চরচা ডেস্ক

দেশে গত ২৪ ঘন্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
একই সময়ে নতুন করে আরও ১ হাজার ৩৭৭ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৯৫ জন শিশুর। অন্যদিকে, হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯০টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। যার ফলে হাম ও উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৮৫ জন শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৩ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩২৪ জন। এই সময়ে ১ হাজার ১৮১টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে আরও ৭৯১ জন শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭০ হাজার ৯৩৬জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৪৯ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫৬ হাজার ৮৮৬ রোগী। যাদের মধ্যে ৫২ হাজার ৮৪১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

দেশে গত ২৪ ঘন্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
একই সময়ে নতুন করে আরও ১ হাজার ৩৭৭ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৯৫ জন শিশুর। অন্যদিকে, হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯০টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। যার ফলে হাম ও উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৮৫ জন শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৩ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩২৪ জন। এই সময়ে ১ হাজার ১৮১টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে আরও ৭৯১ জন শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭০ হাজার ৯৩৬জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৪৯ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫৬ হাজার ৮৮৬ রোগী। যাদের মধ্যে ৫২ হাজার ৮৪১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, সাব্বির হোসেনের শরীরের ৩৫ শতাংশ, তোফাজ্জল হোসেনের ২৩ শতাংশ এবং মাজেদ হোসেনের ১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। গুরুতর আহত সাব্বির ও তোফাজ্জলকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে মাজেদের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা চ