
বিজেপি দাবি করেছিল, তারা দু শরও বেশি আসন পাবে। কিন্তু তারা থামে ৭৭-এ। প্রাপ্ত ভোটের হার ৩৭.৯৮। পরে অবশ্য দলবদলের হাত ধরে তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা বেড়ে হয় ২১৯ এবং বিজেপির কমে ৬৪। আর সিপিআইএম-কংগ্রেসের সম্মিলিত জোট পায় মাত্র ১০ শতাংশ ভোট। আসন বলতে আইএসএফের একটি। কংগ্রেস ০, সিপিএম ০।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।

জরিপ অবশ্য বলছে, ফের ক্ষমতায় ফিরছে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ)। বিজেপিও ভোটের লড়াইতে রয়েছে। গতবার খাতা খুলতে না পারলেও এবার তারা মরিয়া বিধানসভায় খাতা খুলতে।

ধুরন্ধর: সিনেমা, প্রোপাগান্ডা নাকি নির্লজ্জ দালালি? বলিউডে মুক্তি পাওয়া ‘ধুরন্ধর’ সিনেমা কি নির্বাচনী রাজনীতিকে প্রভাবিত করতে মুক্তি দেওয়া হয়েছে? ভারতের ৫ রাজ্যের ভোটের হিসাব কি এই সিনেমার সঙ্গে জড়িত? বিজেপির নির্বাচনী রাজনীতির সঙ্গে প্রোপাগান্ডা সিনেমা মুক্তি দেওয়াটা কি একটা রেওয়াজ হয়ে উঠছে?

‘ধুরন্ধর’ কি প্রোপাগান্ডার একটি উত্তম উদাহরণ নয়? এটিও যদি প্রোপাগান্ডা না হয়, তাহলে প্রোপাগান্ডা আসলে কী বস্তু? আর এসব প্রোপাগান্ডা কি বিজেপি ও মোদি সরকার ছাড়া আর কারও পক্ষে যায়?

ইউএসসিআরএফে সুপারিশ করা হয়, মার্কিন সরকার যেন এ বিষয়টির আলোকে ভারতকে ‘উদ্বেগজনক দেশ’ আখ্যা দেয়। কারণ হিসেবে নিয়মতান্ত্রিকভাবে ধর্ম পালনের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করা ও সয়ে নেওয়ার’ কথা বলা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, চলতি বছরেই ভারতের জাতীয় সংসদের আসন বৃদ্ধির কথা। কিন্তু হচ্ছে না। কারণ, কোভিডের জন্য ২০২১ সালে জনগণনা হয়নি। ২০২৭ সালের মধ্যে জনগণনা শেষ হওয়ার কথা। তারপরই হতে পারে আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন। যখনই হোক দক্ষিণ ভারতের গুরুত্ব কমার আশঙ্কা প্রবল।

নেতাদের আয়ারাম, গয়ারামের খুব ভালো দুটি ছবি ধরা পড়ে ২০১৭ সালে মণিপুর ও গোয়ায়। ৬০ সদস্যের মণিপুর বিধানসভায় কংগ্রেস জিতেছিল ২৮টি আসনে এবং বিজেপি ২১টিতে। কিন্তু সরকার গঠন করে বিজেপি।

ভোটের দিনক্ষণ এখনো ঘোষিত হয়নি। সম্ভবত এপ্রিল-মে মাসে ভোট। চলছে ভোটার তালিকা তৈরির চূড়ান্ত প্রস্তুতি। আর এই প্রস্তুতিকে ঘিরেই পশ্চিমবঙ্গে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিরোধ তুঙ্গে। যুযুধান দুই পক্ষের লড়াই রাজনীতির ময়দান ছাড়িয়ে দিল্লিতে সুপ্রিম কোর্ট

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদীয়া, মালদা এবং আলিপুরদুয়ারের মতো সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর ঠিক ওপারে জামায়াতের জয়কে বিশেষভাবে তুলে ধরছে। এটি নির্বাচনী প্রচারণার উপযোগী একটি ‘ভয়ের ভূগোল’ তৈরি করেছে।

নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে বিজেপির বড় ইস্যু ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’। ভোট এলেই তাদের মাথায় দাপিয়ে বেড়ায় ঘুষপেটিয়া বা অনুপ্রবেশের ভূত। তবে ভারতের প্রতিবেশী চীন, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান বা মিয়ানমার নয়; বিজেপির চাই শুধু ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’। জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনে আম আদমি পার্টির স

ভারতের প্রতিবেশীদের মধ্যে নির্বাচিত সরকার বা নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর বহুদিন ধরে অনাস্থা প্রকট হলেও এ দেশে সেটা ছিল ব্যতিক্রম। ভোট প্রক্রিয়ায় তাদের আস্থা ছিল অটল। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে যেভাবে প্রশ্ন উঠছে তাতে মানুষের আস্থায় ফাটল ধরাতে পারে। সেই ফাটল কিন্তু গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক।

এপ্রিল-মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোট। রাজনৈতিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে গত বছর থেকেই। খোদ প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচিতে নিয়মিত রাজ্য সফর করছেন। আসছেন দিল্লির থেকে বিজেপির অন্য নেতা-মন্ত্রীরাও।

চাভান বলেন, ‘‘এখন প্রশ্ন হচ্ছে: ভেনেজুয়েলায় যা হলো, তা কি ভারতেও হবে? ট্রাম্প কি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে কিডন্যাপ করে নিয়ে যাবেন?”

চাভান বলেন, ‘‘এখন প্রশ্ন হচ্ছে: ভেনেজুয়েলায় যা হলো, তা কি ভারতেও হবে? ট্রাম্প কি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে কিডন্যাপ করে নিয়ে যাবেন?”