Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

কী হচ্ছে পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে?

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮: ১০
কী হচ্ছে পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে?
ছবি: রয়টার্স

পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে আঞ্চলিক নির্বাচনকে ঘিরে সহিংসতা ও রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত বুধবার পর্যন্ত রাওয়ালকোটের আশপাশে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছে বলে সংগঠনটি দাবি করেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে ব্যাংকিং, সড়ক যোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত থাকায় এই দাবির সত্যতা রয়টার্স স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, আঞ্চলিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই অঞ্চলটি সহিংস হয়ে উঠেছে। নির্বাচনের প্রথম ধাপ অনুষ্ঠিত হয় গত সোমবার। এতে পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পিএমএল-এন মিরপুর, কোটলি ও ভিম্বার জেলার ১৩টি আসনের মধ্যে ৯টিতে জয় পায়।

নির্বাচনটি মূলত ২৭ জুলাই একদিনে হওয়ার কথা ছিল। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে নির্বাচন কমিশন সেটিকে তিন ধাপে ভাগ করে। দ্বিতীয় ধাপের ভোট ২ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়। আর ও তৃতীয় ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ১০ আগস্ট।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অন্যদিকে, ২০২১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী ইমরান খান প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে এবারের ভোট বয়কট করেছে।

আফগানিস্তানে ফের হামলা: ২৬ জঙ্গি হত্যার দাবি পাকিস্তানেরpakistan afganistan

কেন উত্তেজনা?

উত্তেজনার অন্যতম কারণ জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটিকে (জেএএসি) ঘিরে সরকারের অবস্থান।

জুন মাসে আঞ্চলিক সরকার সংগঠনটিকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করে । এরপর থেকেই প্রাণঘাতী বিক্ষোভ শুরু হয় এবং পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে ওঠে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবারের সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর একজন সদস্য নিহত এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।

পাকিস্তান সরকার এই দমন অভিযানের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছে, কাশ্মীরি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সশস্ত্র ও ভারত-সমর্থিত জঙ্গিরাও যুক্ত ছিল। তবে ভারত অতীতের মতো এবারও এ ধরনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

পাকিস্তানের হামলায় আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে ধ্বংসপ্রাপ্ত মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের দৃশ্য। ছবি: ইপিএ।
পাকিস্তানের হামলায় আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে ধ্বংসপ্রাপ্ত মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের দৃশ্য। ছবি: ইপিএ।

এদিকে, জেএএসি-র বিক্ষোভের বাইরে আলাদা ঘটনায় পাকিস্তানের দুই প্রধান রাজনৈতিক দল পিএমএল-এন ও পিপিপির সমর্থকদের সংঘর্ষেও একজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন সরকারি কর্মকর্তারা।

পাকিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ২৪ জঙ্গি নিহতpakistan-map-dfdf

সংকটের পেছনের কারণ

পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হলেও ইসলামাবাদের সঙ্গে সেখানকার রাজনৈতিক টানাপোড়েন বহুদিনের। সাম্প্রতিক সময়ে সেই উত্তেজনা আরও বেড়েছে। আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসনের আওতা বাড়ানোর দাবিদাররা কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে স্থানীয় রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে অবহেলার অভিযোগ তুলছেন।

অর্থনৈতিক ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ রয়েছে। ২০২২ সালে এই অঞ্চলে উচ্চ বিদ্যুতের দামের প্রতিবাদে বড় ধরনের আন্দোলন হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাদের অঞ্চল থেকে পাকিস্তানের অন্য অংশে কম দামে জলবিদ্যুৎ সরবরাহ করা হলেও স্থানীয় মানুষকে তুলনামূলক বেশি মূল্য দিতে হচ্ছে।

আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলা: টিটিপি দমন নাকি ভূ-রাজনৈতিক আধিপত্যের খেলাpakistan afghanistan

এই অসন্তোষকে সংগঠিত করতে ২০২৩ সালে গঠিত হয় জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)। সংগঠনটি পরে নির্বাচনী সংস্কারের দাবিও সামনে আনে।

জেএএসির প্রধান অভিযোগগুলোর একটি হলো, স্থানীয় আইনসভার ৪৫টি সরাসরি নির্বাচিত আসনের মধ্যে ১২টি আসন ভারত-প্রশাসিত কাশ্মীর থেকে আসা শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত।

কিন্তু এসব আসনে প্রায়ই এমন ব্যক্তিরা নির্বাচিত হন, যারা পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের বাসিন্দা নন।

জেএএসির দাবি, ইসলামাবাদ এই সংরক্ষিত আসনগুলো ব্যবহার করে স্থানীয় রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করে। তবে পাকিস্তান সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

বিষয়: পাকিস্তাননির্বাচননির্বাচনী সহিংসতাকাশ্মীরসহিংসতা
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।