Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

তরুণেরা কৃষিতে আগ্রহী নয়, সমাধান কী?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯: ৫৬
তরুণেরা কৃষিতে আগ্রহী নয়, সমাধান কী?

চলতি বছরের জানুয়ারিতে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য একটি অনুদান কর্মসূচি চালু করেছে মালয়েশিয়া। তবে এই কর্মসূচি সাধারণ প্রযুক্তিপ্রেমীদের জন্য নয়, দেশের কৃষিখাতের জন্য কর্মসূচিটি গ্রহণ করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো, আরও বেশি তরুণকে কৃষিখাতে আগ্রহী করে তোলা। তবে মালয়েশিয়াই একমাত্র দেশ নয়, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডেও একই ধরনের কৃষিভিত্তিক কর্মসূচি রয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিগত কয়েক বছর ধরে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নীতিনির্ধারকরা কৃষির চেয়ে শিল্পকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছিলেন। তাদের সামনে এখন ভিন্ন সমস্যা। কৃষিখাতে কর্মরত মানুষরা ক্রমে বয়স্ক হয়ে পড়ছেন। মালয়েশিয়ায় কৃষকদের গড় বয়স ৬০ বছর, ফিলিপাইনে ৫৬। সমগ্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সামগ্রিক কৃষিশ্রমিকদের এক-তৃতীয়াংশের বয়স ৫৫ বা তার বেশি, এক দশক আগেও যা এক-পঞ্চমাংশেরও কম ছিল।

কিছু দিক থেকে এটি ইতিবাচক। শহরে ভালো কাজ পাওয়ায় অনেক তরুণ গ্রাম ছেড়ে চলে গেছে। আর গ্রামে যারা থেকে গেছে, তারা আগের তুলনায় বেশি দিন বাঁচছে। কারণ গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার মান আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে।

এরপরও গ্রামীণ জনসংখ্যার বার্ধক্য কৃষিখাতকে হুমকির মুখে ফেলছে, যা এখনও দেশভেদে জিডিপির ৯ থেকে ২২ শতাংশ যোগান দেয় এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রায় ৩০ শতাংশ কর্মসংস্থান জোগায়। কৃষকদের বয়স যত বাড়তে থাকে, ততই তাদের উৎপাদনশীলতা কমতে থাকে। শুধু শারীরিক সমস্যা না, বয়স্ক কৃষকেরা নতুন বীজের জাত বা আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে আগ্রহী নন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েকটি দেশের সরকার আশঙ্কা করছে, এর ফলে খাদ্য সরবরাহ বিপন্ন হতে পারে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থনীতিবিদ আইকো কিক্কাওয়া বলেন, “দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আপাতত খাদ্যের ঘাটতি নেই। তবে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যযুদ্ধের যুগে ভবিষ্যতের জন্য খাদ্যনিরাপত্তার ঝুঁকিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।”

বেশিরভাগ বয়স্ক কৃষকেরা আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে আগ্রহী নন। ছবি: রয়টার্স
বেশিরভাগ বয়স্ক কৃষকেরা আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে আগ্রহী নন। ছবি: রয়টার্স

এর একটি সম্ভাব্য সমাধান হলো, কৃষকদের কাছে প্রয়োজনীয় আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা এবং বয়স বাড়লেও তারা যাতে উৎপাদনশীল থাকতে পারেন সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কৃষকেরা সাধারণত এত ছোট জমিতে কাজ করেন যে আধুনিক প্রযুক্তি কেনার জন্য পুঁজি জোগাড় করা কঠিন। ঋণসুবিধা বৃদ্ধি বা যন্ত্র ভাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা এ ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।

সরকার তরুণদের আবার কৃষিমুখী করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এটা বাস্তবায়ন করা অনেক কঠিন হবে। শহুরে চাকরিতে শুধু উচ্চ বেতনই না সামাজিক মর্যাদাও আছে। এই কাজ ছেড়ে গ্রামে ফিরে কাদামাটি মাখা অনেকের কাছেই যুক্তিসংগতও নয়। এ ছাড়া কৃষকরাই চান না, তাদের সন্তান কৃষিকাজ করুক। ২০২০ সালে ফিলিপাইনের ধানচাষীদের ওপর করা এক জরিপে দেখা যায়, প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কৃষক চান না তাদের সন্তানরা তাদের পেশা অনুসরণ করুক।

কৃষিকে আরও আকর্ষণীয় পেশা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য খামারের পরিধি বড় হওয়া প্রয়োজন। যাতে বেশি পরিমাণে উৎপাদন নিশ্চিত করা যায়, যন্ত্রপাতির বিনিয়োগকে লাভজনক করা সম্ভব হয় এবং উচ্চতর আয় নিশ্চিত করা যায়। জাপানে অনেক ছোট ছোট জমি একত্রীকরণ করে আংশিকভাবে এই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে বলে এডিবির গবেষণায় উঠে এসেছে।

জাপানের এই মডেল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রয়োগ করা সহজ হবে না। কারণ এখানে জমির মালিকানা শুরু থেকেই বেশি খণ্ডিত। ক্ষুদ্র পুঁজির কৃষকরা অধিকাংশ সময় দুর্বল সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে তাদের জমি আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়।

জন্মহার হ্রাস এবং আয়ু বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে, কৃষি ছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য শিল্পও ভবিষ্যতে একই ধরনের জনসংখ্যাগত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। বয়স্ক কৃষকদের সমস্যা সরকারগুলো কীভাবে সামাল দেয়, তা থেকেই বোঝা যাবে বৃহত্তর এই রূপান্তর তারা কতটা দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারবে।

বিষয়: এডিবিকৃষি খাতজাপানকৃষিকৃষকফিলিপাইনথাইল্যান্ডদ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনমালয়েশিয়াইন্দোনেশিয়াএশিয়া
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।