Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> সংক্ষেপে
এমএসএফের প্রতিবেদন

এক মাসেই নির্বাচনী সহিংসতা বেড়েছে ৯ গুণ

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭: ০৬
এক মাসেই নির্বাচনী সহিংসতা বেড়েছে ৯ গুণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশে নির্বাচনী সহিংসতা বেড়েই চলেছে। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে দেশে এ ধরনের সহিংসতা বেড়েছে ৯ গুণ। গত ডিসেম্বরে ৭টি নির্বাচনী সহিংসতায় ৯৭ জন আহত ও একজন নিহত হয়। জানুয়ারিতে এই সংখ্যা ব্যাপক বেড়ে যায়। এ মাসে ৬৪টি নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় ৫০৯ জন আহত ও চারজন নিহত হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) ‘মানবাধিকার পরিস্থিতি মনিটরিং প্রতিবেদন জানুয়ারি, ২০২৬’–শীর্ষক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও তুলে ধরা হয়।

এমএসএফ বলছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জানুয়ারিতে নির্বাচনী সহিংসতার ৬৪টি ঘটনায় সহিংসতার শিকার হয়েছেন ৫০৯ জন। তাদের মধ্যে ৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে অনুষ্ঠিত বিএনপির সমাবেশে অসুস্থ হয়ে সাইদুল ইসলাম (১৪) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত হয়েছেন ময়মনসিংহের ধোবাউড়ার এরশাদ বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের সমর্থক নজরুল ইসলাম। শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে ইট দিয়ে থেঁতলে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে।

এ ছাড়া কিশোরগঞ্জ-২ আসনের কটিয়াদি উপজেলার আচমিতা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. কামাল উদ্দিন (৫৫) সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের কাঞ্চনে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাগবিতন্ডার একপর্যায়ে যুবদল কর্মীর ঘুষিতে আজাহর (৪৫) নামের এক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নিহত হন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও এমএসএফ কর্তৃক সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, সহিংসতার ৬৪টি ঘটনার মধ্যে বিএনপির অন্তর্দ্বন্দে ১৩টি, বিএনপি-স্বতন্ত্র প্রার্থী ৯টি, গণ অধিকার পরিষদ-স্বতন্ত্র ১টি, বিএনপি-জামাত সংঘর্ষের ৩৩টি, বিএনপি-এনসিপি ১টি ঘটনা ঘটেছে। সহিংসতার ৬৪টি ঘটনার মধ্যে ৬টি ঘটনায় দুস্কৃতিকারী কর্তৃক নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা, ভাংচুর, ককটেল বিষ্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

নিরাপত্তায় এলাহি আয়োজনের পরও নির্বাচনে সহিংসতার শঙ্কা কেন?police in road

এমএসএফ বলছে, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি—এই দুই মাসের তুলনামূলক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশের সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও ‘জটিল, সহিংস ও উদ্বেগজনক’ রূপ ধারণ করেছে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তারের সংখ্যা ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে অর্ধেকে নেমে এলেও (১৬ থেকে ৮), সরকার পতনের পর সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার ঘটনায় শেখ হাসিনা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোতে আসামির সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশেষ করে, নাম উল্লেখ করা আসামির সংখ্যা ৩০ থেকে বেড়ে ১২০ এবং অজ্ঞাতনামা আসামির সংখ্যা ১১০ থেকে বেড়ে ৩২০-এ উন্নীত হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও গণমামলার প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।

এমএসএফ বলছে, অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া সমাজে সহিংসতা, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার আশঙ্কা জোরদার করে। সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে প্রতিমা ভাঙচুর, অগ্নিকাণ্ড ও হামলার ঘটনা জানুয়ারি মাসে স্পষ্টভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা জানুয়ারি মাসে সবচেয়ে ভয়াবহ মানবাধিকার সংকটগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত হয়। ধর্ষণ, দলবদ্ধ ধর্ষণ, ধর্ষণ ও হত্যা, শারীরিক নির্যাতন এবং হত্যার সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি আত্মহত্যার উচ্চ হার সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা ও বিচারহীনতার গভীর সংকট নির্দেশ করে। এ মাসে ধর্ষণের ঘটনা ৩৪টি, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ১১টি, ধর্ষণ ও হত্যা ৩টি। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৫ জন প্রতিবন্ধী কিশোরী ও নারী।

গণপিটুনির ঘটনায় জানুয়ারিতে নিহত ও আহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া আইনের শাসনের প্রতি জনগণের আস্থাহীনতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিচার ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করে বলে প্রতিবেদনে দাবি করছে এমএসএফ।

বিষয়: বিএনপিনিহতনির্বাচনএনসিপিসহিংসতাজামায়াতে ইসলামীত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনরাজনীতিনির্বাচনী সহিংসতাইসি
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

    পদত্যাগকারী প্রভোস্ট অধ্যাপক মো. কাউছার হোসেন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনিক পরিস্থিতিতে শিক্ষার পরিবেশ ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে আমরা প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছি।” তবে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন উপাচার্য।

  • ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বৃহস্পতিবার ইসি জানিয়েছে, আগামী ২৯ অক্টোবর এ আসনে উপনির্বাচন হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন তফসিল চূড়ান্ত করার পর ইসি সচিব আখতার আহমেদ তা ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং ক

  • হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

    জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার কাফরুল থানার হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আদালত। আজ বৃহস্পতিবার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

  • মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

    শান্তর মামা মিরাজ অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় নদীর পাড়ে এভাবে বাঁধা অবস্থায় থাকলে জোয়ারের পানিতে ডুবে শান্ত মারা যেতে পারতেন। পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে নদীর পাড়ে রশি দিয়ে হাত-পা ও মুখ বেঁধে রেখে যাওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।