Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

খালেদা জিয়ার একটি অখ্যাত ছবির গল্প

সুদীপ্ত সালাম

সুদীপ্ত সালাম

প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫: ৫০
খালেদা জিয়ার একটি অখ্যাত ছবির গল্প

২০০৮-এ একবারই শেখ হাসিনাকে সাধারণ মানুষের কাতারে পেয়েছিলাম। জাতীয় নির্বাচনের প্রচার অভিযানের সময়। একটিই ছবি তুলতে পেরেছিলাম। তাও গাড়িতে বসা। তারপর তো তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়ে গেলেন। আর তার নাগাল পাওয়া গেল না। কখনোই না। ওই ২০০৮ থেকে ক্যামেরায় পেলাম শুধু বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে। বেশ কয়েকবার তার ছবি তোলার সুযোগ আমার হয়েছে। কাছ থেকে, দূর থেকে। কিন্তু এই ছবিটিই আমার সবচেয়ে পছন্দের। ২০১৫ সালে নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে তোলা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সে সময় প্রথম আলোয় যোগ দিয়েছি মাত্র ৪-৫ মাস হলো। নিজের সক্ষমতা প্রমাণের ভীষণ চাপ। কারণ এর আগে ৭ বছর ছিলাম সাপ্তাহিক ২০০০-এ। দৈনিকওয়ালারা নাক সিঁটকাত, সাপ্তাহিকে কাজ করেছে যে ফটোগ্রাফার—সে কি পারবে দৈনিকের চাপ নিতে! তাও আবার দেশের প্রধান দৈনিকে! আমি জানতাম, পারব–পারতেই হতো।

যা হোক। বিএনপি চেয়ারপারসন সেদিন—মানে ২০১৫ সালের ২২ এপ্রিল গুলশানের বাসা থেকে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাচ্ছিলেন। সেখান থেকে তার গাড়িবহরের সঙ্গে আমিও রওনা হই। তখন ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী প্রচার চলছিল। তার গাড়ি অনুসরণের কারণ, যেকোনো সময় তার ওপর হামলা হতে পারে। এর আগে হয়েছে। দুদিন আগে—অর্থাৎ, ২০ এপ্রিল, কারওয়ানবাজার এলাকায় খালেদা জিয়ার গাড়িবহরের ওপর হামলা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, ২১ এপ্রিলও তার গাড়িবহরকে ধাওয়া করে এক দল লোক। সুতরাং আজ যে হামলা হবে না, কে বলতে পারে!

গাড়ির পিছু নিয়ে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত চলে আসার পরও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটল না। একবার ভাবলাম, অফিসে চলে যাই। ওই মনে হওয়া পর্যন্তই। নয়াপল্টন পর্যন্ত যাব বলেই ঠিক করলাম। কখন কি হয়ে যায়—বলা তো যায় না। ভাবতে দেরি—হামলা হতে দেরি হলো না! গাড়িবহরটি বাংলামোটর এলাকায় আসতেই এক দল লোক লাঠিসোটা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল। খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়িসহ বেশ কয়েকটি গাড়ির কাচ ভেঙে ফেলে তারা। গাড়ি চলতে থাকায় এবং হামলার পর গতি বাড়িয়ে দেওয়ায় খুব বেশি ক্ষতি হয়নি। চেয়ারপারসনের গাড়িবহর চলে যাওয়ার পর হামলাকারীরা আমাদের ওপর চড়াও হলো—আমরা যারা মোটরসাইকেল থেকে নেমে ছবি তুলছিলাম।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কোনোমতে সেখান থেকে বেঁচে নয়াপল্টন পৌঁছাই। তখনো খালেদা জিয়া গাড়ি থেকে নামেননি। তারপরও বুঝলাম, আমার পৌঁছাতে দেরি হয়ে গেছে। আরও বোঝা গেল, তার কাছে যাওয়া প্রায় অসম্ভব। আমি ছোটখাটো মানুষ—সিনিয়রদের সঙ্গে পেরে উঠব না, মেরেও বসতে পারে। আমাকে দূর থেকেই ছবি তুলতে হবে। খালেদা জিয়া বিএনপি কার্যালয়ে ঢুকবেন, তার আগেই আমি ঢুকে পড়লাম। ফটোসাংবাদিক আমি একাই। ভবনের কেঁচিগেট তখনো পুরো খোলা নয়। দোতলায় ওঠার সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে আছি। পরিকল্পনা ছিল–তিনি যখন উঠতে থাকবেন, আমি তার সামনে থেকে ছবি তুলতে থাকব।

আমি ভেতর থেকে দেখছি, তিনি আসছেন। তার আর আমার ক্যামেরার সামনে সেই কেঁচিগেট। গেটটাকে ফ্রেম করে টেলিলেন্সে আমি তার ছবি তুললাম। খালেদা জিয়ার গুলশান থেকে নয়াপল্টনে আসা টাইমলাইনের অনেক ছবি তুলেছি। কিন্তু ওই একটি ছবিই ‘ছবি’হয়ে উঠেছে বলে মনে হলো। ওই যে বলা হয় তিনি ‘আপসহীন নেত্রী’, ছবিটিতে তার সেই পরিচয়টি যেন ফুটে উঠেছে। বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে তিনি সেসময় যে রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন, তার একটি প্রতীকী দৃশ্য ছবিটিতে ধরা পড়েছে বলে মনে হয়েছে।

রাজনৈতিক ছবিগুলোর মধ্যে এটি আমার যতই প্রিয় হোক, অন্য কারও পছন্দ হয়নি। ছবিটি পত্রিকায় ছাপা হয়নি। রাজনীতির যে ছবিগুলো পত্রিকায় ছাপা হয়—সেগুলো ভীষণ গতানুগতিক, সোজাসাপ্টা, সরাসরি ও মূর্ত। রাজনীতির ছবিরও অন্তর্নিহিত অর্থ থাকতে পারে, তাতে থাকতে পারে বিমূর্ততাও। খালেদা জিয়ার এই ছবিটিতে তা আছে বলে অন্তত আমার মনে হয়।

লেখক: প্রধান, ভিডিও বিভাগ, চরচা

বিষয়: বিএনপিবাংলাদেশের রাজনীতিখালেদা জিয়াআলোকচিত্রনয়া পল্টনআলোকচিত্রী
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া