আমরা
প্রতিবেদক, চরচা
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার কথা বলে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া আনা হয়েছে। খসড়ার ধারা ৩(২)-এ কমিশনকে ‘একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান’ বলা হয়েছে; মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নে কমিশনের ‘সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে’ কাজ করার কথাও সেখানে রয়েছে।
ইসির খসড়া রোডম্যাপে ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজনের কারণ হিসেবে অতীতের নির্বাচনে ধাপগুলোর মধ্যে সময়ের ব্যবধান কম থাকার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
প্রায় ৩৫ বছর পর আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে হতে যাচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে হবে রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচনের ভোট। ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর একাধিক প্রার্থী থাকায় সংসদে ভোট হয়েছিল। এরপর প্রতিটি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থী বিন
বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিন ‘অসুস্থতাজনিত কারণ’ দেখিয়ে পদত্যাগ করার পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংবিধান ও বিদ্যমান আইনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া,সময়সীমা ও ধাপগুলো সম্পর্কে বলা হয়েছে।
সদ্য রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়া মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জন ওঠার সাথে সাথেই তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছিল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। পরে শুক্রবার সাহবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর এনসিপি সংবাদ সম্মেলন করে একই দাবি তোলে।
গত সোমবার ইসির ১২তম কমিশন সভায় অনুমোদিত সংশোধনীর প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নতুন চারটি অযোগ্যতার শর্ত সংযোজন। তবে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ ঠেকাতে আলাদা কোনো বিধান আপাতত বিবেচনায় নেই।
সেই প্রেক্ষাপটে এই প্রশ্ন এখনো প্রাসঙ্গিক–জামায়াত কি বিএনপির পথে হাঁটছে, নাকি তারা নতুন এক রাজনৈতিক কাঠামোর দাবি তুলছে, যা ভবিষ্যতের সংবিধান সংস্কারের ধরন নির্ধারণ করবে?
প্রশ্ন উঠেছে, উগ্রবাদে অভিযুক্ত একজন ব্যক্তি কীভাবে এনসিপির একটি মহানগর কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে এলেন? দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বাজেটের ওপর আলোচনা নিয়ে সংসদে সংসদ সদস্যরা বক্তব্য দেন। তারা এর ওপর তাদের দাবি তুলে ধরেন। কিন্তু অর্থবিল পাসের সময় যেসব সংশোধনী দেন, সেগুলো মূলত আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব। সরকার এর কিছু গ্রহণ করে, কিছু করে না। অনেক সময় সরকারি দলের সদস্যরাও সংশোধনী প্রস্তাব আনেন। মূলত সরকার প্রস্তাবিত বাজেটে কিছু পরিবর্তন
জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের বিপরীতে নিজেদের ছায়া বাজেট প্রকাশ করেছিল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ছায়া বাজেটে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যয় এবং উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব আলোচনার জন্ম দিয়েছে। শুধু প্রস্তাব নয়, বাজেট অধিবেশনে দলটির সংসদ সদস্যদের এ–সংক্রান্ত বক্তব্যও সবার নজর
আমদানিকারকরা বলছেন, এই সংকটের শেষ হতে সময় লাগতে পারে চলতি বছরের শেষ নাগাদ। ফলে কম্পিউটার পণ্যের শুল্ক প্রত্যাহারের সুবিধা সহসাই মিলছে না। বরং কিছুটা সময় নিয়ে এর প্রভাব দৃশ্যমান হতে পারে।
আইভীর রাজনীতিতে ফেরা নিয়ে তিনি এবং তার ঘনিষ্ঠরা সুনির্দিষ্ট কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তার শুভানুধ্যায়ী ও সমর্থকেরা মনে করেন, নির্বাচনে অংশ নিলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন তিনি।
চলতি বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে মন্ত্রী পর্যায়ে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এখন পর্যন্ত প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী বলেছে, তারা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোয় এককভাবে নির্বাচন করবে।
বর্তমানে দেশে ১২টি সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপযোগী অবস্থায় রয়েছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের জুনে, আর চট্টগ্রামের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও রংপুর সিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা আগামী বছর।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি দুই শতাধিক আসনে জয় পেয়ে রাজ্য সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। রাজ্যটিতে প্রথমবারের মতো বিজেপি জয় পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আলোচনার তুঙ্গে রয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি ও পুশ ইনের বিষয়টি।
নির্বাচিতদের অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় চরচাকে বলেন, “ভারতের জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে তাদের নেতা নির্বাচন করেছে। সেখানে কোন দল ক্ষমতায় এল-না এল তা মুখ্য না। তা নিয়ে আমাদের মাথাব্যথাও নেই। আমরা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করি। তাই যে-ই
‘‘৫ আগস্টের পর থেকে শিবির কোভার্ট পলিটিক্স করেছে, যেটা ডাকসুতেও দেখেছি…। কিন্তু দিনের পর দিন যখন এই মুখোশটা খসে পড়তে শুরু করল, তখন শিক্ষার্থীদের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরি হয়। এই অবিশ্বাসের ফলে ধীরে ধীরে সম্পৃক্ততা কমে যায়।”
‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন জাতীয় সংসদে এক জটিল ও বহুস্তরীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে। ঠিক ছয় মাস আগে সনদটি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনেও ছিল একই চিত্র। সনদের আইনি বৈধতা এবং বাস্তবায়নের পথ নিয়ে মতপার্থক্য নানা পথ ঘুরে শেষমেশ যেন আবার একই বিন্দুতে এসে পৌঁছেছে।
জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর অধীনে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন হয়। ওই আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনের ক্ষেত্রে অন্যান্য বিধিমালার জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (আরপিও)-এর অধীনে প্রণীত বিধিমালা প্রযোজ্য হবে।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “যাছাই-বাছাইয়ে কারো প্রার্থিতা বাতিল হলে আইন অনুযায়ী আসন উন্মুক্ত হয়ে যাবে। এরপর আমরা আবার একটা তফসিল দেব। ওই আসনে সবাই যার যার প্রার্থী দেবে। এরপর সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে ওই উন্মুক্ত আসনের প্রার্থী নির্বাচন করবেন।”
দীর্ঘদিন ধরেই এই আসনগুলোর মনোনয়ন প্রক্রিয়া পুরোপুরি দলীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। ফলে ঘুরেফিরে প্রশ্ন উঠছেই, নারীর ক্ষমতায়ন বাস্তবে হচ্ছে নাকি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হচ্ছে?
নানা জল্পনা কল্পনার পর জাপার অধিকাংশ নেতা জিএম কাদের নেতৃত্বাধীন অংশের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেয়। তবে এ ভাঙনের ফলে জাপা সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। সংসদ নির্বাচনের পর দুই অংশের মধ্যে ঐক্যের সম্ভাবনা কম।
সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরাও জোট গঠনের পথে হাঁটছেন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া চিঠি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, জোটভিত্তিক এই সমীকরণে বিএনপি ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের মতোই ছয় স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যও সংরক্ষিত নারী আসনে একজনকে মন
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন বিকাল সাড়ে ৪টায় পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরু হয়। পোস্টাল ভোটের জন্য প্রতিটি সংসদীয় আসনে একজন করে মোট ৩০০ জন প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ দেয় ইসি। তাদের তত্ত্বাবধানে ডাকযোগে প্রাপ্ত ব্যালটগুলো যাচাই ও গণনা করা হয়।