Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: ৪৪ বছর আগে জিয়া, আজ খালেদা

নাইর ইকবাল

নাইর ইকবাল

প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২: ২৬
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: ৪৪ বছর আগে জিয়া, আজ খালেদা

সংসদ ভবনের পেছনে স্বামীর কবরের পাশেই সমাহিত হবেন খালেদা জিয়া। দাফনের আগে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে হবে তার নামাজে জানাজা। এ যেন ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি। ৪৪ বছর আগে এই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতেই লাখো মানুষ জানাজা পড়ে শেষ বিদায় জানিয়েছিল সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সেনাবাহিনীর একদল অফিসারের ব্যর্থ অভ্যুত্থানে নৃশংসভাবে খুন হয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। খালেদা জিয়া তখন শুধুই দেশের ফার্স্টলেডি। চট্টগ্রাম বিএনপির দুই গ্রুপের কোন্দল মেটাতে চট্টগ্রাম গিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। সার্কিট হাউজে দিনভর বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন জিয়া। শেষ রাতের দিকে সার্কিট হাউজে সেনা অভিযানে জিয়া নিহত হন।

২ জুন জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে। এরপর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে দাফন করা হয় সংসদ ভবনের উত্তর দিকে। সেদিন তাঁর শেষযাত্রায় যে জনসমাগম হয়েছিল সেটি ইতিহাস হয়ে আছে। ঢাকার সাধারণ মানুষ সেদিন স্বতঃস্ফূর্ততার সঙ্গে রাষ্ট্রপতির জানাজায় অংশ নিয়েছিল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
জিয়ার জানাজার খবর পরদিনের পত্রিকা। ছবি: সংগৃহীত
জিয়ার জানাজার খবর পরদিনের পত্রিকা। ছবি: সংগৃহীত

৪৪ বছর পর খালেদা জিয়ার জানাজাও ঠিক একই জায়গায়। ইতিহাসের যাত্রা মিলে যাচ্ছে এক বিন্দুতেই। রাষ্ট্রপতি জিয়া যখন নিহত হন খালেদা জিয়ার তখন নিজের ফার্স্টলেডি পরিচয় ছাপিয়েও সাধারণ একজন গৃহবধুই। দুই ছেলে তারেক রহমান আর আরাফাত রহমানকে নিয়েই তার জগৎ। জিয়াউর রহমান সেভাবে কখনোই তার পরিবারকে জনসম্মুখে আনতেন না। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়া যেতেন, যেখানে না গেলেই নয়। স্বামীর নৃশংস মৃত্যু খালেদা জিয়াকে টেনে এনেছিল রাজনীতিতে। কোনো প্রকার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ছাড়াই সেই মানুষটিই বিএনপির হাল ধরেছিলেন। রাজপথের আন্দোলন–সংগ্রামের মাধ্যমে নিজেকে ঋদ্ধ করেছেন। দলকে নির্বাচনে জিতিয়ে নিয়েছেন রাষ্ট্রক্ষমতায়। নিজে হয়েছেন দেশের প্রথম নারী সরকারপ্রধান। বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের অংশেই পরিণত হয়েছেন। তাঁর মৃত্যু সে কারণে দেশের ইতিহাসের একটি বিশেষ অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

৪৪ বছর আগে জিয়ার সেই জানাজা কেমন ছিল। আজকের ঢাকার সঙ্গে ১৯৮১ সালের ঢাকার তুলনা করা সম্ভব নয়। সে সময় ঢাকার জনসংখ্যা কোটির কাছাকাছিও পৌঁছায়নি। কিন্তু দেশের রাষ্ট্রপতির নামাজে জানাজায় সেদিন ঢাকার মানুষ পথে নেমে এসেছিল। রাজনৈতিক কর্মীদের পাশাপাশি লাখো সাধারণ মানুষের উপস্থিতি জিয়ার জানাজাকে বিশেষ করেই ঠাঁই দিয়েছে ইতিহাসে।

স্বামীর রাজনৈতিক পরম্পরাকে ধারণ করেই রাজনীতি করেছেন খালেদা জিয়া। স্বামীর প্রতিষ্ঠিত বিএনপিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন নিজের প্রজ্ঞা দিয়ে। স্বামীর প্রতিষ্ঠিত দলকে নিয়ে গেছেন সাধারণ মানুষের মধ্যে। মৃত্যুর পর আজ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে তার নামাজে জানাজা দিয়ে জিয়াউর রহমানের মতোই তিনি অংশ হয়ে যাবেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের।

বিষয়: বিএনপিবাংলাদেশখালেদা জিয়াজিয়াউর রহমানইতিহাস
সর্বশেষ
  • ১

    এশিয়া কাপ: শিরোপায় চোখ রেখে বাংলাদেশের ‘ভারত পরীক্ষা’

  • ২

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ৩

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৪

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৫

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া