সংরক্ষিত নারী আসন: বিএনপি-জামায়াতের পাশাপাশি স্বতন্ত্রদেরও জোট
তাসীন মল্লিক
প্রকাশ : ০১ এপ্রিল ২০২৬, ২২: ৪৬
ছবি: বাসস
সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরাও জোট গঠনের পথে হাঁটছেন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া চিঠি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, জোটভিত্তিক এই সমীকরণে বিএনপি ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের মতোই ছয় স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যও সংরক্ষিত নারী আসনে একজনকে মনোনীত করতে যাচ্ছেন।
ইসি সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা শাখা থেকে জানা গেছে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ও জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট–উভয়ই সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনেও তাদের আগের জোট কাঠামো বহাল রাখছে। ফলে সংসদ নির্বাচনে যে রাজনৈতিক সমীকরণ ছিল, সেটিই এখানে কার্যকর থাকছে। আর স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচিত সাতজন এমপির মধ্যে ছয়জন একটি পৃথক জোট গঠন করেছেন। এই জোট সংরক্ষিত নারী আসনে সম্মিলিতভাবে একজন প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ চরচাকে বলেন, ‘‘দলগুলো চিঠি দিয়ে নিজেদের জোটগত অবস্থান পরিষ্কার করেছে। নির্ধারিত সময়সীমা ৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছিল। রাজনৈতিক দলগুলো তার আগেই তাদের অবস্থান লিখিতভাবে জানিয়ে দিয়েছে। এখন আইন অনুযায়ী কোন জোট কতটি আসন পাবে–আমরা হিসাব করব।’’
আগামী ৬ এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ চরচাকে বলেন, “৬ এপ্রিল কমিশন সভায় সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচনের তফসিল, তারিখ ঘোষণার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। আমরা শিডিউল দিলেই দলগুলো তাদের প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়ে দেবে।’’
এই নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘‘দলগুলো সাধারণত বরাদ্দকৃত আসনের সমানসংখ্যক প্রার্থীই মনোনয়ন দিয়ে থাকে। এমন হলে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়ের শেষ দিন তাদের মনোনীত প্রার্থিদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা যাবে।”
আইন অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিনিধিত্বকারী সব দল ও স্বতন্ত্র সদস্যদের কাছে নিজেদের জোটগত অবস্থান জানতে চায় ইসি। নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়। সে হিসাবে আগামী ১৪ মে’র মধ্যেই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
কোন জোটের কত আসন
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি। প্রতি ছয়জন সাধারণ সদস্যের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন হবে। কোনো কারণে বণ্টন করা আসনসংখ্যা মোট আসনের চেয়ে বেড়ে গেলে ভগ্নাংশের হিসাবে হেরফের হতে পারে। আইনে কোনো কোনো ক্ষেত্রে লটারির বিধানও রয়েছে।
এবার হিসাব করা হচ্ছে ২৯৭টি আসনের ভিত্তিতে। কারণ, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফল আদালতের আদেশে স্থগিত রয়েছে। সে হিসাবে বিএনপি ২০৯টি সাধারণ আসন নিয়ে আনুমানিক ৩৫টি সংরক্ষিত আসন পাবে। তবে তাদের জোটসঙ্গী গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও গণসংহতি আন্দোলনকে সঙ্গে নিয়ে এ সংখ্যা বেড়ে ৩৬-এ দাঁড়াবে।
ফাইল ছবি: চরচা
অন্যদিকে, ৬৮টি আসন পাওয়া জামায়াতে ইসলামী সংবিধান অনুযায়ী এককভাবে প্রায় ১১টি সংরক্ষিত আসনের অধিকারী। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এবং খেলাফত মজলিসকে নিয়ে তাদের জোটগত সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১৩-তে।
এ দুই জোটের বাইরে নির্বাচিত সাত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যের মধ্যে ছয়জন ইসিতে জোটবদ্ধ থাকার চিঠি দিয়েছেন। ফলে সংরক্ষিত আসনে তারা মনোনয়ন দিতে পারবে একজনকে। আর স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা এবং বরগুনা-১ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ওলি উল্লাহ কোনো জোটে যুক্ত হননি।
সব মিলিয়ে, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সামনে থাকলেও জোটভিত্তিক সমীকরণ, আনুপাতিক বণ্টন এবং প্রার্থী মনোনয়নের ধরন মিলিয়ে এটি কার্যত একটি পূর্বনির্ধারিত প্রক্রিয়ায় পরিণত হচ্ছে, যেখানে ভোটের আনুষ্ঠানিকতা থাকলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা খুব সীমিত।
প্রার্থী মনোনয়ন: তফসিলের পর সমঝোতা
সংরক্ষিত নারী আসনগুলোতে প্রার্থী মনোনয়নে নিজেদের মধ্যে সমঝোতার ইঙ্গিত দিয়েছে জোটের শীর্ষ নেতারা। বিএনপির দায়িত্বশীল কারও বক্তব্য না পাওয়া গেলেও দলটির নির্বাচনী জোটের শরিক দুই দলের নেতারা জানিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে নিজেদের প্রত্যাশা নিয়ে আলোচনা করবেন তারা।
গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ চরচাকে বলেন, ‘‘সংরক্ষিত নারী আসনে আমাদের দলের একজন সদস্য মনোনয়নের ব্যাপারে বিএনপির সঙ্গে আগেই আলাপ ছিল। যেহেতু আমরা জোটে রয়েছি এটি নিয়ে আলোচনা হবে।’’
অপরদিকে গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল চরচাকে জানিয়েছেন, ‘‘সংরক্ষিত নারী আসনের আলোচনা তফসিল ঘোষণার পর হয়তো হবে। এখনো এ বিষয়ে তেমন কোনো তথ্য উল্লেখ করার মতো নেই।’’
তফসিলের পরই সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে জোট শরিকদের সঙ্গে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। চরচাকে তিনি বলেন, “নিয়ম অনুযায়ী যে যা পান, তাই পাবেন। এ আলোচনাটা ইসি তফসিল ঘোষণার পর শুরু হবে। তখনই আপনারা জানতে পারবেন।’’
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক এনসিপি এককভাবে ছয়টি সাধারণ আসনে জয়ী হওয়ায় একটি সংরক্ষিত আসন পাবে। তবে দলটির জোটের সমঝোতার ভিত্তিতে একাধিক আসন পেতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
সমঝোতার ভিত্তিতে একাধিক আসন নিয়ে জোটে আলোচনার হয়েছে কি না–এমন প্রশ্নের জবাবে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন চরচাকে বলেন, ‘‘এ বিষয়ে দলের ঊর্ধ্বতন পরিষদ সিদ্ধান্ত জানাবে। এখন এ বিষয়ে কোনো তথ্য আমার জানা নেই।’’
ছবি: বাসস
সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরাও জোট গঠনের পথে হাঁটছেন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া চিঠি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, জোটভিত্তিক এই সমীকরণে বিএনপি ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের মতোই ছয় স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যও সংরক্ষিত নারী আসনে একজনকে মনোনীত করতে যাচ্ছেন।
ইসি সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা শাখা থেকে জানা গেছে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ও জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট–উভয়ই সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনেও তাদের আগের জোট কাঠামো বহাল রাখছে। ফলে সংসদ নির্বাচনে যে রাজনৈতিক সমীকরণ ছিল, সেটিই এখানে কার্যকর থাকছে। আর স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচিত সাতজন এমপির মধ্যে ছয়জন একটি পৃথক জোট গঠন করেছেন। এই জোট সংরক্ষিত নারী আসনে সম্মিলিতভাবে একজন প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ চরচাকে বলেন, ‘‘দলগুলো চিঠি দিয়ে নিজেদের জোটগত অবস্থান পরিষ্কার করেছে। নির্ধারিত সময়সীমা ৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছিল। রাজনৈতিক দলগুলো তার আগেই তাদের অবস্থান লিখিতভাবে জানিয়ে দিয়েছে। এখন আইন অনুযায়ী কোন জোট কতটি আসন পাবে–আমরা হিসাব করব।’’
আগামী ৬ এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ চরচাকে বলেন, “৬ এপ্রিল কমিশন সভায় সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচনের তফসিল, তারিখ ঘোষণার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। আমরা শিডিউল দিলেই দলগুলো তাদের প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়ে দেবে।’’
এই নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘‘দলগুলো সাধারণত বরাদ্দকৃত আসনের সমানসংখ্যক প্রার্থীই মনোনয়ন দিয়ে থাকে। এমন হলে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়ের শেষ দিন তাদের মনোনীত প্রার্থিদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা যাবে।”
আইন অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিনিধিত্বকারী সব দল ও স্বতন্ত্র সদস্যদের কাছে নিজেদের জোটগত অবস্থান জানতে চায় ইসি। নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়। সে হিসাবে আগামী ১৪ মে’র মধ্যেই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
কোন জোটের কত আসন
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি। প্রতি ছয়জন সাধারণ সদস্যের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন হবে। কোনো কারণে বণ্টন করা আসনসংখ্যা মোট আসনের চেয়ে বেড়ে গেলে ভগ্নাংশের হিসাবে হেরফের হতে পারে। আইনে কোনো কোনো ক্ষেত্রে লটারির বিধানও রয়েছে।
এবার হিসাব করা হচ্ছে ২৯৭টি আসনের ভিত্তিতে। কারণ, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফল আদালতের আদেশে স্থগিত রয়েছে। সে হিসাবে বিএনপি ২০৯টি সাধারণ আসন নিয়ে আনুমানিক ৩৫টি সংরক্ষিত আসন পাবে। তবে তাদের জোটসঙ্গী গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও গণসংহতি আন্দোলনকে সঙ্গে নিয়ে এ সংখ্যা বেড়ে ৩৬-এ দাঁড়াবে।
ফাইল ছবি: চরচা
অন্যদিকে, ৬৮টি আসন পাওয়া জামায়াতে ইসলামী সংবিধান অনুযায়ী এককভাবে প্রায় ১১টি সংরক্ষিত আসনের অধিকারী। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এবং খেলাফত মজলিসকে নিয়ে তাদের জোটগত সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১৩-তে।
এ দুই জোটের বাইরে নির্বাচিত সাত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যের মধ্যে ছয়জন ইসিতে জোটবদ্ধ থাকার চিঠি দিয়েছেন। ফলে সংরক্ষিত আসনে তারা মনোনয়ন দিতে পারবে একজনকে। আর স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা এবং বরগুনা-১ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ওলি উল্লাহ কোনো জোটে যুক্ত হননি।
সব মিলিয়ে, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সামনে থাকলেও জোটভিত্তিক সমীকরণ, আনুপাতিক বণ্টন এবং প্রার্থী মনোনয়নের ধরন মিলিয়ে এটি কার্যত একটি পূর্বনির্ধারিত প্রক্রিয়ায় পরিণত হচ্ছে, যেখানে ভোটের আনুষ্ঠানিকতা থাকলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা খুব সীমিত।
প্রার্থী মনোনয়ন: তফসিলের পর সমঝোতা
সংরক্ষিত নারী আসনগুলোতে প্রার্থী মনোনয়নে নিজেদের মধ্যে সমঝোতার ইঙ্গিত দিয়েছে জোটের শীর্ষ নেতারা। বিএনপির দায়িত্বশীল কারও বক্তব্য না পাওয়া গেলেও দলটির নির্বাচনী জোটের শরিক দুই দলের নেতারা জানিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে নিজেদের প্রত্যাশা নিয়ে আলোচনা করবেন তারা।
গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ চরচাকে বলেন, ‘‘সংরক্ষিত নারী আসনে আমাদের দলের একজন সদস্য মনোনয়নের ব্যাপারে বিএনপির সঙ্গে আগেই আলাপ ছিল। যেহেতু আমরা জোটে রয়েছি এটি নিয়ে আলোচনা হবে।’’
অপরদিকে গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল চরচাকে জানিয়েছেন, ‘‘সংরক্ষিত নারী আসনের আলোচনা তফসিল ঘোষণার পর হয়তো হবে। এখনো এ বিষয়ে তেমন কোনো তথ্য উল্লেখ করার মতো নেই।’’
তফসিলের পরই সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে জোট শরিকদের সঙ্গে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। চরচাকে তিনি বলেন, “নিয়ম অনুযায়ী যে যা পান, তাই পাবেন। এ আলোচনাটা ইসি তফসিল ঘোষণার পর শুরু হবে। তখনই আপনারা জানতে পারবেন।’’
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক এনসিপি এককভাবে ছয়টি সাধারণ আসনে জয়ী হওয়ায় একটি সংরক্ষিত আসন পাবে। তবে দলটির জোটের সমঝোতার ভিত্তিতে একাধিক আসন পেতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
সমঝোতার ভিত্তিতে একাধিক আসন নিয়ে জোটে আলোচনার হয়েছে কি না–এমন প্রশ্নের জবাবে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন চরচাকে বলেন, ‘‘এ বিষয়ে দলের ঊর্ধ্বতন পরিষদ সিদ্ধান্ত জানাবে। এখন এ বিষয়ে কোনো তথ্য আমার জানা নেই।’’