Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

বয়স ধরে রাখা যায় যেভাবে খাবার খেলে!

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬: ৫৬
বয়স ধরে রাখা যায় যেভাবে খাবার খেলে!

জাপানের ওকিনাওয়া অঞ্চল বিশ্বের অন্যতম ‘ব্লু জোন’, যেখানে মানুষ গড়ে দীর্ঘায়ু, রোগমুক্ত জীবন কাটায়। এখানকার মানুষের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বহু গবেষণার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ধারণা হলো ‘হারা হাচি বু’ (Hara Hachi Bu)। এটি এক ধরনের খাদ্য নীতি যেখানে বলা হয় “তোমার পেট ৮০% ভরলে খাওয়া বন্ধ করো।” সরল এই নীতিটিই ওকিনাওয়ানদের দীর্ঘজীবন, স্থিতিশীল ওজন এবং তারুণ্য ধরে রাখার রহস্য বলে মনে করেন গবেষকেরা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

হারা হাচি বু আসলে কী?

জাপানি ভাষায় হারা মানে পেট, আর হাচি বু মানে আট ভাগ। অর্থাৎ, ‘পেটকে পুরোপুরি ভরতে দিও না- ৮০% পর্যন্ত খাও।’ এটি শুধু খাদ্য সীমাবদ্ধতা নয়; বরং এক ধরনের সচেতন খাদ্যাভ্যাস, যেখানে শরীরের ক্ষুধা-তৃপ্তির সংকেতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে ইনসুলিনের মাত্রা বৃদ্ধি, শরীরে ফ্যাট জমে এবং মেটাবলিজম ধীর হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। ‘হারা হাচি বু’ সেই অতিরিক্ত অংশটুকু কেটে দেয়, যা ওজন বাড়ায় এবং শরীরকে দ্রুত বুড়িয়ে দেয়। এই পদ্ধতিতে ওজন কমানোর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা রয়েছে-

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কম ক্যালরি, কিন্তু অপুষ্টি নয়

হারা হাচি বু মানে কখনই অনাহার বা কঠোর ডায়েট নয়। বরং শরীর যতটুকু শক্তি চায়, তার সামান্য কম গ্রহণ করা। এই সামান্য ঘাটতিই ধীরে ধীরে শরীরকে টেকসইভাবে চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে।

হারা হাচি বু জাপানিদের দীর্ঘজীবন, স্থিতিশীল ওজন এবং তারুণ্য ধরে রাখার রহস্য। ছবি: ফ্রিপিক
হারা হাচি বু জাপানিদের দীর্ঘজীবন, স্থিতিশীল ওজন এবং তারুণ্য ধরে রাখার রহস্য। ছবি: ফ্রিপিক

ফলাফল-

  • ওজন ধীরে ধীরে কমে
  • ক্ষুধা বাড়িয়ে দেওয়া হরমোন (ঘ্রেলিন) নিয়ন্ত্রণে থাকে
  • মেটাবলিজম ধীর না হয়ে বরং স্থির থাকে

ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়

অতিরিক্ত খাওয়া ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়ায়, যা ওজন বাড়ার অন্যতম কারণ। কিন্তু ৮০% পর্যন্ত খেলে রক্তে গ্লুকোজের ওঠানামা কম হয়। ফলে-

  • ফ্যাট জমে না
  • খাবারের পর ঘুমঘুম ভাব কমে
  • এনার্জি লেভেল স্থির থাকে
  • কম খেয়ে তৃপ্তি পাওয়া

অল্পতে পরিতৃপ্ত হওয়া

হারা হাচি বু আমাদের ধীরে, মনোযোগ দিয়ে খেতে শেখায়। ধীরে খেলে মস্তিষ্ক তৃপ্তির সংকেত পাঠাতে সময় পায়। ফলে কম খেয়ে পরিতৃপ্ত হওয়া যায়। এটাই টেকসই ওজন কমানোর আসল চাবিকাঠি।

তারুণ্য ধরে রাখার রহস্য

বহু গবেষণায় দেখা গেছে, শরীর যখন কম ক্যালোরি পায়, তখন কোষগুলো নিজেকে মেরামত করতে বেশি সক্রিয় হয়। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় অটোফেজি, যা বার্ধক্য ধীর করতে গুরুত্বপূর্ণ। ফলাফল-

  • ত্বকে বলিরেখা ধীরে দেখা দেয়
  • প্রদাহ কমে
  • কোষের ক্ষয় ধীর হয়
  • অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়

অতিরিক্ত খাওয়া শরীরে ফ্রি র‍্যাডিক্যাল তৈরি করে, যা কোষ ক্ষতি করে এবং বার্ধক্য বাড়ায়।

হারা হাচি বু এই চাপ কমায়, ফলে শরীর থাকে হালকা ও এনার্জেটিক।

ছোট প্লেট বা বাটিতে খাওয়ার অভ্যাস হারা হাচি বু'র একটি নিয়ম। ছবি: ফ্রিপিক
ছোট প্লেট বা বাটিতে খাওয়ার অভ্যাস হারা হাচি বু'র একটি নিয়ম। ছবি: ফ্রিপিক

হজমতন্ত্রকে বিশ্রাম দেয়

পেট ১০০% ভরে খাওয়া হজমতন্ত্রকে চাপে ফেলে। কিন্তু ৮০% পর্যন্ত খাওয়ায়-

  • হজম সহজ করে
  • পেটের স্বাস্থ্য উন্নত করে
  • ত্বক ও চুল সুস্থ রাখে

সুস্থ পেট মানেই আরও ভালো ত্বক, ভালো মুড, ভালো ঘুম-যা সবই তারুণ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত।

কীভাবে হারা হাচি বু চর্চা করবেন?

  • খাবারের প্লেট নেওয়ার পর ২০ মিনিট সময় নিয়ে ধীরে খেতে হবে। কারণ মস্তিষ্ক তৃপ্তির সংকেত দিতে অন্তত ১৫-২০ মিনিট সময় নেয়।
  • ছোট প্লেটে খাবার নিলে স্বাভাবিকভাবেই পরিমাণ কমে যায়।
  • অল্প কিছু খাওয়ার পর কিছুটা বিরতি নিন। এতে খাওয়ার গতি কমে।
  • খাবার শুরুর আগে এক গ্লাস পানি পান করলে পেট খানিকটা ভরে যায়, অতিরিক্ত খাওয়া কমে।

হারা হাচি বু শুধু কোন ডায়েট নয়, এটি একটি জীবনের দর্শন। কম খেয়ে নয়,সচেতনভাবে খেয়ে বাঁচা। ওজন কমানো, দীর্ঘায়ু, ভালো ত্বক, ভালো হজম-সবকিছু মিলিয়ে এই জাপানি নীতিটি আমাদের আধুনিক, ব্যস্ত জীবনে একটি সুস্বাস্থ্যের জন্য একটি সহজ কিন্তু শক্তিশালী সমাধান হতে পারে।

তথ্যসূত্র: ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের ওয়েবসাইট

বিষয়: জাপানখাবারজীবনধারাওজনগবেষণাখাদ্যাভ্যাসগবেষকলাইফস্টাইল
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।