Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

পশ্চিমবঙ্গ: মুসলিম ভোট বিজেপির আতঙ্ক!

তরুণ চক্রবর্তী

তরুণ চক্রবর্তী

প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১: ৫৬
পশ্চিমবঙ্গ: মুসলিম ভোট বিজেপির আতঙ্ক!

ভোটের দিনক্ষণ এখনো ঘোষিত হয়নি। সম্ভবত এপ্রিল-মে মাসে ভোট। চলছে ভোটার তালিকা তৈরির চূড়ান্ত প্রস্তুতি। আর এই প্রস্তুতিকে ঘিরেই পশ্চিমবঙ্গে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিরোধ তুঙ্গে। যুযুধান দুই পক্ষের লড়াই রাজনীতির ময়দান ছাড়িয়ে দিল্লিতে সুপ্রিম কোর্ট অবধি পৌঁছেছে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (এসআইআর) নিয়ে অভূতপূর্ব উত্তাপই বুঝিয়ে দিচ্ছে এবারের নির্বাচনী প্রচারে কতোটা ঝড় উঠবে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দিল্লি থেকে আসছে আধা সামরিক বাহিনীর প্রচুর সদস্য।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে বিজেপির শীর্ষ নেতারা তৃণমূলের ভাষায় কলকাতা-দিল্লি ‘ডেলিপ্যাসেঞ্জারি’ বা নিত্যযাত্রা শুরু করে দিয়েছেন। তবু মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে তৃণমূল আবারও জয়ের বিষয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী।

বিজেপির অভিযোগ, প্রচুর বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের নাম রয়েছে ভোটার তালিকায়। তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, বিদেশিদের নামে স্বদেশীদেরই হয়রানি করছে বাঙালি বিদ্বেষি বিজেপি সরকার। তারা নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেও পক্ষপাতের অভিযোগ তুলছেন। বিচার চেয়ে সশরীরে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হন খোদ মমতা ব্যানার্জি। স্বাধীন ভারতের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মমতা নিজেই সুপ্রিম কোর্টের কাছে সাধারণ মানুষের হয়রানির প্রতিকার চান। সুপ্রিম কোর্ট এসআইআর প্রক্রিয়ায় হাইকোর্টের বিচারপতিদের যুক্ত করেছেন। সেইসঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে।

ভোটার তালিকার সংশোধন নিয়ে চলতি বিতর্কে বিজেপির ইঙ্গিত ভোটে তাদের প্রধান ইস্যু হবে অবৈধ মুসলিম অনুপ্রবেশ। কিন্তু সেটা করতে গিয়েও পদে পদে হোঁচট খেতে হচ্ছে হিন্দুত্ববাদী দলটিকে। কারণ একাত্তর পরবর্তীতে বহু হিন্দু বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে বসবাস করছেন। ভারত সরকার সম্প্রতি অমুসলিমদের নাগরিকত্ব দিতে আইন সংস্কার করলেও বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় হিন্দুরা সহজে নাগরিকত্ব পাচ্ছেন না। এ নিয়ে রাজ্যের নেতারা চিন্তিত। তবু বিজেপির দিল্লির নেতাদের মুসলিম অনুপ্রবেশই মূল হাতিয়ার। অন্যদিকে, শাসকদল তৃণমূল বিজেপি দলটাকেই বাঙালি বিদ্বেষি বলে দাগিয়ে দিতে সচেষ্ট। তাই টার্গেট এসআইআর।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: রয়টার্স
তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: রয়টার্স

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে মুসলিম ভোট বড় ফ্যাক্টর। কারণ রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ৮৫টিতেই ৩৫ থেকে ৬৬ শতাংশ মুসলিম ভোটার রয়েছেন। রাজ্যের ২৩টি জেলার মধ্যে মুর্শিদাবাদ (৬৬.৩) ও মালদায় (৫১.৩) মুসলিমরা সংখ্যাগুরু। এছাড়াও উত্তর দিনাজপুর (৪৯.৯), বীরভূম (৩৭.১) ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় (৩৫.৬) নির্ণায়ক শক্তি মুসলিমরা। ২০২১ সালের নির্বাচনে এই ৮৫টি আসনের মধ্যে ৭৫টাই পায় তৃণমূল। গোটা রাজ্যের মোট ভোটারের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ মুসলিম। এই মুসলিম ভোটই তৃণমূলের বড় ভরসা। তাই ভোটার তালিকায় মুসলিমদের নাম যাতে বাদ না যায় সেটাই নিশ্চিত করতে ব্যস্ত তৃণমূল। আর বিজেপির নেতারা ব্যস্ত মুসলিমদের নাম বাদ দিতে। উভয় পক্ষের এই চাপ ও পাল্টা চাপের জাঁতাকলে পড়ে পশ্চিমবঙ্গে শতাধিক মানুষ এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালে প্রাণ হারিয়েছেন। এদের মধ্যে নির্বাচনী কাজে নিযুক্ত সরকারি কর্মীরাও রয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত খসড়া তালিকা অনুযায়ী রাজ্যের মোট ভোটারের সংখ্যা ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। তবে মৃত্যু ও বাসস্থান বদলের কারণে বহু নাম বাদ যাওয়ার স্বাভাবিক সম্ভাবনাও রয়েছে। গতবার, ২০২১ সালে, ৭ কোটি ৩৪ লাখ ১৪ হাজার ৭৪৬ জন ভোটারের নাম ছিল চূড়ান্ত তালিকায়। তাদের মধ্যে ৮২.৩০ শতাংশ ভোটার নির্বাচনে অংশ নেন। ২০১৬ সালে অবশ্য ভোট দানের হার আরও বেশি ছিল। গতবারের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে। টানা ৩৪ বছর শাসন করা বাম দলগুলো কংগ্রেসের সঙ্গে আঁতাত করে একটি আসনেও জিততে পারেনি। আবার বিজেপি মাত্র ২টি থেকে ৭৭টি আসনে জয়লাভ করে। আসন বাড়ে শাসক দল তৃণমূলেরও।

গতবারের বিধানসভা ভোটে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সর্বশক্তি নিয়োগ করেও মমতা ব্যানার্জিকে হারাতে পারেনি। বিজেপি ও তৃণমূল নেতারা লড়াইটাকে মোদি বনাম মমতা করে তুলেছিলেন। কিন্তু তাতে মমতারই জয় হয়। ২৯০টি আসনে প্রার্থী দিয়ে তৃণমূল জয়লাভ করে ২১৩টি আসনে। ত্রিমুখী লড়াইতে তাদের প্রাপ্ত ভোটের হার ৪৮.০২ শতাংশ। অন্যদিকে, বিজেপি ২৯৩টি আসনে প্রার্থী দিয়ে জেতে ৭৭টিতে। তাদের প্রাপ্ত ভোট ২৭.৮১ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস আইএসএফের সঙ্গে জোট করেও কোনও আসন পায়নি। আইএসএফ অবশ্য একটি আসন পেয়েছিল। বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ জোট পেয়েছিল মাত্র ১০.০৪ শতাংশ ভোট।

গতবারের বিধানসভা ভোটের পর থেকে তৃণমূলের শক্তি আরও বেড়েছে। ভোটের আগে বিজেপি দলবদল করিয়ে বহু তৃণমূল নেতাকে তাদের দলে নিলেও ফল প্রকাশের পর উল্টো স্রোত বইতে শুরু করে। বিজেপি ভেঙে তৃণমূলে ফেরার ঢল এখনও অব্যহত। তৃণমূলের আসন ২১৩ থেকে বেড়ে হয়েছে ২২৪। আর বিজেপির ৭৭ থেকে কমে ৬৪। গত সপ্তাহেও বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণু শর্মা দলবদল করে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। শুধু বিধানসভাতেই নয়, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটেও বিজেপির শক্তি কমেছে। পশ্চিমবঙ্গে ১৮ থেকে তাদের আসন কমে দাঁড়ায় ১২, তৃণমূলের ২৯ এবং কংগ্রেসের ১।

গতবারের বিধানসভা ভোটে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সর্বশক্তি নিয়োগ করেও মমতা ব্যানার্জিকে হারাতে পারেনি। ছবি: রয়টার্স
গতবারের বিধানসভা ভোটে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সর্বশক্তি নিয়োগ করেও মমতা ব্যানার্জিকে হারাতে পারেনি। ছবি: রয়টার্স

তবু এবারের নির্বাচনে বেশ সতর্ক তৃণমূল। এসআইআর নিয়ে তারাও জলঘোলা করছে। তাদের আশঙ্কা, মুসলিম ভোটে ভাগ বসাতে পারে দলছুট হুমায়ুন কবিরের নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি। দল গড়েই হুমায়ুন মুর্শিদাবাদ জেলায় ৩০০ কোটির বেশি রুপি খরচ করে বাবরি মসজিদ স্থাপন করছেন। মুসলিম নেতা, আইএসএফ বিধায়ক নৌশদ সিদ্দিকির সঙ্গে আঁতাতও করছেন তিনি। বামেদের সঙ্গেও তার কথা হচ্ছে। তাই মুসলিম ভোট ভাগের ভয় কিছুটা হলেও রয়েছে শাসক শিবিরের। সেই আশঙ্কা আরও বেড়েছে তৃণমূল সাংসদ মৌসম বেনজির নূরের কংগ্রেসে প্রত্যাবর্তনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সিপিএমের যুবনেতা প্রতীক উর রহমানকে দলে টেনে নিয়েছে তৃণমূল। তারা আত্মবিশ্বাসী। তবে সতর্কও। কারণ বিজেপি ছাড়বার পাত্র নয়। তাদের স্বপ্ন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতি বিজড়িত পশ্চিমবঙ্গ দখল।

পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও আসাম, তামিলনাডু, কেরালা ও পুদুচেরি রাজ্যে বিধানসভার ভোট। আসামে বিজেপির সরকার থাকলেও সেখানে এবার কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে তাদের। রাজ্যে ৩৫-৩৬ শতাংশ মুসলিম ভোটারের পাশাপাশি অসমিয়াদের একটা বড় অংশ বিজেপির প্রতি আস্থা হারিয়েছেন। বিরোধীরা কংগ্রেসের নেতৃত্বে জোটবদ্ধ হচ্ছে আসামে। তামিলনাডু, কেরালা ও পুদুচেরিতে বিজেপির কোনো আশা নেই। তাই পশ্চিমবঙ্গ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগ উঠেছে, মমতাকে হারিয়ে ‘বাংলা’ দখলে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকেও ব্যবহার করছে বিজেপি। ভারতের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাসে তাই অভূতপূর্ব বিতর্ক হচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে নিয়ে। গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক হারে কমিশনের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনেও সন্দেহ বাড়ছে।

লেখক: জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, কলকাতা (ভারত)

বিষয়: রাজনীতিবিদকংগ্রেসবিজেপিমুসলিমভোটরাজনীতিভারত
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া