চরচা ডেস্ক

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় প্রাণহানি, নারী নির্যাতন এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ (এইচআরএফবি)। একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি এসব ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের বরাতে এইচআরএফবি জানায়, নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় মুন্সীগঞ্জ ও বাগেরহাটে একজন করে মোট দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া সিলেট, কুমিল্লা, ফেনী, নাটোর, পাবনা ও বগুড়াসহ অন্তত ১৭টি জেলায় বিচ্ছিন্ন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় বহু মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, এক নারী রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমর্থকদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এইচআরএফবি জানিয়েছে, গণতান্ত্রিক সমাজে রাজনৈতিক বিরোধের জেরে নারী নির্যাতন, সংখ্যালঘু, আদিবাসী বা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ওপর আক্রমণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনা রাষ্ট্রের আইনের শাসনকে দুর্বল করে দেয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এইচআরএফবি সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি জরুরি আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটি বলছে, প্রতিটি দলকে তাদের তৃণমূল কর্মীদের কঠোর বার্তা দিতে হবে যেন তারা সহিংসতা ও প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকে।প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং অপতথ্য বা গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় প্রাণহানি, নারী নির্যাতন এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ (এইচআরএফবি)। একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি এসব ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের বরাতে এইচআরএফবি জানায়, নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় মুন্সীগঞ্জ ও বাগেরহাটে একজন করে মোট দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া সিলেট, কুমিল্লা, ফেনী, নাটোর, পাবনা ও বগুড়াসহ অন্তত ১৭টি জেলায় বিচ্ছিন্ন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় বহু মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, এক নারী রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমর্থকদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এইচআরএফবি জানিয়েছে, গণতান্ত্রিক সমাজে রাজনৈতিক বিরোধের জেরে নারী নির্যাতন, সংখ্যালঘু, আদিবাসী বা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ওপর আক্রমণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনা রাষ্ট্রের আইনের শাসনকে দুর্বল করে দেয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এইচআরএফবি সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি জরুরি আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটি বলছে, প্রতিটি দলকে তাদের তৃণমূল কর্মীদের কঠোর বার্তা দিতে হবে যেন তারা সহিংসতা ও প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকে।প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং অপতথ্য বা গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।