
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে মহারাষ্ট্রের থানেতে অবস্থিত জুপিটার হাসপাতালের পরিচালক (ইন্টারনাল মেডিসিন) ডা. অমিত সারাফ জানান, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরেও অনেকের ওজন না কমার পেছনে বড় কারণ হতে পারে অনিয়মিত ঘুমের অভ্যাস।

কখনো নিজেকে প্রশ্ন করেছেন যে আমি কেন বেশি খাচ্ছি? আমরা প্রায় সবাই মাঝেমধ্যে বেশি খাই। এটি একটি সাধারণ ঘটনা হলেও এই প্রবণতা অস্বাস্থ্যকরভাবে ওজন বাড়াতে এবং খাবারের অনিয়ম তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোগের আগাম সংকেত এখন পেয়ে যাবেন ঘরে বসেই! বাজারে আসতে চলেছে এমন এক ওজন মাপার যন্ত্র, যা শুধু ওজনই মাপবে না, বলে দেবে আপনার শরীরের খবর। চিকিৎসকের কাছে না গিয়েও ঘরে বসে স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করা যাবে নিমেষেই।

শর্করা শত্রু নয়, ভুল শর্করা শত্রু। সঠিক কার্ব বেছে নিলেই স্বাস্থ্য ঠিক থাকে, শরীরও থাকে হালকা ও প্রাণবন্ত।

ব্যস্ত দিনের পর একটু আরাম করতে করতে খাবার খাওয়ায় যেন কোনো সমস্যা নেই এটাই মনে হয়। তবে এর বাস্তবতা ভিন্ন। বরং এতে খাবারের স্বাদ, পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ, এমনকি হজম,সবই প্রভাবিত হয়।

জাপানিদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বহু গবেষণার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ধারণা হলো ‘হারা হাচি বু’ (Hara Hachi Bu)। এটি শুধু ডায়েট নয়, জীবন দর্শনও।

টানা এক মাস সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে রাতের খাবার খাওয়ার অভ্যাস শরীরকে ভেতর থেকে রিসেট করার মতো কাজ করে। হজম, ঘুম, ওজন, এনার্জি- সবকিছুর ওপরই ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

চিয়া সিড সালভিয়া হিস্পানিকা উদ্ভিদ থেকে আসে এবং এতে প্রচুর দ্রবণীয় ফাইবার থাকে। পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এটি নিজের ওজনের প্রায় ১০–১২ গুণ পানি শোষণ করে জেলির মতো আকার নেয়। এই জেলি স্তরকে বলা হয় মিউসিলেজ, যা হজমপ্রক্রিয়ায় সহায়ক হলেও বেশি পরিমাণে খেলে পেট ভার, গ্যাস বা গিলতে অসুবিধা হতে পারে।

নাস্তা আমাদের শক্তি ও মনোযোগ ফিরিয়ে আনে। নিয়মিত নাস্তা না করলে আমরা ক্লান্ত, অবসন্ন হয়ে পড়ি। এতে অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি আকর্ষণও বেড়ে যায় ঢের।

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো চিনি না খাওয়া বা যতটা সম্ভব কম খাওয়া। ওজন কমাতে হলে চিনি নিয়ে রীতিমতো কড়াকড়ি থাকে। ডায়াবেটিসের রোগীদেরকেও খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিতে হয় চিনি । বাজারে বিভিন্ন পণ্যের মোড়কে দেখা যায় লেখা রয়েছে ‘সুগার ফ্রি’ বা ‘নো অ্যাডেড সুগার’।