনই ক্রমেই বাংলাদেশের জন্য বিপদের কারণ হয়ে ওঠেন। দ্রুত রানও তুলছিলেন তারা। অসম্ভব এক জয়ও তখন পাকিস্তানের জন্য খুব সম্ভব মনে হচ্ছিল। ১৩৪ রানের জুটিটা ভাঙতে দরকার ছিল বিশেষ কিছু। আর নতুন বলে সেই সাফল্য এনে দেন তাইজুল ইসলাম। সোজা ডেলিভারিতে ড্রিফট কাজে লাগিয়ে ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলে ৭১ রান করা সালমানকে বোল্ড করেন বাঁহাতি এই স্পিনার।
এর পর মাত্র ছয় বল টিকতে পারেন হাসান আলি। তিনিও হন তাইজুলের শিকার। তবে তাতেও দমে যায়নি পাকিস্তান। সাজিদ খানকে (৮*) সঙ্গে নিয়ে ম্যাচ পঞ্চম দিনে টেনে নিয়েছেন রিজওয়ান (৭৫*)। শেষ দিনে তিন উইকেট হাতে রেখে পাকিস্তানের জয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ১২১ রান। ঢাকার মতো সিলেটে কি জয় তুলে নেবে বাংলাদেশ, নাকি তবে অপেক্ষা করছে রোমাঞ্চকর এক সমাপ্তি।
পঞ্চমদিন সকালেই পরিস্কার হয়ে যাবে অনেক কিছু!

১৩৭ রানের ম্যারাথন ইনিংস খেলেও তৃতীয় দিনের শেষ বিকেলে আউট হওয়ার পর কেন মেজাজ হারিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। সেটি হয়তো পরদিন সকাল পর্যন্ত ব্যাটিং করতে না পারার হতাশা থেকেই। চতুর্থ দিনে পাকিস্তানের ব্যাটিং দেখে পরিষ্কার, উইকেট এখনো ব্যাটিংয়ের জন্য খুব ভালো। এতটাই ভালো যে ইতিহাস গড়ে সিলেট টেস্ট জয়ের স্বপ্নও দেখতে শুরু করেছে পাকিস্তান। পথটা কিছুটা কঠিন হয়ে গেলেও মোহাম্মদ রিজওয়ানের লড়াকু ইনিংস ম্যাচ গড়িয়েছে পঞ্চম দিনে।
টেস্ট ক্রিকেটে দিনের শুরুতে ব্যাটিং করা দলই উইকেটে রোলার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ দল এবং মুশফিক আগের দিন শেষ উইকেটে ধীরগতিতে ব্যাট করেছেন সেই সুবিধা নিজেদের পক্ষে রাখতে। পরিকল্পনা ছিল, সকালে হালকা রোলিং করিয়ে কিছুটা ফাটল অক্ষত রাখা। কিন্তু পাকিস্তান সেই সুযোগ পেয়ে যাওয়ায় ফ্ল্যাট উইকেটে ভারী রোলার ব্যবহার করে। ফলে যা হওয়ার তাই হয়েছে, বোলারদের জন্য উইকেটে বলতে গেলে কোনো সাহায্যই ছিল না।

তবুও চা-বিরতির আগেই পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের বোলাররা জয়ের আশা জাগিয়েছিলেন। কিন্তু রিজওয়ান ও সালমান আগা মিলে প্রচণ্ড গরম আর নিষ্প্রাণ উইকেটে বোলারদের কঠিন পরীক্ষাই নিয়েছেন। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে তারা কয়েকবার রান-আউট হতে হতে বেঁচে যান। লিটন দাসের সঙ্গে একবার তর্কেও জড়িয়ে পড়েন রিজওয়ান, যা কিছু সময়ের জন্য তার মনোযোগও নাড়িয়ে দিয়েছিল।
তবে সেট হয়ে যাওয়ার পর দুজনই ক্রমেই বাংলাদেশের জন্য বিপদের কারণ হয়ে ওঠেন। দ্রুত রানও তুলছিলেন তারা। অসম্ভব এক জয়ও তখন পাকিস্তানের জন্য খুব সম্ভব মনে হচ্ছিল। ১৩৪ রানের জুটিটা ভাঙতে দরকার ছিল বিশেষ কিছু। আর নতুন বলে সেই সাফল্য এনে দেন তাইজুল ইসলাম। সোজা ডেলিভারিতে ড্রিফট কাজে লাগিয়ে ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলে ৭১ রান করা সালমানকে বোল্ড করেন বাঁহাতি এই স্পিনার।
এর পর মাত্র ছয় বল টিকতে পারেন হাসান আলি। তিনিও হন তাইজুলের শিকার। তবে তাতেও দমে যায়নি পাকিস্তান। সাজিদ খানকে (৮*) সঙ্গে নিয়ে ম্যাচ পঞ্চম দিনে টেনে নিয়েছেন রিজওয়ান (৭৫*)। শেষ দিনে তিন উইকেট হাতে রেখে পাকিস্তানের জয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ১২১ রান। ঢাকার মতো সিলেটে কি জয় তুলে নেবে বাংলাদেশ, নাকি তবে অপেক্ষা করছে রোমাঞ্চকর এক সমাপ্তি।
পঞ্চমদিন সকালেই পরিস্কার হয়ে যাবে অনেক কিছু!