চরচা ডেস্ক

ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বারবার ১১:১১ সময়টি চোখে পড়েছে কখনও?
কারো কাছে এটি নিছক কাকতালীয় ঘটনা। কিন্তু অনেকের কাছে এটি এক ধরনের সংকেত। নানা সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের মানুষের কাছে এই সংখ্যাটি ঘুরেফিরে বারবার দেখা এক রহস্যময় ইঙ্গিত হিসেবে পরিচিত পেয়েছে। এমনকি ১১:১১-কে ঘিরে মানুষের মধ্যে নীরবে ইচ্ছা প্রকাশের এক প্রবণতাও তৈরি হয়েছে। যেন এই মুহূর্তে মহাবিশ্ব তাদের কথা শুনছে!
জ্যোতিষশাস্ত্রের ভাষায়, ১১:১১ কেবল একটি সময় নয়, অনেকের কাছে এটি এক ধরনের ঘটনা। বিশ্বাস করা হয়, এই সংখ্যা বারবার দেখা মানে মহাবিশ্বের কোনো বার্তা বা আধ্যাত্মিক সামঞ্জস্যের ইঙ্গিত।
জ্যোতিষী ও বাস্তুশাস্ত্র পরামর্শক পণ্ডিত হিতেন্দ্র কুমার শর্মা ভারতীয় গণমাধ্যম নিউজ১৮–কে বলেন, সংখ্যাতত্ত্বে ১১ হলো ‘মাস্টার নাম্বার’, যা অন্তর্দৃষ্টি, প্রজ্ঞা ও অতিমাত্রায় সজ্ঞানে থাকার প্রতীক। এটি দ্বিগুণ হয়ে ১১:১১ হলে এর শক্তিও দ্বিগুণ হয় বলে ধারণা করা হয়।
এটি কি সত্যিই কাজ করে?
এ প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করে বিশ্বাসের ওপর। অনেকে দাবি করেন, ১১:১১-এ করা তাদের ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। তারা মনে করেন, এই অভ্যাস তাদের মনের গভীর আকাঙ্ক্ষা বাস্তব করতে সাহায্য করেছে।
তবে বিজ্ঞান এখনো ১১:১১-এর রহস্যময় দিক সমর্থন করে না। কিন্তু মনোবিজ্ঞান স্বীকার করে যে, নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কল্পনা ও মনোসংযোগ করলে তা মানুষের আচরণকে প্রভাবিত করতে পারে। কোনো লক্ষ্য স্পষ্টভাবে কল্পনা করলে মানুষ তা অর্জনের পথে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে বেশি আগ্রহী হয়। সেই দিক থেকে ১১:১১ আদতে মানসিক প্রস্তুতিরই প্রতীক।
সুইস মনোরোগ বিশেষজ্ঞ কার্ল গুস্তাভ ইয়ুং এই ১১:১১ সম্পর্কে বলেছেন, এটি এক ধরনের কাকতালীয় বিষয়, যেখানে ভেতরের অভিজ্ঞতা ও বাইরের ঘটনার মধ্যে এক ধরনের তাৎপর্যপূর্ণ সংযোগ দেখা যায়।
ইয়ুং আরও বলেছেন যে, কেউ যখন বারবার ঘড়িতে বা তারিখে ১১:১১ দেখতে থাকে, তখন তার মস্তিষ্ক এটাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে। ফলে এ বিষয়ে তার সচেতনতা বাড়ে এবং মনোযোগ আরও তীক্ষ্ণ হয়। এখানে নির্দিষ্ট কোনো সময়ের চেয়ে মানুষের সচেতনতার বিষয়টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন এই বিখ্যাত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।

ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বারবার ১১:১১ সময়টি চোখে পড়েছে কখনও?
কারো কাছে এটি নিছক কাকতালীয় ঘটনা। কিন্তু অনেকের কাছে এটি এক ধরনের সংকেত। নানা সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের মানুষের কাছে এই সংখ্যাটি ঘুরেফিরে বারবার দেখা এক রহস্যময় ইঙ্গিত হিসেবে পরিচিত পেয়েছে। এমনকি ১১:১১-কে ঘিরে মানুষের মধ্যে নীরবে ইচ্ছা প্রকাশের এক প্রবণতাও তৈরি হয়েছে। যেন এই মুহূর্তে মহাবিশ্ব তাদের কথা শুনছে!
জ্যোতিষশাস্ত্রের ভাষায়, ১১:১১ কেবল একটি সময় নয়, অনেকের কাছে এটি এক ধরনের ঘটনা। বিশ্বাস করা হয়, এই সংখ্যা বারবার দেখা মানে মহাবিশ্বের কোনো বার্তা বা আধ্যাত্মিক সামঞ্জস্যের ইঙ্গিত।
জ্যোতিষী ও বাস্তুশাস্ত্র পরামর্শক পণ্ডিত হিতেন্দ্র কুমার শর্মা ভারতীয় গণমাধ্যম নিউজ১৮–কে বলেন, সংখ্যাতত্ত্বে ১১ হলো ‘মাস্টার নাম্বার’, যা অন্তর্দৃষ্টি, প্রজ্ঞা ও অতিমাত্রায় সজ্ঞানে থাকার প্রতীক। এটি দ্বিগুণ হয়ে ১১:১১ হলে এর শক্তিও দ্বিগুণ হয় বলে ধারণা করা হয়।
এটি কি সত্যিই কাজ করে?
এ প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করে বিশ্বাসের ওপর। অনেকে দাবি করেন, ১১:১১-এ করা তাদের ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। তারা মনে করেন, এই অভ্যাস তাদের মনের গভীর আকাঙ্ক্ষা বাস্তব করতে সাহায্য করেছে।
তবে বিজ্ঞান এখনো ১১:১১-এর রহস্যময় দিক সমর্থন করে না। কিন্তু মনোবিজ্ঞান স্বীকার করে যে, নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কল্পনা ও মনোসংযোগ করলে তা মানুষের আচরণকে প্রভাবিত করতে পারে। কোনো লক্ষ্য স্পষ্টভাবে কল্পনা করলে মানুষ তা অর্জনের পথে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে বেশি আগ্রহী হয়। সেই দিক থেকে ১১:১১ আদতে মানসিক প্রস্তুতিরই প্রতীক।
সুইস মনোরোগ বিশেষজ্ঞ কার্ল গুস্তাভ ইয়ুং এই ১১:১১ সম্পর্কে বলেছেন, এটি এক ধরনের কাকতালীয় বিষয়, যেখানে ভেতরের অভিজ্ঞতা ও বাইরের ঘটনার মধ্যে এক ধরনের তাৎপর্যপূর্ণ সংযোগ দেখা যায়।
ইয়ুং আরও বলেছেন যে, কেউ যখন বারবার ঘড়িতে বা তারিখে ১১:১১ দেখতে থাকে, তখন তার মস্তিষ্ক এটাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে। ফলে এ বিষয়ে তার সচেতনতা বাড়ে এবং মনোযোগ আরও তীক্ষ্ণ হয়। এখানে নির্দিষ্ট কোনো সময়ের চেয়ে মানুষের সচেতনতার বিষয়টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন এই বিখ্যাত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।