Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা
২ ডিসেম্বর, ১৯৭১

ডিসেম্বরের শুরুতে মুক্তিযুদ্ধকে ভিন্নখাতে নিতে মরিয়া ছিল পাকিস্তান

ফজলে রাব্বি

ফজলে রাব্বি

প্রকাশ : ০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১: ২৬
ডিসেম্বরের শুরুতে মুক্তিযুদ্ধকে ভিন্নখাতে নিতে মরিয়া ছিল পাকিস্তান

পহেলা ডিসেম্বর চরচা’র স্টুডিওতে কথা হচ্ছিল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের সঙ্গে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর বিজয়ের মাসের শুরুতে মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিন গুলোর গতিপথ নিয়ে আলোচনায় তিনি জানান, মুক্তিবাহিনীর একের পর এক সফলতায় নভেম্বরের মাঝামাঝি বিজয়ের লাল আভা উজ্জ্বল হতে থাকে বাংলার আকাশে। এরই ধারাবাহিকতায় ডিসেম্বরে সর্বাত্মক ঢাকা অ্যাটাকের জন্য নানা প্রান্ত থেকে আশপাশের জেলায় জড়ো হতে থাকে মুক্তিযোদ্ধারা।

একাত্তরের দিনগুলিতে শহীদ জননী জাহানারা ইমাম লিখেছেন, ২ ডিসেম্বর সারাদিন তিনি কারও অপেক্ষায় ছিলেন, যদিও সেদিন কারও আসার কথা ছিলো না। হয়ত তিনি ঢাকার দিকে এগোতে থাকা মুক্তিবাহিনীর জন্যই অপেক্ষা করছিলেন!

এদিন ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধারা আঘাত হানে ঢাকার রামপুরা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রে। রাজধানীর বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে আঘাত হানার অর্থ হল, পাকিস্তানি সামরিক ও প্রশাসনিক কাঠামোকে অচল করে দেওয়া এবং তাদের মনোবল ভেঙে দিতে এই আক্রমণটি ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

১ নম্বর সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধাদের সফল অভিযানে চট্টগ্রাম বন্দরের বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ধ্বংস হয়। ৬ নম্বর সেক্টরের কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী দখলের পর লালমনিরহাট বিমানবন্দর প্রায় বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বে বাড়তে থাকে যশোর, কুষ্টিয়া, দিনাজপুর ও রংপুরের মুক্তাঞ্চলের পরিধি।

শুরু হলো বিজয়ের মাসnational monument

তীব্র যুদ্ধ চলতে থাকে চুয়াডাঙ্গা ও দর্শনায়। গুরুত্বপূর্ণ চট্টগ্রাম-কুমিল্লা-ঢাকা রেল যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়, যার ফলে ঢাকায় রসদ ও সৈন্য সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। কুমিল্লা-সিলেট সিএন্ডবি রোডের সংযোগ এবং চট্টগ্রাম-কুমিল্লা-ঢাকা রেল যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেয় মুক্তিবাহিনী।

পরাজয় নিশ্চিত জেনে যুদ্ধের মোড় ঘোরাতে জাতিসংঘে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতিসহ নানা কৌশল খুঁজতে থাকে। এরই মধ্যে, এদিন দুপুরে তিনটি পাকিস্তানি স্যবর জেট ভারতের আগরতলা বিমান ঘাঁটিতে বোমা হামলা চালায়। জবাবে জেনারেল মানেকশকে পাকিস্তানে ঢুকে হামলা চালাতে নির্দেশ দেয় ভারত। দিল্লির বাসভবনে কংগ্রেস নেতাদের বৈঠক থেকে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী আবারও বলেন, বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানি সেনা ফিরিয়ে নিলেই চলমান যুদ্ধ থামতে পারে। কাটতে পারে অচলাবস্থা।

২ ডিসেম্বর পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো পূর্ব পাকিস্তানের পরিস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে। বিবিসি এবং ভয়েস অব আমেরিকাসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মুক্তিবাহিনীর বিজয়ের খবর এবং ঢাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির খবর প্রচার করতে থাকে।

যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে ভারতে আশ্রয় নেওয়া প্রায় এক কোটি শরণার্থীর মানবেতর জীবন নিয়ে উদ্বেগ চোখে পড়ে। তবে, ডিসেম্বরের শুরু থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ শরণার্থী সংকট থেকে সরে কেন্দ্রীভূত হয় সামরিক সংঘাতের দিকে।

তথ্যসূত্র:

বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১, এইচ. টি. ইমাম

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র অষ্টম, একাদশ ও দ্বাদশ খন্ড।

দৈনিক ইত্তেফাক, ডিসেম্বর, ১৯৭১

একাত্তরের দিনগুলি, জাহানারা ইমাম

বিষয়: পাকিস্তানবাংলাদেশমুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরমুক্তিযুদ্ধবিজয় দিবস
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া