Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

এবার এমপিদেরও দিতে হতে পারে ভোট, কেন?

তাসীন মল্লিক

তাসীন মল্লিক

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ২২: ১০
এবার এমপিদেরও দিতে হতে পারে ভোট, কেন?

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন পদ্ধতি বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনের তুলনায় আলাদা। এখানে জনগণ সরাসরি ভোট দেন না; বরং নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের (এমপি) দল বা জোটের মনোনয়নের ভিত্তিতে এসব আসনের প্রতিনিধিদের নির্বাচন করা হয়। আসন সংখ্যা আর প্রার্থীর সংখ্যা সমান হওয়ায় সাধারণত এখানে এখন পর্যন্ত ভোটের প্রয়োজন পড়েনি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে এবার একটি আইনি জটিলতার কারণে হয়তো সংরক্ষিত আসনের সদস্য নির্বাচনে এমপিদের ভোট দেওয়া লাগতে পারে।

কেন এমপিদের ভোটের দরকার পড়তে পারে?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ৩৬ জন এবং জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেয়। এর মধ্যে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনিরা শারমিনের মনোনয়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মনিরা সরকারি চাকরি থেকে অবসরের চার মাসের মধ্যেই প্রার্থী হয়েছেন। আইনে বলা আছে, সরকারি চাকরি থেকে অবসর বা পদত্যাগের পর তিন বছর না পেরোলে কেউ সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হতে পারবেন না। এই কারণে তার মনোনয়ন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

প্রার্থিতা বাতিল হলে আইন অনুযায়ী ওই সংরক্ষিত আসনটি সব দলের প্রার্থীর জন্য উন্মুক্ত হবে। উন্মুক্ত আসনে অনুষ্ঠিত হবে উপনির্বাচন।

সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত-এনসিপি জোটের প্রার্থী ঘোষণাNCP & Jamat

যেভাবে ভোট দেবেন এমপিরা

প্রার্থিতা বাতিল হলে আইন অনুযায়ী উন্মুক্ত আসনের নারী সদস্য নির্বাচনে ইসি একটি নতুন তফসিল ঘোষণা করবে। তফসিল অনুযায়ী উন্মুক্ত আসনটিতে সব রাজনৈতিক দল বা জোট নতুন করে প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। এরপর সংসদ সদস্যদের ভোটে ওই আসনের প্রতিনিধি নির্বাচন করা হবে।

সংসদ সদস্যদের ভোট গ্রহণের যাবতীয় ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ক্ষেত্রে ভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ভবনে অথবা ইসি নির্ধারিত স্থানে।

মনিরা শারমিন। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া
মনিরা শারমিন। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ চরচাকে বলেন, ‘‘আসন উন্মুক্ত হলে আমরা তফসিল দেব। দলগুলো নিজেদের মতো প্রার্থী দেবে। এরপর নির্বাচনের দিন এমপিরা নির্বাচন কমিশনে কিংবা নির্ধারিত স্থানে এসে উন্মুক্ত আসনের প্রার্থী নির্বাচনে ভোট দেবেন।’’

সংরক্ষিত আসনে এনসিপির মনিরার প্রার্থিতা স্থগিতmonira

বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা

তবে এ বিষয়ে করণীয়র বিষয়টি স্পষ্ট হবে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরের পর। কারণ, এ দিন সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন।

মনিরা শারমিন মনোনয়নপত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করা নথিতে সরকারি পে-স্কেলে বেতন তোলার তথ্য দিয়েছেন। কিন্তু কবে, কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন–সে তথ্য না থাকায় সময় বাড়ানো হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশেষায়িত ব্যাংক বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। পরে তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে পদত্যাগ করেন। অর্থাৎ, প্রার্থী হওয়ার আগে তার চাকরি ছাড়ার সময়সীমা তিন বছর পূর্ণ হয়নি।

মনিরা শারমিন চরচাকে বলেন, “বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক একটা বিশেষায়িত ব্যাংক এবং একটা সেকেন্ড ক্লাস পদ, যা রাষ্ট্রের কোনো লাভজনক পদ না। নির্বাচন কমিশন বিষয়গুলো জানে। আমি মনে করি কোনো সমস্যা হবে না।”

এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিলnusrat rabassum

অবশ্য নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ চরচাকে বলেন, “আরপিওর বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নাই। প্রার্থীরা আপিল করতে পারবেন।”

এদিকে মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিলের আশঙ্কা মাথায় রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও জমা দিয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের পর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় তা বাতিল করেছে ইসি। তবে এর বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রয়েছে তার। ফলে মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল হলেও নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুজনের যে কেউ মনোনয়ন ফিরে পেলে নির্বাচনের প্রয়োজন নাও হতে পারে।

নুসরাত তাবাসসুম। ছবি: ফেসবুক
নুসরাত তাবাসসুম। ছবি: ফেসবুক

আইনে কী বলা আছে?

জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর অধীনে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন হয়। ওই আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনের ক্ষেত্রে অন্যান্য বিধিমালার জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (আরপিও)-এর অধীনে প্রণীত বিধিমালা প্রযোজ্য হবে।

আরপিওতে প্রার্থীর অযোগ্যতা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি তিনি প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন বা অবসর নিয়েছেন এবং এই পদত্যাগ বা অবসর গ্রহণের পর তিন বছর অতিবাহিত না হয়।

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন: বিতর্ক পিছু ছাড়েনিbnp-logo

মনিরা শারমিন রাষ্ট্রায়ত্ত কৃষি ব্যাংক থেকে পদত্যাগ করেছেন মাত্র চার মাস আগে, গত বছরের ডিসেম্বরে। যা আইনে নির্ধারিত তিন বছরের সময়সীমার মধ্যে পড়ে।

নির্ধারিত সময়ে জামায়াত জোট ১৩টি আসনের বিপরীতে ১৩ জন প্রার্থীর তালিকা দিয়েছিল। যদি একজনের প্রার্থিতা বাতিল হয়, তবে ওই আসনটি সবার জন্য ‘উন্মুক্ত’ হয়ে যাবে। এতে সংখ্যাগরিষ্ঠ এমপি থাকা দল বা জোট তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে।

এ ক্ষেত্রে কার্যকর হবে জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর ৩০ (১) ধারার ক, খ, গ এবং ঘ উপধারা। যেখানে বলা আছে, কোনো রাজনৈতিক দল বা জোটের অনুকূলে বণ্টনকৃত সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচনে–সেই রাজনৈতিক দল বা জোটের সকল আসনে মনোনয়নপত্র পাওয়া না গেলে; বা ভোট গ্রহণের সময় ওই রাজনৈতিক দল বা জোটের সকল ভোটার একযোগে ভোট না দিলে; বা সব ব্যালট পেপার বাতিল হলে; অথবা ধারা ১২-এর উপধারা (৪)-এর অধীন নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজন হলে–ওই রাজনৈতিক দল বা জোটের আসন বা আসনগুলো সব রাজনৈতিক দল ও জোটের মধ্যে নির্বাচনের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

বিষয়: বিএনপিপদত্যাগনারীআপিলপ্রার্থীনির্বাচনব্যাংকএনসিপিসংরক্ষিত নারী আসনএমপিতফসিলজাতীয় সংসদআইনভোটজামায়াতে ইসলামীসংসদ সদস্যইসি
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।