প্রথম টেস্টে ৫ উইকেট নিলেও নাহিদ রানার অসাধারণ এক স্পেলে আড়ালেই ছিলেন মেহেদি হাসান মিরাজ। তবে দেশের মাটিতে টেস্টে যে তিনি বরাবরই ভীষণ কার্যকর এক বোলার, তার প্রমাণ রাখলেন সিলেটেও। দ্বিতীয় দিনের সকালের সেশনে পাকিস্তানকে চাপে রাখলেন বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং দিয়ে। আর অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদ উপহার দিলেন আরেকটি দুর্দান্ত স্পেল। দুজনের সম্মিলিত আক্রমণেই এখন চালকের আসনে বাংলাদেশ।
সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে মধ্যাহ্ন বিরতিতে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৯৬ রান। তারা এখনো পিছিয়ে ১৮২ রানে।
দিনের দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম সফলতার দেখা পান তাসকিন। অফ স্টাম্পের বাইরের বেরিয়ে যাওয়া ডেলিভারিতে খোঁচা মেরে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন আবদুল্লাহ ফজল (১১)। ডাইভ দিয়ে দারুণ সেই ক্যাচ তালুবন্দি করেন লিটন দাস। নিখুঁত লাইন-লেন্থ বজায় রেখে পেসারদের জন্য আদর্শ এক স্পেলে তাসকিন ব্যাটসম্যানদের জন্য কাজটা কঠিনই করে তোলেন।
এর স্বীকৃতি হিসেবে আসে আরেকটি উইকেটও। অফ স্টাম্প বরাবর করা ডেলিভারিতে বল ব্যাট-প্যাড হয়ে চলে যায় শর্ট লেগে থাকা মুমিনুল হকের হাতে। এরপর কয়েকটি ওভারে শরীফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা কিছুটা খরুচে ছিলেন, যা কাজে লাগিয়ে দ্রুত রানও বের করে নেন শান মাসুদ ও বাবর আজম।
নাজমুল হোসেন তাই আক্রমণে আনেন মিরাজকে, আর তাতেই বাজিমাত। সেট হয়ে যাওয়া মাসুদ (২১) কাট করতে চেয়েছিলেন, তবে টাইমিংটা হয়নি। স্কয়ার লেগে থাকা বদলি ফিল্ডার নাঈম হাসান নেন দুর্দান্ত এক ক্যাচ। মিরাজের বলেই বাজে শটে আউট হন সৌদ শাকিলও (৮)।
বিরতির আগ পর্যন্ত বোলারদের আর কোনো সুযোগ না দিয়ে নির্বিঘ্নেই বাকি সময়টা পার করে দেন ছন্দে থাকা বাবর আজম (৩৭*) ও সালমান আগা (৬*)।