
দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, ভোক্তাদের ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্যসচেতনতাও পেপসিকে বেশ ভোগাচ্ছে। অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার নিয়ে অস্বস্তি যেমন স্ন্যাকস ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, তেমনি ওজন কমানোর ওষুধের জনপ্রিয়তাও দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যের পর আরও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জানুয়ারিতে ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণাধীন গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় ন্যাটোর কিছু সদস্য আশঙ্কা করছেন, রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাত হলে যুক্তরাষ্ট্রকে তারা পাশে না-ও পেতে পারে, পাশাপাশি ন্যাটোর পদক্ষেপেও বাধা দিতে পারে দেশটি।

ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উন্নত দেশগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ মা বুকের দুধ খাওয়ানো শুরু করলেও, তাদের এক-চতুর্থাংশ মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন। এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ, পর্যাপ্ত দুধ না হওয়ার ভয় এবং তীব্র শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি।

দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, তানজানিয়াজুড়ে একটা ভয়ের আবহ তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষ গণহত্যার বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে আতঙ্ক বোধ করছে। বিরোধী নেতাদের অনেকে কারাগারে, গণমাধ্যমও কার্যত নিয়ন্ত্রিত। আন্তর্জাতিক মহল থেকেও কার্যকর সহায়তার সম্ভাবনা কম।

মার্কিন লেখক আর্সালা কে. লে গুইনের সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস ‘দ্য লেফট হ্যান্ড অফ ডার্কনেস’-এ ‘উইন্টার’ নামক এক কাল্পনিক গ্রহের কথা বলা হয়েছে। সেখানকার বাসিন্দারা মূলত উভলিঙ্গ। তারা মাসে মাত্র কয়েকদিনের জন্য দৈবচয়ন ভিত্তিতে নারী অথবা পুরুষ যেকোনো একটি লিঙ্গের বৈশিষ্ট্য পায়। লে গুইন লিখেছেন, মানব সভ্যতার

বিগত কয়েক বছর ধরে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নীতিনির্ধারকরা কৃষির চেয়ে শিল্পকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছিলেন। তাদের সামনে এখন ভিন্ন সমস্যা। কৃষিখাতে কর্মরত মানুষরা ক্রমে বয়স্ক হয়ে পড়ছেন।