চরচা প্রতিবেদক

খালি চোখে দেখলে পাকিস্তানের ইনিংসের ৪২তম ওভারটিতে বিশেষ কিছু নেই। একজন পেসার বল করেছেন, খরচ ছয় রান। কিন্তু বোলারের নাম যখন নাহিদ রানা, তখন সবকিছু ছাপিয়ে গতিই হয়ে ওঠে আলোচনার বিষয়।
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের একজন বোলারের তিনটি বলের গতি ঘণ্টায় ১৪৮; ১৪৯ ও ১৫০ কিলোমিটার বেগে–এমন দৃশ্য বছর তিনেক আগেও ছিল যেন ‘অলীক কল্পনা’! আজ সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ক্রমেই বাংলাদেশের ক্রিকেটের নতুন বিজ্ঞাপন হয়ে ওঠা নাহিদ সেটাই করে দেখিয়েছেন।
ঢাকা টেস্টেই নিজেকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন নাহিদ। ম্যাচের শেষ দিনের শেষ সেশনে উপহার দিয়েছেন নিজের সেরা স্পেল। গতি দিয়ে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপ এলোমেলো করার পাশাপাশি রিভার্স সুইং দিয়েও চমকে দিয়েছেন ক্রিকেট বিশ্বকে। দলে আরও চারজন বোলার থাকলেও নাহিদের বোলিং মানেই যেন এখন বিশেষ এক আয়োজন। সিলেটও এবার তার সাক্ষী হয়েছে।
এক্সপ্রেস গতির বোলারদের বড় একটি গুণ হচ্ছে, তারা দর্শক টানতে পারেন। শুধু তাদের বোলিং দেখার জন্যই মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে। পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা অবশ্য সেই দলে নেই। টানা দ্বিতীয় টেস্টে তারা যে নাহিদের সামনে রীতিমতো অসহায়! বাবর আজমই যেমন, এই নিয়ে টেস্টে তিনবার আউট হলেন তরুণ এই পেসারের বলে।
তবে নাহিদ বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের আবেগে ভাসিয়েছেন পরের ওভারটিতে। প্রথম বলটি ছিল ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার বেগে, যা নাহিদের ক্ষেত্রে প্রায় সাধারণ ব্যাপার। তবে পরের পাঁচটি বল করেছেন যথাক্রমে ১৪৪, ১৫০.২, ১৪১, ১৪৯.১ ও ১৪৮.৫ কিলোমিটার বেগে। একটি বলে বাউন্ডারি হজম করেছেন বটে, তবে গতির রাজ্যে এমনটা তো নিত্যসঙ্গী।

প্রথম টেস্টে একটি ডেলিভারিতে ঘণ্টায় ১৫১ কিলোমিটার বেগ স্পর্শ করেছিলেন নাহিদ। তবে একটি ওভারের অর্ধেকের বেশি বল যখন প্রায় ১৫০ ছুঁইছুঁই হয়ে যায়, সেটা বাংলাদেশের ক্রিকেটে স্বপ্নের মতোই।
নাহিদের কারণেই তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলামদের বোলিংও এখন অনেক সময় সাদামাটা মনে হয়। অমন গতি নেই যে! অথচ যুগের পর যুগ বাংলাদেশের পেসাররা তাদের গতিতেই বোলিং করে গেছেন। কেউ ঘণ্টায় ১৪০ কি.মি. বেগে বল করলেই উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছে সবাই। নাহিদ সেই গল্পটা বদলে দিয়েছেন।
বাংলাদেশ ২৬ বছর ধরে টেস্ট ক্রিকেট খেলছে, কিন্তু নাহিদ যেন একজনই। এ দেশের একজন পেসারের গতিময় বোলিং দেখার জন্য যখন ইমরান খান, ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনিস, শোয়েব আখতারদের দেশ পাকিস্তানের মানুষও অপেক্ষা করে, তখন এর চেয়ে বড় বিজ্ঞাপন আর কী হতে পারে!

খালি চোখে দেখলে পাকিস্তানের ইনিংসের ৪২তম ওভারটিতে বিশেষ কিছু নেই। একজন পেসার বল করেছেন, খরচ ছয় রান। কিন্তু বোলারের নাম যখন নাহিদ রানা, তখন সবকিছু ছাপিয়ে গতিই হয়ে ওঠে আলোচনার বিষয়।
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের একজন বোলারের তিনটি বলের গতি ঘণ্টায় ১৪৮; ১৪৯ ও ১৫০ কিলোমিটার বেগে–এমন দৃশ্য বছর তিনেক আগেও ছিল যেন ‘অলীক কল্পনা’! আজ সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ক্রমেই বাংলাদেশের ক্রিকেটের নতুন বিজ্ঞাপন হয়ে ওঠা নাহিদ সেটাই করে দেখিয়েছেন।
ঢাকা টেস্টেই নিজেকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন নাহিদ। ম্যাচের শেষ দিনের শেষ সেশনে উপহার দিয়েছেন নিজের সেরা স্পেল। গতি দিয়ে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপ এলোমেলো করার পাশাপাশি রিভার্স সুইং দিয়েও চমকে দিয়েছেন ক্রিকেট বিশ্বকে। দলে আরও চারজন বোলার থাকলেও নাহিদের বোলিং মানেই যেন এখন বিশেষ এক আয়োজন। সিলেটও এবার তার সাক্ষী হয়েছে।
এক্সপ্রেস গতির বোলারদের বড় একটি গুণ হচ্ছে, তারা দর্শক টানতে পারেন। শুধু তাদের বোলিং দেখার জন্যই মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে। পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা অবশ্য সেই দলে নেই। টানা দ্বিতীয় টেস্টে তারা যে নাহিদের সামনে রীতিমতো অসহায়! বাবর আজমই যেমন, এই নিয়ে টেস্টে তিনবার আউট হলেন তরুণ এই পেসারের বলে।
তবে নাহিদ বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের আবেগে ভাসিয়েছেন পরের ওভারটিতে। প্রথম বলটি ছিল ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার বেগে, যা নাহিদের ক্ষেত্রে প্রায় সাধারণ ব্যাপার। তবে পরের পাঁচটি বল করেছেন যথাক্রমে ১৪৪, ১৫০.২, ১৪১, ১৪৯.১ ও ১৪৮.৫ কিলোমিটার বেগে। একটি বলে বাউন্ডারি হজম করেছেন বটে, তবে গতির রাজ্যে এমনটা তো নিত্যসঙ্গী।

প্রথম টেস্টে একটি ডেলিভারিতে ঘণ্টায় ১৫১ কিলোমিটার বেগ স্পর্শ করেছিলেন নাহিদ। তবে একটি ওভারের অর্ধেকের বেশি বল যখন প্রায় ১৫০ ছুঁইছুঁই হয়ে যায়, সেটা বাংলাদেশের ক্রিকেটে স্বপ্নের মতোই।
নাহিদের কারণেই তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলামদের বোলিংও এখন অনেক সময় সাদামাটা মনে হয়। অমন গতি নেই যে! অথচ যুগের পর যুগ বাংলাদেশের পেসাররা তাদের গতিতেই বোলিং করে গেছেন। কেউ ঘণ্টায় ১৪০ কি.মি. বেগে বল করলেই উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছে সবাই। নাহিদ সেই গল্পটা বদলে দিয়েছেন।
বাংলাদেশ ২৬ বছর ধরে টেস্ট ক্রিকেট খেলছে, কিন্তু নাহিদ যেন একজনই। এ দেশের একজন পেসারের গতিময় বোলিং দেখার জন্য যখন ইমরান খান, ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনিস, শোয়েব আখতারদের দেশ পাকিস্তানের মানুষও অপেক্ষা করে, তখন এর চেয়ে বড় বিজ্ঞাপন আর কী হতে পারে!

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের একজন বোলারের তিনটি বলের গতি ঘণ্টায় ১৪৮; ১৪৯ ও ১৫০ কিলোমিটার বেগে–এমন দৃশ্য বছর তিনেক আগেও ছিল যেন ‘অলীক কল্পনা’! আজ সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ক্রমেই বাংলাদেশের ক্রিকেটের নতুন বিজ্ঞাপন হয়ে ওঠা নাহিদ সেটাই করে দেখিয়েছেন।