চরচা প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর (১১ ডিসেম্বর) থেকে সারা দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে বলে জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। আজ বুধবার সংগঠনটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনী সহিংসতায় পাঁচজন নিহত এবং কমপক্ষে ৯৭০ জন আহত হয়েছেন।
সংগঠনটি ১৫টি জাতীয় দৈনিক, ১৫০টিরও বেশি স্থানীয় পত্রিকা এবং জেলা প্রতিনিধিদের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে জানায়, তফসিল ঘোষণার পর অন্তত ১৬২টি সহিংসতার ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংঘর্ষ হয়েছে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে–৪০টি ঘটনায় আহত ৩৩৪, নিহত ৩ জন। বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষের ঘটনা ৫০টি, যেখানে আহত ৫৬০ এবং নিহত ১ জন। নিহত আরেকজন হলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান বিন হাদি। এ ছাড়া বিএনপি–এনসিপি, বিএনপি–আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আরও বহু মানুষ আহত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে রয়েছে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি, ময়মনসিংহের নজরুল ইসলাম, নেত্রকোনার মিজানুর রহমান রনি, শেরপুরের মাওলানা রেজাউল করিম এবং নারায়ণগঞ্জের আজাহার হোসেন। এদের বেশির ভাগই দলীয় কোন্দল বা নির্বাচনী কর্মসূচির সময় হামলার শিকার হয়।
এই নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা কম হলেও নারী কর্মীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে অন্তত ১২টি ঘটনায় নারী হেনস্তার শিকার হয়েছেন ১৮ জন, আহত ৬ জন।
এইচআরএসএস জানায়, এসব ঘটনার মধ্যে ১১টিতে বিএনপি কর্মীদের ও ১টিতে জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে–চুয়াডাঙ্গায় প্রচারে বাধা ও হামলা, টাঙ্গাইলে পর্দানশীন নারীকে লাথি মারা, যশোরে নারীদের ওপর হামলা ও মোবাইল ছিনতাই, পীরেরবাগে নারী কর্মীদের ৪ ঘণ্টা আটকে হেনস্তা, ঢাকা–৪ আসনে নারী কর্মী মারিয়া বেবীর ওপর রামদা দিয়ে হামলা। এসব হামলার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিএনপি কর্মীদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকে অন্তত ২৫টি ঘটনায় ৩৪ জন ভোটারকে হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে এবং ১৩ জন প্রার্থীকে হেনস্তা ও হামলার শিকার হতে হয়েছে। এসব ঘটনায় বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর (১১ ডিসেম্বর) থেকে সারা দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে বলে জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। আজ বুধবার সংগঠনটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনী সহিংসতায় পাঁচজন নিহত এবং কমপক্ষে ৯৭০ জন আহত হয়েছেন।
সংগঠনটি ১৫টি জাতীয় দৈনিক, ১৫০টিরও বেশি স্থানীয় পত্রিকা এবং জেলা প্রতিনিধিদের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে জানায়, তফসিল ঘোষণার পর অন্তত ১৬২টি সহিংসতার ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংঘর্ষ হয়েছে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে–৪০টি ঘটনায় আহত ৩৩৪, নিহত ৩ জন। বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষের ঘটনা ৫০টি, যেখানে আহত ৫৬০ এবং নিহত ১ জন। নিহত আরেকজন হলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান বিন হাদি। এ ছাড়া বিএনপি–এনসিপি, বিএনপি–আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আরও বহু মানুষ আহত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে রয়েছে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি, ময়মনসিংহের নজরুল ইসলাম, নেত্রকোনার মিজানুর রহমান রনি, শেরপুরের মাওলানা রেজাউল করিম এবং নারায়ণগঞ্জের আজাহার হোসেন। এদের বেশির ভাগই দলীয় কোন্দল বা নির্বাচনী কর্মসূচির সময় হামলার শিকার হয়।
এই নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা কম হলেও নারী কর্মীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে অন্তত ১২টি ঘটনায় নারী হেনস্তার শিকার হয়েছেন ১৮ জন, আহত ৬ জন।
এইচআরএসএস জানায়, এসব ঘটনার মধ্যে ১১টিতে বিএনপি কর্মীদের ও ১টিতে জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে–চুয়াডাঙ্গায় প্রচারে বাধা ও হামলা, টাঙ্গাইলে পর্দানশীন নারীকে লাথি মারা, যশোরে নারীদের ওপর হামলা ও মোবাইল ছিনতাই, পীরেরবাগে নারী কর্মীদের ৪ ঘণ্টা আটকে হেনস্তা, ঢাকা–৪ আসনে নারী কর্মী মারিয়া বেবীর ওপর রামদা দিয়ে হামলা। এসব হামলার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিএনপি কর্মীদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকে অন্তত ২৫টি ঘটনায় ৩৪ জন ভোটারকে হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে এবং ১৩ জন প্রার্থীকে হেনস্তা ও হামলার শিকার হতে হয়েছে। এসব ঘটনায় বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।