চরচা ডেস্ক

চিকিৎসাবিজ্ঞানের জগতে এক অভূতপূর্ব ও চমকপ্রদ তথ্য সামনে এনেছেন ক্যানসার বিশেষজ্ঞরা। বিশ্বজুড়ে স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য যেসব ওষুধ কোটি কোটি মানুষ ব্যবহার করছেন, সেগুলোই ক্যানসারের ঝুঁকি এবং মৃত্যুর হার প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে বলে গবেষণায় দেখা গেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান বলছে, শিকাগোতে অনুষ্ঠিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্যানসার সম্মেলন ‘আমেরিকান সোসাইটি অব ক্লিনিক্যাল অনকোলজি’-এর বার্ষিক সভায় উপস্থাপিত একাধিক বড় গবেষণায় এই নতুন তথ্য সামনে এল।
মূলত টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য তৈরি এই ওষুধগুলো কীভাবে ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করছে, তা নিয়ে বিস্তর গবেষণা হয়েছে। প্রায় এক লাখ দশ হাজার নারীর ওপর চালানো একটি বড় বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যারা এই ওষুধগুলো নিয়মিত সেবন করেছেন, তাদের স্তন ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় এক-তৃতীয়াংশ কমে গেছে।
ইতালির একটি ক্যানসার সেন্টারের করা অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের প্রচলিত চিকিৎসার পাশাপাশি এই ওষুধ দেওয়ার ফলে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকিও ৩০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
এমনকি ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের আরেকটি গবেষণায় উঠে এসেছে, ফুসফুস, স্তন, অন্ত্র কিংবা লিভারের ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এই ওষুধ ব্যবহারে রোগটি মারাত্মক পর্যায়ে অর্থাৎ ‘স্টেজ-ফোর’-এ রূপ নেওয়ার ঝুঁকি প্রায় অর্ধেক হয়ে যায়।
চিকিৎসকদের মতে, এই ওষুধগুলো কেবল ওজন কমায় বলেই ক্যানসার ঠেকিয়ে রাখছে–বিষয়টি পুরোপুরি তেমন নয়। অতিরিক্ত ওজন কমানোর পাশাপাশি এই ওষুধগুলো শরীরের ভেতরের দীর্ঘমেয়াদি মৃদু প্রদাহ দূর করতে দারুণ কার্যকর।
গবেষকরা দীর্ঘদিন ধরেই ধারণা করছিলেন, এই অভ্যন্তরীণ প্রদাহ ক্যানসার ছড়াতে সাহায্য করে। ফলে ওষুধটির প্রদাহ-বিরোধী গুণ সরাসরি টিউমারের বৃদ্ধি এবং তা ছড়িয়ে পড়া রোধে ভূমিকা রাখছে।
অবশ্য এখনই এটিকে চূড়ান্ত চিকিৎসা হিসেবে ঘোষণা করতে নারাজ গবেষকরা। ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভেনিয়ার অধ্যাপক ড. এলিজাবেথ ম্যাকডোনাল্ড জানিয়েছেন, এটি একটি পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণা হলেও ক্যানসার প্রতিরোধের হাতিয়ার হিসেবে এই ওষুধের কার্যকারিতা খতিয়ে দেখার জন্য এটি অত্যন্ত শক্তিশালী একটি ভিত্তি তৈরি করেছে।
অন্যদিকে, ক্যানসার আক্রান্ত অনেক রোগী জানিয়েছেন এই ওষুধ সেবনের ফলে ক্যানসারের মূল চিকিৎসার অন্যান্য কঠিন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোও অনেকটাই কমে গেছে এবং তারা আগের চেয়ে ভালো বোধ করছেন।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের জগতে এক অভূতপূর্ব ও চমকপ্রদ তথ্য সামনে এনেছেন ক্যানসার বিশেষজ্ঞরা। বিশ্বজুড়ে স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য যেসব ওষুধ কোটি কোটি মানুষ ব্যবহার করছেন, সেগুলোই ক্যানসারের ঝুঁকি এবং মৃত্যুর হার প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে বলে গবেষণায় দেখা গেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান বলছে, শিকাগোতে অনুষ্ঠিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্যানসার সম্মেলন ‘আমেরিকান সোসাইটি অব ক্লিনিক্যাল অনকোলজি’-এর বার্ষিক সভায় উপস্থাপিত একাধিক বড় গবেষণায় এই নতুন তথ্য সামনে এল।
মূলত টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য তৈরি এই ওষুধগুলো কীভাবে ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করছে, তা নিয়ে বিস্তর গবেষণা হয়েছে। প্রায় এক লাখ দশ হাজার নারীর ওপর চালানো একটি বড় বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যারা এই ওষুধগুলো নিয়মিত সেবন করেছেন, তাদের স্তন ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় এক-তৃতীয়াংশ কমে গেছে।
ইতালির একটি ক্যানসার সেন্টারের করা অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের প্রচলিত চিকিৎসার পাশাপাশি এই ওষুধ দেওয়ার ফলে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকিও ৩০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
এমনকি ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের আরেকটি গবেষণায় উঠে এসেছে, ফুসফুস, স্তন, অন্ত্র কিংবা লিভারের ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এই ওষুধ ব্যবহারে রোগটি মারাত্মক পর্যায়ে অর্থাৎ ‘স্টেজ-ফোর’-এ রূপ নেওয়ার ঝুঁকি প্রায় অর্ধেক হয়ে যায়।
চিকিৎসকদের মতে, এই ওষুধগুলো কেবল ওজন কমায় বলেই ক্যানসার ঠেকিয়ে রাখছে–বিষয়টি পুরোপুরি তেমন নয়। অতিরিক্ত ওজন কমানোর পাশাপাশি এই ওষুধগুলো শরীরের ভেতরের দীর্ঘমেয়াদি মৃদু প্রদাহ দূর করতে দারুণ কার্যকর।
গবেষকরা দীর্ঘদিন ধরেই ধারণা করছিলেন, এই অভ্যন্তরীণ প্রদাহ ক্যানসার ছড়াতে সাহায্য করে। ফলে ওষুধটির প্রদাহ-বিরোধী গুণ সরাসরি টিউমারের বৃদ্ধি এবং তা ছড়িয়ে পড়া রোধে ভূমিকা রাখছে।
অবশ্য এখনই এটিকে চূড়ান্ত চিকিৎসা হিসেবে ঘোষণা করতে নারাজ গবেষকরা। ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভেনিয়ার অধ্যাপক ড. এলিজাবেথ ম্যাকডোনাল্ড জানিয়েছেন, এটি একটি পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণা হলেও ক্যানসার প্রতিরোধের হাতিয়ার হিসেবে এই ওষুধের কার্যকারিতা খতিয়ে দেখার জন্য এটি অত্যন্ত শক্তিশালী একটি ভিত্তি তৈরি করেছে।
অন্যদিকে, ক্যানসার আক্রান্ত অনেক রোগী জানিয়েছেন এই ওষুধ সেবনের ফলে ক্যানসারের মূল চিকিৎসার অন্যান্য কঠিন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোও অনেকটাই কমে গেছে এবং তারা আগের চেয়ে ভালো বোধ করছেন।

প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষকদের জন্য পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় ঋণ বিতরণে অগ্রাধিকার দিতে সব তফসিলি ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিশেষ করে কৃষক স্মার্ট কার্ডধারী এবং অতিবৃষ্টি ও ফসলহানিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।