
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদীয়া, মালদা এবং আলিপুরদুয়ারের মতো সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর ঠিক ওপারে জামায়াতের জয়কে বিশেষভাবে তুলে ধরছে। এটি নির্বাচনী প্রচারণার উপযোগী একটি ‘ভয়ের ভূগোল’ তৈরি করেছে।

নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে বিজেপির বড় ইস্যু ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’। ভোট এলেই তাদের মাথায় দাপিয়ে বেড়ায় ঘুষপেটিয়া বা অনুপ্রবেশের ভূত। তবে ভারতের প্রতিবেশী চীন, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান বা মিয়ানমার নয়; বিজেপির চাই শুধু ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’। জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনে আম আদমি পার্টির স

ভারতের প্রতিবেশীদের মধ্যে নির্বাচিত সরকার বা নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর বহুদিন ধরে অনাস্থা প্রকট হলেও এ দেশে সেটা ছিল ব্যতিক্রম। ভোট প্রক্রিয়ায় তাদের আস্থা ছিল অটল। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে যেভাবে প্রশ্ন উঠছে তাতে মানুষের আস্থায় ফাটল ধরাতে পারে। সেই ফাটল কিন্তু গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক।

এপ্রিল-মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোট। রাজনৈতিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে গত বছর থেকেই। খোদ প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচিতে নিয়মিত রাজ্য সফর করছেন। আসছেন দিল্লির থেকে বিজেপির অন্য নেতা-মন্ত্রীরাও।

চাভান বলেন, ‘‘এখন প্রশ্ন হচ্ছে: ভেনেজুয়েলায় যা হলো, তা কি ভারতেও হবে? ট্রাম্প কি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে কিডন্যাপ করে নিয়ে যাবেন?”

ক্রিকেটে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এখন কোথায় গিয়ে ঠেকবে? মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়া কি বিজেপির ভোটের রাজনীতি? মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়াটা যেসব দিক দিয়ে এসেছে, তার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল কি?

উমর খালিদের জামিন আবেদন গত পাঁচ বছরে বিভিন্ন আদালতে অন্তত পাঁচবার খারিজ হয়েছে। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে তিনি পরিবারের বিয়েতে যোগ দেওয়ার জন্য দু’বার স্বল্পমেয়াদি মুক্তি পেয়েছিলেন। শারজিল ইমামের জামিন আবেদন আগেও অন্তত দু’বার খারিজ হয়েছে।

পর্ব-১
আরএসএস সম্ভাবনাময় ব্যক্তিদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে এবং পরবর্তী নেতৃত্ব খুঁজে বের করে। (নরেন্দ্র মোদিও ছোটবেলায় এখানে যাতায়াত শুরু করেছিলেন, পরে যুবক বয়সে তিনি পূর্ণকালীন আরএসএস-কর্মী হন।)

শুধু নেলি কেন, বিহারের ভোটের পর আসামের বিজেপি মন্ত্রী অশোক সিংঘল তার এক্স হ্যান্ডেলে ফুলকপি চাষের একটা ছবি দিয়ে লিখেছেন ‘বিহার অ্যাপ্রুভস গোবি ফার্মিং’। অর্থাৎ বিহার কপি চাষকেই অনুমোদন দিয়েছে। কারণ? ভাগলপুরের ইতিহাস মনে করিয়ে দিতে চাইছেন তিনি। কী হয়েছিল ভাগলপুরে?

সামনেই আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাডু, কেরালা ও পুদুচেরিতে বিধানসভা ভোট। বিজেপি বিভাজনের রাজনীতিকে পুরোমাত্রায় কাজে লাগাচ্ছে। সঙ্গে থাকছে দলবদলের অংকও। কারণ বিজেপি নেতারা জানেন, ভারতের সাধারণ মানুষ মন থেকেই অসাম্প্রদায়িক।

ভারতের সামনে এখন চ্যালেঞ্জ হলো, এটা প্রমাণ করা যে, এখন থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এক-দু’জন নেতা এবং রাজনৈতিক দলের ঊর্ধ্বে থাকবে। পুরোনো রাজনৈতিক মিত্রকে রক্ষার চেয়ে তাদের প্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত, রাজনৈতিক পরিবর্তনের বাস্তবতা মেনে নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন একটি সংজ্ঞা নির্ধারণ।

বিজেপির এই সর্বগ্রাসী প্রচারে বিপরীতে মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল নেতারাও মাঝে মাঝে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। তাদের বিভ্রান্ত করাটাই তো বিজেপির কৌশল। বামেরা অবশ্য সীমিত শক্তি নিয়েও এসআইআর মোকাবিলায় বেশ সক্রিয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভের পর ভারতের রাজনীতির ইতিহাসে এটি একটি রেকর্ড। কারণ এর আগে ভারতের কোনো রাজ্যের কোনো রাজনীতিবিদ এতবার মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নেননি।

ইকোনমিস্টের নিবন্ধ
অধিকাংশ দেশের মতো ভারতেও সাধারণত প্রতি দশ বছর পরপর আদমশুমারি হয়। কিন্তু কোভিড–১৯ মহামারি ২০২১ সালের শুমারি পুরোপুরি ভণ্ডুল করে দেয়। মহামারি কাটার পরও নানা কারণে কাজটি পেছাতে থাকে। ফলে নতুন শুমারি সম্পন্ন হতে হতে ১৬ বছর পেরিয়ে যাবে।

ইকোনমিস্টের নিবন্ধ
অধিকাংশ দেশের মতো ভারতেও সাধারণত প্রতি দশ বছর পরপর আদমশুমারি হয়। কিন্তু কোভিড–১৯ মহামারি ২০২১ সালের শুমারি পুরোপুরি ভণ্ডুল করে দেয়। মহামারি কাটার পরও নানা কারণে কাজটি পেছাতে থাকে। ফলে নতুন শুমারি সম্পন্ন হতে হতে ১৬ বছর পেরিয়ে যাবে।