দ্য গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণ
চরচা ডেস্ক

ইরানে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বা পরে একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক উদ্যোগ ভেস্তে গেছে। সম্প্রতি আবার একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে সাম্প্রতিক উদ্যোগটি পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় পরিচালিত হচ্ছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন বললেন ‘খুব ভালো’ আলোচনা চলছে, তখনই সন্দেহ তৈরি হয়। বিশেষ করে, ইরান সরাসরি কোনো আলোচনা চলছে না বলে অস্বীকার করায় এই অবিশ্বাস আরও জোরদার হয়।
তবুও এয়ার ফোর্স ওয়ানের পাশে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প বিস্তারিত কিছু না জানিয়েই আকস্মিক এই উত্তেজনা প্রশমনের প্রচেষ্টা তুলে ধরেন। একই সময়ে, হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে তার হামলার হুমকিও বহাল ছিল।
পর্যবেক্ষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজার খোলার ঠিক আগেই ট্রাম্পের হঠাৎ এই অবস্থান পরিবর্তন খুব কম মানুষেরই নজর এড়িয়েছে। কারণ সোমবার মার্কিন বাজারে আরও বড় ধরনের পতনের আশঙ্কা ছিল।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কার মাধ্যমে আলোচনা করছে-এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, “আমরা এমন একজনের সঙ্গে কথা বলছি, যিনি অত্যন্ত সম্মানিত। তবে তিনি সর্বোচ্চ নেতা নন, তার কাছ থেকে আমরা কিছু শুনিনি।”
সাংবাদিকরা সেই ব্যক্তির নাম জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, “আমি বলতে পারি না। আমি চাই না তাকে হত্যা করা হোক।”
সম্ভাব্য চুক্তির শর্ত নিয়েও ট্রাম্পের বক্তব্য ছিল অস্পষ্ট। তিনি বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না, তবে হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ থাকতে পারে “হয়তো আমার আর আয়াতুল্লাহ-যেই আয়াতুল্লাহ হোন না কেন তার হাতে।”
এ সময় ইরানের শাসন পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, “কোনো না কোনোভাবে বড় ধরনের শাসন পরিবর্তনও হতে পারে।” আলোচনায় তার মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং তার জামাতা জ্যারেড কুশনার নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলেও জানান তিনি।
দ্য গার্ডিয়ান জানায়, মার্কিন পক্ষ থেকে ইরানের কথিত আলোচনাকারী হিসেবে দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের কালিবাফের নাম উঠে এসেছে। তবে তিনি এ ধরনের কোনো আলোচনার কথা অস্বীকার করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কালিবাফ বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। আর্থিক ও তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যে চোরাবালিতে আটকে গেছে, তা থেকে বাঁচতে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে।”
গালিবাফের পোস্টের আগে এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার খবরটি অস্বীকার করেন। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালি এবং যুদ্ধ বন্ধের শর্ত নিয়ে তেহরানের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
বাগাইয়ের বরাতে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ইরনা বলেছে, যুদ্ধ বন্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার অনুরোধ নিয়ে কিছু বন্ধু দেশের কাছ থেকে বার্তা পাওয়া গেছে।
দ্য গার্ডিয়ান বলছে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারে পাকিস্তানের পাশাপাশি মিসর ও তুরস্কের মতো আঞ্চলিক শক্তির ভূমিকার কথাও উঠে এসেছে। আন্তর্জাতিক নেতাদের মধ্যেও এই আলোচনাকে সতর্ক আশাবাদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, যুক্তরাজ্য শুরু থেকেই এই আলোচনা সম্পর্কে অবগত ছিল।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং সম্ভাব্য চুক্তিকে এমনভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন যাতে তা ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষা করে। তিনি বলেন, “ট্রাম্প মনে করেন, আইডিএফ ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে একটি চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।”
তবে ইসরায়েল এখনই সমঝোতায় যেতে প্রস্তুত নয় বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন নেতানিয়াহু। তিনি জানান, ইসরায়েল এখনো ইরান ও লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে।
এদিকে বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই আলোচনার উদ্যোগ সময়ক্ষেপণের কৌশলও হতে পারে, বিশেষ করে তেল ও জ্বালানি বাজারের প্রেক্ষাপটে।
কারণ আলোচনার কথা বলা হলেও মধ্যপ্রাচ্যে মেরিন ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন অব্যাহত রেখেছে পেন্টাগন। যদি কূটনৈতিকভাবে দ্রুত সাফল্য না আসে, তাহলে পরিস্থিতি অনুযায়ী হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে ইরানের দ্বীপ বা উপকূলে হামলা বা দখল অভিযানের প্রস্তুতিও থাকতে পারে।

ইরানে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বা পরে একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক উদ্যোগ ভেস্তে গেছে। সম্প্রতি আবার একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে সাম্প্রতিক উদ্যোগটি পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় পরিচালিত হচ্ছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন বললেন ‘খুব ভালো’ আলোচনা চলছে, তখনই সন্দেহ তৈরি হয়। বিশেষ করে, ইরান সরাসরি কোনো আলোচনা চলছে না বলে অস্বীকার করায় এই অবিশ্বাস আরও জোরদার হয়।
তবুও এয়ার ফোর্স ওয়ানের পাশে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প বিস্তারিত কিছু না জানিয়েই আকস্মিক এই উত্তেজনা প্রশমনের প্রচেষ্টা তুলে ধরেন। একই সময়ে, হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে তার হামলার হুমকিও বহাল ছিল।
পর্যবেক্ষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজার খোলার ঠিক আগেই ট্রাম্পের হঠাৎ এই অবস্থান পরিবর্তন খুব কম মানুষেরই নজর এড়িয়েছে। কারণ সোমবার মার্কিন বাজারে আরও বড় ধরনের পতনের আশঙ্কা ছিল।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কার মাধ্যমে আলোচনা করছে-এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, “আমরা এমন একজনের সঙ্গে কথা বলছি, যিনি অত্যন্ত সম্মানিত। তবে তিনি সর্বোচ্চ নেতা নন, তার কাছ থেকে আমরা কিছু শুনিনি।”
সাংবাদিকরা সেই ব্যক্তির নাম জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, “আমি বলতে পারি না। আমি চাই না তাকে হত্যা করা হোক।”
সম্ভাব্য চুক্তির শর্ত নিয়েও ট্রাম্পের বক্তব্য ছিল অস্পষ্ট। তিনি বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না, তবে হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ থাকতে পারে “হয়তো আমার আর আয়াতুল্লাহ-যেই আয়াতুল্লাহ হোন না কেন তার হাতে।”
এ সময় ইরানের শাসন পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, “কোনো না কোনোভাবে বড় ধরনের শাসন পরিবর্তনও হতে পারে।” আলোচনায় তার মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং তার জামাতা জ্যারেড কুশনার নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলেও জানান তিনি।
দ্য গার্ডিয়ান জানায়, মার্কিন পক্ষ থেকে ইরানের কথিত আলোচনাকারী হিসেবে দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের কালিবাফের নাম উঠে এসেছে। তবে তিনি এ ধরনের কোনো আলোচনার কথা অস্বীকার করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কালিবাফ বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। আর্থিক ও তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যে চোরাবালিতে আটকে গেছে, তা থেকে বাঁচতে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে।”
গালিবাফের পোস্টের আগে এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার খবরটি অস্বীকার করেন। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালি এবং যুদ্ধ বন্ধের শর্ত নিয়ে তেহরানের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
বাগাইয়ের বরাতে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ইরনা বলেছে, যুদ্ধ বন্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার অনুরোধ নিয়ে কিছু বন্ধু দেশের কাছ থেকে বার্তা পাওয়া গেছে।
দ্য গার্ডিয়ান বলছে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারে পাকিস্তানের পাশাপাশি মিসর ও তুরস্কের মতো আঞ্চলিক শক্তির ভূমিকার কথাও উঠে এসেছে। আন্তর্জাতিক নেতাদের মধ্যেও এই আলোচনাকে সতর্ক আশাবাদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, যুক্তরাজ্য শুরু থেকেই এই আলোচনা সম্পর্কে অবগত ছিল।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং সম্ভাব্য চুক্তিকে এমনভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন যাতে তা ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষা করে। তিনি বলেন, “ট্রাম্প মনে করেন, আইডিএফ ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে একটি চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।”
তবে ইসরায়েল এখনই সমঝোতায় যেতে প্রস্তুত নয় বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন নেতানিয়াহু। তিনি জানান, ইসরায়েল এখনো ইরান ও লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে।
এদিকে বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই আলোচনার উদ্যোগ সময়ক্ষেপণের কৌশলও হতে পারে, বিশেষ করে তেল ও জ্বালানি বাজারের প্রেক্ষাপটে।
কারণ আলোচনার কথা বলা হলেও মধ্যপ্রাচ্যে মেরিন ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন অব্যাহত রেখেছে পেন্টাগন। যদি কূটনৈতিকভাবে দ্রুত সাফল্য না আসে, তাহলে পরিস্থিতি অনুযায়ী হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে ইরানের দ্বীপ বা উপকূলে হামলা বা দখল অভিযানের প্রস্তুতিও থাকতে পারে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র খারগ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা করতে পারে। ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি টার্মিনাল অবস্থিত এই ছোট দ্বীপটি নিয়ন্ত্রণে নিলে দেশটির তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব হতে পারে, ফলে আয়ের বড় উৎস হারিয়ে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে বাধ্য করা যেতে পারে।

প্রতি বছর ঈদের সময় এক কোটির বেশি মানুষ ঢাকা ছাড়ে। ফলে রাজধানী ফাঁকা হয়ে যায়। আর এই সুযোগে রাজধানীতে বাড়ে চুরি-ডাকাতির সংখ্যা। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর ঈদের ছুটি রাজধানীতে শতাধিকেরও বেশি চুরি ও ডাকাতি হয়। এ বছর বাড়ি ফাঁকা রেখে গেলে নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার বা গুরুত্বপূর