নির্বাচনী সহিংসতা

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় মহিলা পরিষদের ক্ষোভ
নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নারীরা সহিংসতার শিকারের এই ঘটনায় সংস্থাটি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, এ ধরণের রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলা, নারীর প্রতি সহিংসতা ও পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ যা অগ্রহণযোগ্য।

উপদেষ্টারা দেশের গর্বিত সন্তান: প্রেস সচিব
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বে থাকা উপদেষ্টারা সবাই দেশেই আছেন। তারা দেশের গর্বিত সন্তান। ভবিষ্যতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তারা তাদের সর্বোচ্চ এফোর্ট দেবেন।”

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও নারী নির্যাতনে এইচআরএফবির গভীর উদ্বেগ
গণতান্ত্রিক সমাজে রাজনৈতিক বিরোধের জেরে নারী নির্যাতন, সংখ্যালঘু, আদিবাসী বা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ওপর আক্রমণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনা রাষ্ট্রের আইনের শাসনকে দুর্বল করে দেয়।

বাংলাদেশের কোন নির্বাচনে কেউ লাশ হয়নি?
দেশের ইতিহাসের প্রতিটি নির্বাচনই সংঘাতময়। সহিংস। ইতিহাস তাই বলে। নির্বাচনকে উৎসব বলা হয়, কিন্তু এ দেশে চিরদিনই নির্বাচনে রক্তের হোলি খেলা হয়েছে। সেই ইতিহাসের শেষ কোথায়? আদৌ কি তা শেষ হবে? কেউ জানে না। সংসদ নির্বাচনের আগমুহূর্তে তাই নির্বাচনের জয়-পরাজয় ছাপিয়ে সন্ত্রা*স, সহিং*সতা আর মৃ*ত্যুর শঙ্কা থ

তফসিল ঘোষণার পর ১৬২ সহিংসতায় নিহত ৫: এইচআরএসএস
তফসিল ঘোষণার পর থেকে অন্তত ১২টি ঘটনায় নারী হেনস্তার শিকার হয়েছেন ১৮ জন, আহত ৬ জন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ‘মব’ হামলায় ২৫৯ জন নিহত: এইচআরএসএস
বাংলাদেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি আর অসহিষ্ণুতার চরম বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা দিয়েছে ‘মব জাস্টিস’ বা গণপিটুনি। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ১৭ মাসে দেশে মব ভায়োলেন্সের অন্তত ৪১৩টি ঘটনায় ২৫৯ জন প্রাণ হারিয়েছে।

হাতিরঝিলে নির্বাচনী প্রচারে সংঘর্ষ, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর তিন কর্মী আহত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসনে নির্বাচনী প্রচারের সময় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কোদাল প্রতীকের তিন কর্মী আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, সাকিন (২৭),আহাদ (২৭) ও হোসেন।

এক মাসেই নির্বাচনী সহিংসতা বেড়েছে ৯ গুণ
গত ডিসেম্বরে ৭টি নির্বাচনী সহিংসতায় ৯৭ জন আহত ও একজন নিহত হয়। জানুয়ারিতে এই সংখ্যা ব্যাপক বেড়ে যায়। এ মাসে ৬৪টি নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় ৫০৯ জন আহত ও চারজন নিহত হয়েছে।

নির্বাচনী উৎসব থেকে রক্তাক্ত ট্র্যাজেডি
১৯৯৪ সালের ৩১ জানুয়ারি লালবাগে নির্বাচনী বিজয় মিছিল মুহূর্তেই রূপ নেয় ভয়াবহ হ*ত্যাকাণ্ডে। ব্রাশফা*য়ারে নি*হত হন সাতজন, আ*হত ৩০ থেকে ৪০ জন।

নির্বাচনী সহিংসতায় হতাহতের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে এইচআরএসএস
সংস্থাটি অভিযোগ করে, প্রার্থীদের আক্রমণাত্মক বক্তব্য, হুমকি-ধামকি, অপপ্রচার ও বিদ্বেষমূলক রাজনীতিই সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছে। অতীতের মতো এবারও একই সহিংসতার পুনরাবৃত্তি গভীর উদ্বেগজনক।

নির্বাচন সময়মতো হবে, বাধা তৈরির চেষ্টা চলছে: ইসি সানাউল্লাহ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বড় ধরণের প্রশ্ন উঠার পরও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

নির্বাচনী পরিবেশে এ হামলা অগ্রহণযোগ্য: প্রধান উপদেষ্টা
রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। আজ শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে করা এক পোস্ট থেকে এই তথ্য

কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করব না: সিইসি
সিইসি বলেন, “নির্বাচন কমিশনও কিন্তু কারো কোনো অন্যায় চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না। সুতরাং আমরা আপনাদের অন্যায় কোনো আদেশ দেব না। অন্যায় কোন হুকুম দেব না।”



