Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

বাজেটে সরকার ও বিরোধীদের অঘোষিত ঐক্য?

তাসীন মল্লিক

তাসীন মল্লিক

প্রকাশ : ০৩ জুলাই ২০২৬, ১০: ১৬
বাজেটে সরকার ও বিরোধীদের অঘোষিত ঐক্য?

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাসকে ঘিরে যে চিত্র দেখা গেছে, তা কেবল সরকার ও বিরোধী দলের প্রচলিত বিরোধিতায় সীমাবদ্ধ নয়। বরং এর ভেতরে সম্ভাব্য এক ‘অঘোষিত ঐকমত্যের’ ইঙ্গিত রয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলীয় সদস্যরা ধারাবাহিকভাবে তীব্র সমালোচনা করলেও চূড়ান্ত আইন প্রণয়নের পর্যায়ে তাদের কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকা সেই সম্ভাবনাকেই জোরালো করে তুলেছে।

গত মঙ্গলবার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট সংসদে পাস হয়। এতে সরকারি দলের আনা সংশোধনী যুক্ত হলেও বিরোধীদের কোনো প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত হয়নি। বাজেট পাসের পরদিন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, চূড়ান্ত বাজেট তাদের ছায়া বাজেটের ‘কাছাকাছি’।

অন্যদিকে একই দলের মুখপাত্র নাজিবুর রহমান এটিকে ‘অপরিকল্পিত, অস্বচ্ছ ও অবাস্তবায়নযোগ্য’ বলে আখ্যা দেন। তবে তিনি আবার দাবি করেন, বিরোধীদের ‘গঠনমূলক অবস্থান’-এর কারণেই বাজেটের কিছু প্রস্তাবে পরিবর্তন এসেছে। এই দ্বৈত বক্তব্য একদিকে সমালোচনা, অন্যদিকে আংশিক সন্তুষ্টির ইঙ্গিত দেয়–যা বিরোধী রাজনীতির কৌশলগত অবস্থানকে স্পষ্ট করে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিরোধীদের এই অবস্থান ইঙ্গিত দেয়, তারা হয়তো সরাসরি আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের বদলে রাজনৈতিক চাপ ও জনমত তৈরির পথকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। অন্যদিকে সরকারও সীমিত কিছু সংশোধনের মাধ্যমে সেই চাপকে আংশিকভাবে গ্রহণ করে নিয়েছে।

‘এবারের বাজেট রিকভারির বাজেট’muslim chy 2

সংঘাতের ভেতর সমন্বয়?

বাজেট আলোচনায় বিরোধী সদস্যরা করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি, জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধনে বিতর্কিত বিধান প্রত্যাহার এবং নতুন ভ্যাট আরোপের বিরোধিতা করেছিলেন। চূড়ান্ত বাজেটে সেগুলোরই প্রতিফলন দেখা গেছে। সরকার শেষ পর্যন্ত করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করে। বিতর্কিত নিবন্ধন বিধান বাতিল এবং তিনটি খাতে নতুন ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। পাশাপাশি মুদি দোকানের ওপর কর প্রত্যাহার, আবাসন খাতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাতিল এবং ব্যাংক রেজ্যুলুশন আইনের একটি বিধান বাদ দেওয়ার মতো পদক্ষেপও নেওয়া হয়। ফলে বিরোধীদল এই পরিবর্তনগুলোকে নিজেদের ‘গঠনমূলক চাপ’-এর ফল হিসেবে তুলে ধরছে।

তবে এই দাবির ভেতরেই একটি প্রশ্ন উঠে আসে। যে বিষয়গুলোতে বিরোধীরা আপত্তি জানিয়েছিল এবং যেগুলো শেষ পর্যন্ত সংশোধিত হয়েছে, সেগুলোতে তারা কেন আনুষ্ঠানিক সংশোধনী প্রস্তাব দেয়নি?

বাজেটের ওপর আলোচনা নিয়ে সংসদে সংসদ সদস্যরা বক্তব্য দেন। তারা এর ওপর তাদের দাবি তুলে ধরেন। কিন্তু অর্থবিল পাসের সময় যেসব সংশোধনী দেন, সেগুলো মূলত আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব। সরকার এর কিছু গ্রহণ করে, কিছু করে না। অনেক সময় সরকারি দলের সদস্যরাও সংশোধনী প্রস্তাব আনেন। মূলত সরকার প্রস্তাবিত বাজেটে কিছু পরিবর্তন আনতে চাইলে সেগুলো এসব সংশোধনীর মাধ্যমে করা হয়।

সংসদীয় প্রক্রিয়ায় বিলের ওপর সংশোধনী আনা বিরোধীদের একটি মৌলিক হাতিয়ার হলেও এই ক্ষেত্রে তা অনুপস্থিত ছিল। এতে এ ধারণা জোরদার হয় যে, বিরোধীরা সরাসরি আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার বদলে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির পথকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।

অন্যদিকে সংশোধনীগুলোর উৎস ও প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলো এসেছে মূলত সরকারের ভেতর থেকেই। করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি, ব্যাংক হিসাব খুলতে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যবাধকতা শিথিল করার মতো প্রস্তাবগুলো উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাজেটের ওপর বক্তৃতার সময় তিনি বলেন, “নরমালি দাবিটা বিরোধী দল থেকে হয়ে থাকে। আমি আপাতত ফিজিক্যালি না হলেও মানসিকভাবে তাদের পাশে গিয়ে কথা বলতে চাই।”

‘এই বাজেটকে একেবারে খারাপ বলার সুযোগ নেই’moinul islam 4

বাজেটের ওপর সমাপনী আলোচনায় তার পুনর্বিবেচনার আহ্বানের পরই অর্থমন্ত্রী সংশোধিত বিলটি সংসদে তোলেন। অর্থাৎ, সংশোধনীগুলো একদিকে বিরোধীদের উত্থাপিত ইস্যুর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের নিয়ন্ত্রণ ছিল সরকারের হাতেই।

প্রশ্ন উঠেছে–এটি কি বিরোধীদের কার্যকর চাপের ফল, নাকি সরকারের কৌশলগত সমন্বয়? একদিকে বিরোধীরা সমালোচনার মাধ্যমে জনমত তৈরি করেছে, অন্যদিকে সরকার সীমিত কিছু সংশোধন এনে সেই চাপ আংশিক প্রশমিত করেছে। ফলে উভয় পক্ষই নিজ নিজ অবস্থান থেকে ‘সফলতা’ দাবি করতে পারছে।

সব মিলিয়ে, সংশোধনীকে কেন্দ্র করে বিরোধীদের এই সাফল্য দাবির ভেতরে যেমন রাজনৈতিক বাস্তবতা রয়েছে, তেমনি সংসদীয় প্রক্রিয়ায় তাদের সীমিত অংশগ্রহণের বিষয়টিও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই দ্বৈততা থেকেই বাজেট বিতর্কে ‘সংঘাতের ভেতরে সমন্বয়’-এর একটি প্রবণতা সামনে আসে, যা ভবিষ্যতের সংসদীয় রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে।

বাজেট নিয়ে যা বলেছে বিরোধীরা

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ‘সবার জন্য’ বলে উপস্থাপন করলেও বিরোধী দলগুলো শুরু থেকেই এটিকে বাস্তবতা-বিবর্জিত ও জনস্বার্থবিরোধী বলে সমালোচনা করে আসছে। সরকারের দাবি, সীমিত সম্পদের মধ্যেও সব শ্রেণির মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে বিরোধীদের প্রশ্ন–এই অন্তর্ভুক্তি কতটা কার্যকর এবং বাস্তবে কারা এর প্রকৃত সুবিধাভোগী হবে।

বাজেট ঘোষণার আগেই জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছায়া বাজেট দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে। ১১ জুন জামায়াত প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘গণবিরোধী ও গণনিপীড়ক’ আখ্যা দিয়ে নেমেছিল রাজপথেও। এনসিপি একে ‘প্রতারণামূলক ও দিকনির্দেশনাহীন’ বলে উল্লেখ করে। ফলে রাজনৈতিকভাবে বাজেটকে ঘিরে বিরোধিতার সুর আগেভাগেই তৈরি হয়, যা পরে সংসদীয় আলোচনায় আরও তীব্র রূপ নেয়।

বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিনে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘ভঙ্গুর অর্থনীতির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা অবাস্তব ও প্রতারণার দলিল’ বলে মন্তব্য করেন। দলের অন্য সদস্যরাও এটিকে ‘গণবিরোধী ও বাস্তবায়ন-অযোগ্য’ বলে তীব্র সমালোচনা করেন।

বাজেট বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জmuslim chy

বিরোধীদের মূল আপত্তি ছিল অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা ঘিরে। জামায়াত থেকে নির্বাচিত রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা নুরুল আমিনের মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুস্পষ্ট কৌশল নেই, যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা আরও সংকুচিত করতে পারে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতের ভঙ্গুরতা ও খেলাপি ঋণের লাগামহীনতা মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপের অভাবকে তিনি বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন।

সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান বাজেটকে ‘গরীব মারার বাজেট’ বলার মধ্য দিয়ে আয়-বৈষম্য বৃদ্ধির আশঙ্কা তুলে ধরেন।

নীলফামারী-৪ আসনের আব্দুল মুন্তাকিম অঞ্চলভিত্তিক বরাদ্দের স্বচ্ছতা না থাকায় উন্নয়ন বৈষম্য আড়াল হওয়ার আশঙ্কা দেখান। অন্যদিকে ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন সুদভিত্তিক অর্থনীতির বিকল্প হিসেবে ইসলামী অর্থব্যবস্থার প্রস্তাব দিয়ে নীতিগত পরিবর্তনের দাবি জানান, যা মূলধারার অর্থনৈতিক কাঠামো নিয়ে ভিন্নধর্মী বিতর্ক উসকে দেয়।

এনসিপির আখতার হোসেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তুলে অতীতের ঋণ কেলেঙ্কারির পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি উল্লেখ করেন। একই সুরে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম সংসদে ঋণখেলাপিদের উপস্থিতি নিয়ে সরব হয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দায়বদ্ধতার সংকট সামনে আনেন।

এই সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে ‘অঘোষিত ঐকমত্য’-এর প্রশ্নটি আরও গুরুত্ব পায়। কারণ, একদিকে বিরোধীরা বাজেটের মৌলিক কাঠামো নিয়ে কঠোর সমালোচনা অব্যাহত রেখেছে, অন্যদিকে সংশোধনী প্রক্রিয়ায় তাদের অনুপস্থিতি বাস্তব সিদ্ধান্ত গ্রহণে একটি নীরব সম্মতির ইঙ্গিত দেয়।

সংসদীয় রাজনীতিতে অনেক সময় প্রকাশ্য বিরোধিতার আড়ালে নীতিগত কিছু বিষয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়া তৈরি হয়, যা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার না করা হলেও ফলাফলে চোখে পড়ে। বর্তমান বাজেট প্রক্রিয়ায় সেই ধরনের একটি প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। যেখানে সরকার সীমিত সমন্বয়ের মাধ্যমে চাপ প্রশমিত করেছে এবং বিরোধীরা সমালোচনার রাজনৈতিক অবস্থান বজায় রেখেই সেই পরিবর্তনকে নিজেদের সাফল্য হিসেবে উপস্থাপন করছে।

বিষয়: জাতীয় বাজেটবাজেট ২০২৬-২৭সরকারজাতীয় সংসদরাজনীতিসংসদ সদস্য
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড