চরচা ডেস্ক

গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক বাড়িতেই এয়ার কন্ডিশনার (এসি) এখন প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। তবে এসি ব্যবহার নিয়ে একটি প্রচলিত ধারণা আছে যে এসি রুমে ঘুমালে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বা ‘ইমিউনিটি’ কমে যায়।
ভারতের মুম্বাইয়ের ফুসফুস বিশেষজ্ঞ ডা. মানস মেঙ্গার হিন্দুস্থান টাইমসকে বলেন, “এই ধারণা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভুল। তার ভাষ্য, এসি নিজে থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে না। মূল বিষয় হলো এসি কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে সেটি।”
ডা. মানস জানান, ভালো ঘুম, ঘরের আরামদায়ক তাপমাত্রা এবং সঠিক বায়ু চলাচল বরং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শারীরিক পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে।
এসি রুমে ঘুমানোর পর কেন অনেকের অসুস্থ লাগতে পারে?
অনেকেই দীর্ঘ সময় এসিতে থাকার পর ঘুম থেকে উঠে গলা ব্যথা, নাক শুকিয়ে যাওয়া, সাইনাসে অস্বস্তি, কাশি বা বারবার হাঁচির অভিযোগ করেন। তবে ডা. মানসের মতে, এসব সমস্যা সাধারণত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে নয় বরং ঘরের শুষ্ক বাতাস ও অপরিষ্কার এসির কারণে হয়।
এই বিশেষজ্ঞ বলেন, “এসি ঘরের আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়, ফলে নাক, গলা ও শ্বাসনালি শুকিয়ে যেতে পারে। সাধারণত এই আর্দ্র অংশগুলো ধুলাবালি, ভাইরাস ও দূষণের বিরুদ্ধে শরীরের প্রাকৃতিক সুরক্ষা হিসেবে কাজ করে। এগুলো শুকিয়ে গেলে জ্বালা ও অস্বস্তি বাড়ে।”
ডা. মানসের মতে, আরেকটি বড় কারণ হলো এসির ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ না করা। তিনি বলেন, “অপরিষ্কার এসির ফিল্টার থেকে ধুলার কণা, ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ও অ্যালার্জির উপাদান বাতাসে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে হাঁচি, কাশি, সাইনাসের সমস্যা বা হাঁপানির উপসর্গ বেড়ে যেতে পারে।”
তার মতে, অনেকেই এই শ্বাসনালির জ্বালা বা অ্যালার্জিজনিত সমস্যাকে সাধারণ সর্দি বা সংক্রমণ বলে ভুল করেন। তিনি বলেন, “অনেক ক্ষেত্রে এটি আসলে সংক্রমণ নয়, বরং অ্যালার্জি বা শুষ্কতার কারণে হওয়া প্রদাহ।”
হঠাৎ তাপমাত্রা পরিবর্তন কি শরীরে প্রভাব ফেলে?
চিকিৎসকদের মতে, বাইরে প্রচণ্ড গরম আর ভেতরে খুব ঠান্ডা পরিবেশের মধ্যে বারবার যাতায়াত করলে শ্বাসতন্ত্রের ওপর চাপ পড়তে পারে।

ডা. মানস বলেন, “হঠাৎ তাপমাত্রা বদল শ্বাসনালিতে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে যাদের হাঁপানি, অ্যালার্জিজনিত নাকের সমস্যা, সাইনাসের সমস্যা বা সংবেদনশীল শ্বাসনালি রয়েছে।”
এই বিশেষজ্ঞের মতে, তীব্র গরম থেকে হঠাৎ খুব ঠান্ডা ঘরে ঢুকলে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, গলা খুসখুস করা, কাশি বা শ্বাস নিতে অস্বস্তি হতে পারে। তবে তিনি পরিষ্কার করে বলেন, শুধু তাপমাত্রা পরিবর্তনের কারণে সরাসরি সংক্রমণ হয় না।
ঘুমের সময় এসি ব্যবহারের স্বাস্থ্যকর উপায় কী?
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসি ব্যবহারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভারসাম্য ও পরিমিতি।
ডা. মানস বলেন, “স্বাস্থ্যকর উপায় হলো আরামদায়ক ঠান্ডা রাখা–ঘরকে ফ্রিজের মতো ঠান্ডা করে ফেলা নয়।” বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কের জন্য তিনি ঘরের তাপমাত্রা ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখার পরামর্শ দেন, যদিও এটি ব্যক্তিভেদে কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।
এ ছাড়া এসি ব্যবহারে অস্বস্তি কমাতে তিনি কয়েকটি অভ্যাসের পরামর্শ দিয়েছেন—
ডা. মানস বলেন, “ভালোভাবে ব্যবহার করলে এসি ঘুমের মান বাড়াবে, বিরক্তির কারণ হবে না। ফুসফুসের স্বাস্থ্যের জন্য এসির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আরামদায়ক পরিবেশ, পরিষ্কার বাতাস ও সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ।”

গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক বাড়িতেই এয়ার কন্ডিশনার (এসি) এখন প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। তবে এসি ব্যবহার নিয়ে একটি প্রচলিত ধারণা আছে যে এসি রুমে ঘুমালে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বা ‘ইমিউনিটি’ কমে যায়।
ভারতের মুম্বাইয়ের ফুসফুস বিশেষজ্ঞ ডা. মানস মেঙ্গার হিন্দুস্থান টাইমসকে বলেন, “এই ধারণা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভুল। তার ভাষ্য, এসি নিজে থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে না। মূল বিষয় হলো এসি কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে সেটি।”
ডা. মানস জানান, ভালো ঘুম, ঘরের আরামদায়ক তাপমাত্রা এবং সঠিক বায়ু চলাচল বরং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শারীরিক পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে।
এসি রুমে ঘুমানোর পর কেন অনেকের অসুস্থ লাগতে পারে?
অনেকেই দীর্ঘ সময় এসিতে থাকার পর ঘুম থেকে উঠে গলা ব্যথা, নাক শুকিয়ে যাওয়া, সাইনাসে অস্বস্তি, কাশি বা বারবার হাঁচির অভিযোগ করেন। তবে ডা. মানসের মতে, এসব সমস্যা সাধারণত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে নয় বরং ঘরের শুষ্ক বাতাস ও অপরিষ্কার এসির কারণে হয়।
এই বিশেষজ্ঞ বলেন, “এসি ঘরের আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়, ফলে নাক, গলা ও শ্বাসনালি শুকিয়ে যেতে পারে। সাধারণত এই আর্দ্র অংশগুলো ধুলাবালি, ভাইরাস ও দূষণের বিরুদ্ধে শরীরের প্রাকৃতিক সুরক্ষা হিসেবে কাজ করে। এগুলো শুকিয়ে গেলে জ্বালা ও অস্বস্তি বাড়ে।”
ডা. মানসের মতে, আরেকটি বড় কারণ হলো এসির ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ না করা। তিনি বলেন, “অপরিষ্কার এসির ফিল্টার থেকে ধুলার কণা, ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ও অ্যালার্জির উপাদান বাতাসে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে হাঁচি, কাশি, সাইনাসের সমস্যা বা হাঁপানির উপসর্গ বেড়ে যেতে পারে।”
তার মতে, অনেকেই এই শ্বাসনালির জ্বালা বা অ্যালার্জিজনিত সমস্যাকে সাধারণ সর্দি বা সংক্রমণ বলে ভুল করেন। তিনি বলেন, “অনেক ক্ষেত্রে এটি আসলে সংক্রমণ নয়, বরং অ্যালার্জি বা শুষ্কতার কারণে হওয়া প্রদাহ।”
হঠাৎ তাপমাত্রা পরিবর্তন কি শরীরে প্রভাব ফেলে?
চিকিৎসকদের মতে, বাইরে প্রচণ্ড গরম আর ভেতরে খুব ঠান্ডা পরিবেশের মধ্যে বারবার যাতায়াত করলে শ্বাসতন্ত্রের ওপর চাপ পড়তে পারে।

ডা. মানস বলেন, “হঠাৎ তাপমাত্রা বদল শ্বাসনালিতে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে যাদের হাঁপানি, অ্যালার্জিজনিত নাকের সমস্যা, সাইনাসের সমস্যা বা সংবেদনশীল শ্বাসনালি রয়েছে।”
এই বিশেষজ্ঞের মতে, তীব্র গরম থেকে হঠাৎ খুব ঠান্ডা ঘরে ঢুকলে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, গলা খুসখুস করা, কাশি বা শ্বাস নিতে অস্বস্তি হতে পারে। তবে তিনি পরিষ্কার করে বলেন, শুধু তাপমাত্রা পরিবর্তনের কারণে সরাসরি সংক্রমণ হয় না।
ঘুমের সময় এসি ব্যবহারের স্বাস্থ্যকর উপায় কী?
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসি ব্যবহারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভারসাম্য ও পরিমিতি।
ডা. মানস বলেন, “স্বাস্থ্যকর উপায় হলো আরামদায়ক ঠান্ডা রাখা–ঘরকে ফ্রিজের মতো ঠান্ডা করে ফেলা নয়।” বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কের জন্য তিনি ঘরের তাপমাত্রা ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখার পরামর্শ দেন, যদিও এটি ব্যক্তিভেদে কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।
এ ছাড়া এসি ব্যবহারে অস্বস্তি কমাতে তিনি কয়েকটি অভ্যাসের পরামর্শ দিয়েছেন—
ডা. মানস বলেন, “ভালোভাবে ব্যবহার করলে এসি ঘুমের মান বাড়াবে, বিরক্তির কারণ হবে না। ফুসফুসের স্বাস্থ্যের জন্য এসির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আরামদায়ক পরিবেশ, পরিষ্কার বাতাস ও সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ।”

বৈশ্বিক কর্মীসংখ্যা প্রায় ১০ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটাতে নতুন করে কর্মী ছাঁটাই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৮ হাজার কর্মী চাকরি হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।